বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও কৃষকদল কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবেক এমপি মোঃ হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু বলেন, ভোলায় স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা আব্দুর রহিম ও ছাত্রদল সভাপতি নুরে আলমের রক্ত দিয়েই তাদের শোকের মাস শুরু করলো। আগস্ট মাসকে আওয়ামী লীগ বলে শোকের মাস। আর সেই মাস শুরু করেছে রহিম-নুরে আলমের রক্ত দিয়ে। আওয়ামী লীগ বলে কাঁদো বাঙ্গালী কাঁদো। বাঙ্গালী কাঁদবে না, তাই কাঁদাল। আওয়ামীলীগ শুরু রহিম ও নুরে আলম পরিবারকে কাঁদায়নি, সারা দেশের মানুষকে কাঁদিয়েছে। নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সাবেক এমপি লালু বলেন, ‘এখন আর ক্রন্দন নয়, আমাদের জেগে উঠতে হবে। এই ভয়াবহ কর্তৃত্ববাদী ফ্যাসিবাদী সরকারের জুলুম নির্যাতনের হাত থেকে এই জাতিকে মুক্ত করতে হবে। আমাদের গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। গণতন্ত্রের মাতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বিদেশ থেকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে। এজন্য প্রয়োজন সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়া। এজন্য প্রয়োজন সমগ্র জাতির ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন। পুলিশের গুলিতে ভোলায় স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা আব্দুর রহিম ও ছাত্রদল সভাপতি নুরে আলম হত্যার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বিকেলে বগুড়া জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বগুড়া শহর যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল শেষে এক সমাবেশে প্রধান অতিথি বক্তরে্য তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।
বগুড়া শহর যুবদলের আহ্বায়ক আহসান হাবিব মমি’র সভাপতিত্বে ও যুগ্ন-আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ সুজন এর সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপি’র যুগ্ন-আহ্বায়ক এ্যাডঃ সাইফুল ইসলাম, জেলা যুবদলের যুগ্ন-আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম,আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদ জেলা শাখার সভাপতি সাজ্জাদুজামান সিরাজ জয়। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন শহর যুবদলের যুগ্ন-আহ্বায়ক ইমরান হোসেন, তারিক মজিদ সোহাগ, সৌরভ হাসান শিপলু, জাহিদ, আবু সাইদ, সাদ্দাম,সদস্য মেফতা আল রশিদ মিল্টন, রোকন,রাশেদ, রহিম, সন্তু, পাশা, বাপ্পি,রুবেল, মিঠু, ফয়সাল, উৎসব, মনির, ছোটন, শামীম, শাহিন, মোজাম,স্বপন, নেহাল,মোখলেস, মোনারুল,রনি,শুভ, কোকন,রসুল,স্বাধীনসহ বিভিন্ন ওয়াডের নেতৃবৃন্দ।