রাত ২ টায় পুলিশ পাহারায় যুবদল কর্মী শাওনের লাশ দাফন করা হয়েছে। দলের নেতাকর্মীরা, সহযোদ্ধা, বন্ধু-বান্ধদেরও পর্যন্ত শাওনের জানাজায় অংশ গ্রহণ করতে দেয়নি বলে অভিযোগ করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার (০২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাদ জুমা রাজনীতির নয়া পল্টন দলীয় কার্যালয়ের সামনে নিহত শাওনের গায়েবানা জানাজার আগে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল। মির্জা ফখরুল বলেন, কিছু দিন আগেই ভোলায় আমাদের ২ জন ভাইয়ের প্রাণ গেছে পুলিশের গুলিতে আর গতকালকে নারায়ণগঞ্জে শাওন শাহাদাত বরণ করেছে, অথচ আমাদের মিছিল ছিল সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ। এটা তেমন কোন সরকারের বিরুদ্ধে কর্মসূচীও ছিল না, এটা ছিল আমাদের দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর শোভাযাত্রা মাত্র। শাওনের এই আত্মাত্যাগ কখনো কখনো বৃথা যেতে পারে না, গণতন্ত্রের জন্য শাওন শাহাদাত বরণ করেছে, আমরা শাওনের শোককে শক্তিতে পরিণত করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করবো বলেও নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গায়েবানা জানাজার নামাজ পড়ান জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা নেছার উদ্দিন, এবং নামাজ দোয়া মুনাজাতও পরিচালনা করা হয়। জানাজা শেষ দলের নেতাকর্মীরা কয়েক মিনিট ধরে সড়কে বিক্ষোভ করেন, শাওন হত্যার বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল ,ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহবায়ক আব্দুস সালাম, সদস্যসচিব রফিকুল আলম মজনু, বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম, যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরব প্রমুখ।