1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আমাদের লক্ষ্য কৃষকের মুখে হাসি ফোটানো : প্রধানমন্ত্রী বগুড়া জেলা পরিষদের নব নিযুক্ত প্রশাসক হিসেবে যোগদান করলেন আহসানুল তৈয়ব জাকির নন্দীগ্রামে দেওতা খানকার ছাদ ঢালাই কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি মোশারফ আদমদীঘিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা আশিক গ্রেফতার আদমদীঘি ইউনিয়ন বহুমুখী সমবায় সমিতির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা খাল-নদী খননের মাধ্যমে দেশের খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন জিয়া: -প্রতিমন্ত্রী বারী খরা সহিঞ্চু বারি গম-৩৩ জাতের মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত বগুড়া-৬ সদর আসনের উপনির্বাচনে জামায়াত প্রার্থীর প্রচারণা শুরু পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে রোটারী ক্লাব অব বগুড়ার আয়োজনে দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

যমুনার ওপর মাত্র ৪ কি.মি. সেতু নির্মাণ ভুল ছিল: প্রধানমন্ত্রী

  • সম্পাদনার সময় : রবিবার, ২২ মে, ২০২২
  • ১৪৩ বার প্রদশিত হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যে কোনো সেতু নির্মাণে নদীর চরিত্র বিবেচনায় পরিকল্পনা করতে হবে। তিনি বলেছেন, যমুনা নদীর প্রশস্ততা বিবেচনায় না এনে নদীর ওপর মাত্র চার কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সেতু নির্মাণ করা ছিল ভুল সিদ্ধান্ত। তবে এর নকশা এবং পরিকল্পনা আগের সরকারের সময় করা হয়েছিল। তাই সেখানে তার আর কিছু করার ছিল না। তিনি কেবল এতে রেললাইন অন্তর্ভুক্ত করতে পেরেছিলেন। রোববার প্রধানমন্ত্রী তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ডেলটা গভর্ন্যান্স কাউন্সিলের প্রথম সভায় ভাষণে এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতুতে যমুনার ভুলের পুনরাবৃত্তি করা হয়নি। ফলে সেতুটি দীর্ঘ হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি পদ্মা সেতু ছোট করতে দিইনি। আমরা নদীর সঙ্গে বাফার জোন রেখে সেতু নির্মাণ করেছি। সুতরাং সেতুটি (দেশের) দীর্ঘতম হয়ে উঠেছে।’ তিনি বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণের সময় তার সরকার পদ্মা নদীর ওপর একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চালিয়েছিল। সেই সম্ভাব্যতা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তিনি সেতুর নকশা নতুন করে করান। তিনি বলেন, ‘আমি এখানে কোনো গোঁজামিল দিতে দিইনি। নকশা পাল্টে যেখানে যতটুকু ওজন নিতে পারবে, সেভাবেই এটা করা হয়।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি বর্ষা মৌসুমে যমুনা, পদ্মাসহ নদীর প্রবাহ ও তলদেশের মাটির চরিত্র পরিবর্তন হয়। এখানে বাংলাদেশের পরিস্থিতি অন্যান্য দেশের মতো নয়। তাই এই পার্থক্য মাথায় রেখে সঠিকভাবে পরিকল্পনা নিতে হবে। দেশের বিভিন্ন এলাকার প্রকৃতিগত পার্থক্যের উল্লেখ করে অঞ্চলভিত্তিক যথাযথ উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের একেক এলাকা একেক রকম, এটাও মাথায় রাখতে হবে। যে কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বাংলাদেশকে আরও ভালো করে চিনতে হবে, জানতে হবে। শেখ হাসিনা বলেন, সরকার এই ব-দ্বীপের জনগণকে নিরাপদ করতে এবং জনগণকে উন্নত জীবন দিতে ‘ডেলটা প্ল্যান-২১০০’ গ্রহণ করেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের অর্জিত বিশাল সমুদ্র এলাকা ডেলটা প্ল্যানে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। দেশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে সমুদ্রে থাকা বিশাল মৎস্য ও খনিজ সম্পদ কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে এজন্য একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করারও নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমি মনে করি আজকের যে বিশাল সমুদ্র রাশি আমরা পেয়েছি ‘ডেল্টা প্ল্যান’র সঙ্গে একে আমাদের অর্থনৈতিক কার্যক্রমে কাজে লাগাতে হবে। সূত্র: বাসস

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies