1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
পাকিস্তানে ‘ভারতসমর্থিত’ ৪১ সন্ত্রাসী নিহত: আইএসপিআর জয়পুরহাটে আবারো কাটা তারের বেড়া দেওয়ার চেষ্টা শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান আমরা বাংলাদেশের নেতৃত্ব যুবকদের হাতে তুলে দিতে চাই-লক্ষ্মীপুরে জামায়াত আমির ভোট দিয়ে প্রমাণ করুন বগুড়া বিএনপির ঘাঁটি: তারেক রহমান বগুড়ার বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদে জুম্মার নামজ আদায় করলেন তারেক রহমান যে যার অবস্থান থেকে প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর আহবান তারেক রহমানের বিএনপি সরকার গঠন করলে শুধু বগুড়া নয় সারাদেশে উন্নয়ন করা হবে- তারেক রহমান আমরা ক্ষমতায় গেলে রাজশাহী অঞ্চলের উন্নয়নকাজ, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করব- তারেক রহমান প্রয়োজনে জীবন দেব, তবু জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে দেব না-জামায়াত আমির

নির্বাচন নিয়ে দর কষাকষি করে লাভ নেই: ওবায়দুল কাদের

  • সম্পাদনার সময় : মঙ্গলবার, ১০ মে, ২০২২
  • ১৪৩ বার প্রদশিত হয়েছে

নির্বাচন ও নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে দরকষাকষি করে বিএনপি নেতাকর্মীদের কোনো লাভ হবে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘দর কষাকষিতে সরকার সংবিধান থেকে নড়বে না। সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে নির্বাচন কমিশনের অধীনেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’ মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউর আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর সঙ্গে সহযোগী-ভাতৃপ্রতিম সংগঠনের সংগঠনের নেতাদের বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি যেসব কথা বলছে, দর কষাকষির জন্য বলছে। কিন্তু নির্বাচন ছাড়া ক্ষমতা পরিবর্তনের বিকল্প নেই। নির্বাচনে জনগণ তাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে কিংবা আওয়ামী লীগ হেরে গেলেও এই নিরপেক্ষ নির্বাচনের পক্ষে সবসময় থাকবে। একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার সরকার নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। জনগণকে আস্থায় নিয়ে অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনে জনগণের ইচ্ছায় ক্ষমতার পরিবর্তন হবে।’ তিনি বলেন, ‘বিএনপিকে বলব, দর কষাকষি করে লাভ নেই। সরকার সংবিধান থেকে নড়বে না। পৃথিবীর অন্যান্য দেশে যেভাবে নির্বাচন হয়, ঠিক সেভাবেই নির্বাচন কমিশনের অধীনে ভোট হবে। সুতরাং, এদিক-সেদিক দর কষাকষি না করে নির্বাচনে আসুন, নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন।’ বিএনপিকে নির্বাচনে আনতে সরকার কোনো ছাড় দিচ্ছে কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এখানে ছাড়ের বিষয় নয়। আমরা বিএনপিকে বলছি, তারা দেশের একটা বড় দল। তারা নির্বাচনে আসুক, একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হবে, এটা আমরা চাই। নির্বাচনে আসা তাদের অধিকার, সুযোগ নয়। সুযোগ বিতরণ করা হয়, অধিকার বিতরণ করা হয় না। সুতরাং তারা নির্বাচনে আসবে, আমি এটাই বুঝি।’ ইভিএম পরের ব্যাপার আগে সরকারের পদত্যাগ ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে ক্ষমতা হস্তান্তর, তারপর নির্বাচন- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘ইভিএম পরের ব্যাপার কেন? আপত্তি কোথায়? পৃথিবীর বহু দেশে ইভিএমে নির্বাচন হচ্ছে। নির্বাচনে কারচুপি ও জালিয়াতি ঠেকানোর জন্য ইভিএম ব্যবস্থার চেয়ে আধুনিক কোনো পদ্ধতি নেই। বিএনপি কী নির্বাচনে কারচুপি করতে চায়? আর সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে কেন? আওয়ামী লীগ কী অন্যায় করেছে?’ তিনি বলেন, ‘বিএনপির এধরনের কথা দেশের মানুষ গত ১৩ বছর যাবৎ শুনছে। গত নির্বাচনের সময়ও বিএনপি ও তাদের জোটের হাঁকডাক শুনেছে। কিন্তু পানি ঘোলা করে অবশেষে তারা প্রধানমন্ত্রী আহুত সংলাপে এসেছে, নির্বাচনেও অংশ নিয়েছেন। এবারও সেই একই কথা মুখে মুখে বলছে তারা। কিন্তু বিএনপি নেতারা ভাল করেই জানেন, দলের অস্তিত্ব রক্ষায় তাদের নির্বাচনে আসতেই হবে। তাদের হাতে কোনো বিকল্পও নেই।’ ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে বৈঠকে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে মাহবুব-উল আলম হানিফ, ড. হাছান মাহমুদ, আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, আহমদ হোসেন, মির্জা আজম, অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, অসীম কুমার উকিল, সুজিত রায় নন্দী, ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ওয়াসিকা আয়শা খানম, প্রকৌশলী আবদুস সবুর, শামসুন্নাহার চাপা, সায়েম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সহযোগী-ভাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকরা বৈঠকে যোগ দেন। বৈঠকে দলের মেয়াদোত্তীর্ণ তিন সহযোগী সংগঠন মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগ এবং ছাত্রলীগের সম্মেলনের তারিখ দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট নেতাদের নির্দেশ দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সময় প্রদান সাপেক্ষে এবং দলের কেন্দ্রীয় দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে সম্মেলনের তারিখ চূড়ান্ত করতে বলা হয়। বৈঠকে দলের জাতীয় সম্মেলন জাতীয় সম্মেলন সামনে রেখে উপ-কমিটিগুলো গঠন এবং দলীয় গঠনতন্ত্রের সংশোধনী ও ঘোষণাপত্রের খসড়া প্রস্তুতের জন্য সংশ্লিষ্ট নেতাদের নির্দেশ দেন ওবায়দুল কাদের। তালিকা করে দলের মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা সম্মেলনগুলো শেষ করা এবং সব জেলার মেয়াদোত্তীর্ণ সহযোগী-ভাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর সম্মেলনসহ সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকদের নির্দেশ দেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies