1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ভারতের সংসদ শ্রদ্ধা জানালো বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে একটি দলের শীর্ষ নেতারা পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে: বিএনপি প্রযুক্তি খাত থেকেই ভবিষ্যৎ রচনা হবে : ড. ইউনূস বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র-মার্কিন রাষ্ট্রদূত সহিংসতা বন্ধ করে কল্যাণের রাজনীতির পক্ষে দাঁড়াতে চাই-ডা: শফিকুর রহমান বগুড়ায় আসছেন তারেক রহমান বইছে উৎসবের আমেজ বগুড়াতে বিএনপির বাহিরে অন্য প্রার্থীকে ভোট দিবেনা মানুষ-ভিপি সাইফুল মোহনপুরে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের একদিনের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গাবতলীতে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে ১০৮টির মধ্যে ৭০টি অবৈধ

কুড়িগ্রামে স্বেচ্ছাশ্রমে চলছে ১৩০ ফুট লম্বা বাঁশের সাঁকো নির্মাণ

  • সম্পাদনার সময় : রবিবার, ৫ জুন, ২০২২
  • ২০১ বার প্রদশিত হয়েছে

কুড়িগ্রাম।। দেশের উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে স্বেচ্ছাশ্রমে ১৩০ ফুট লম্বা বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করছেন স্থানীয় বাসিন্দানা। জনদুর্ভোগ লাঘবে জনপ্রতিনিধিসহ স্থানীয়রা গত ৮ থেকে ১০ দিন যাবত এই সাঁকো নির্মাণ করছেন। সরকারিভাবে সেতু নির্মাণের ব্যবস্থা না করায় চরম দুর্ভোগের শিকার ওই এলাকার হাজারো মানুষ। তাই প্রতি বছর সাঁকোটি মেরামত করে কোনোরকমে চলাচল করেন তারা। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে পারাপারে চরম দুর্ভোগের শিকার হন এলাকাবাসী। কেউ ব্যবহার করেন ডিঙি নৌকা আবার কেউ পার হন কলাগাছের ভেলায়। এতে করে প্রায়ই দুঘর্টনা ঘটে। ভুক্তভোগীরা বলছেন, যেন দেখার কেউ নেই। সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কিশামত শিমুলবাড়ী এলাকায় করিমের ঘাটে বারোমাসিয়া নদীর উপর নির্মিত ১৩০ ফুট লম্বা বাঁশের সাঁকোটি জরাজীর্ণ অবস্থাতেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন হাজারো মানুষ। ভারী বস্তা বা পণ্যসামগ্রী পারাপার করতে হিমশিম খাচ্ছেন স্থানীয়রা। বিশেষ করে মহিলাসহ স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা সতর্কভাবে পারাপার হলেও অনেক সময় দুর্ঘটনার শিকার হন। বারোমাসিয়া নদীতে সারাবছর পানি থাকে। বছরের পর বছর স্থানীয়রা সেতুর দাবি করে আসলেও স্বাধীনতার ৫০ বছরেও পারাপারে নির্মাণ করা হয়নি। স্থানীয়দের চলাচলের সুবিধার্থে জরাজীর্ণ সাঁকোটির পাশ দিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য রাশেদুল হকের নিজস্ব উদ্যোগে গত ৮ থেকে ১০ দিন ধরে নতুন করে বাঁশের সাঁকো নির্মাণের কাজ শুরু করায় হাজারো মানুষের মাঝে স্বস্তির নিঃশ্বাস বইছে। স্থানীয় করুনা কান্ত ও রাজু মিয়া বলেন, সরকারিভাবে সেতু নির্মাণ না হওয়ায় আমরা এলাকাবাসী যুগের পর যুগ চরম দুর্ভোগ সহ্য করে আসছি। আমরা প্রতিদিন ভয়ে ভয়ে সাঁকোটি পার হই। ভাঙাচুরা জায়গুলো পার হতে গিয়ে মনে হয় এই বুঝি ভেঙে যায়। আমাদের এমন দুদর্শা দেখে ইউপি সদস্য রাশেদুল হক নিজ উদ্যোগে নতুন করে সাঁকো নির্মাণ কাজ শুরু করেছেন। আগামী ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যেই কাজ শেষ হবে বলে আশা করছি। কৃষক সন্জু মিয়া এবং হাসেম আলী বলেন, ৭ বছর আগে এখানে একটা ঘাট ছিল। তখন আমরা নৌকা দিয়ে পারাপার করছি। তারপরে জনগণের কাছে থেকে বাঁশ কালেকশন করে আমরা একটা বাঁশের সাঁকো দিছি। এবার সাঁকোটি ভেঙে গেছে। এখন পারাপারে খুবই সমস্যা। মৎস ব্যবসায়ী আতাউর রহমান রতন ও হামিদুল ইসলাম হিমু বলেন, সাঁকোটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১৩০ ফুট। এই সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৩ থেকে ৪ হাজার মানুষ পারাপার করে। প্রতিবছর আমরা নিজেদের উদ্যোগে সাঁকোটি পারাপারের উপযোগী করি। স্বাধীনতার ৫০ বছরেও সরকারিভাবে ব্রিজ নির্মাণের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।স্থানীয় ইউপি সদস্য রাশেদুল হক বলেন, সেতু নির্মাণ না করায় বছরের পর বছর হাজার হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার। নিজ উদ্যোগে টানা ৭ বছর ধরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রতি বছর বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে পারাপার হতে হয়। এই নদীত একটি ব্রিজ নির্মাণ করা খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে। ব্রিজ নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।’ ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সুমন দাস বলেন, ‘সরেজমিনে খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies