1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ভারতের সংসদ শ্রদ্ধা জানালো বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে একটি দলের শীর্ষ নেতারা পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে: বিএনপি প্রযুক্তি খাত থেকেই ভবিষ্যৎ রচনা হবে : ড. ইউনূস বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র-মার্কিন রাষ্ট্রদূত সহিংসতা বন্ধ করে কল্যাণের রাজনীতির পক্ষে দাঁড়াতে চাই-ডা: শফিকুর রহমান বগুড়ায় আসছেন তারেক রহমান বইছে উৎসবের আমেজ বগুড়াতে বিএনপির বাহিরে অন্য প্রার্থীকে ভোট দিবেনা মানুষ-ভিপি সাইফুল মোহনপুরে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের একদিনের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গাবতলীতে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে ১০৮টির মধ্যে ৭০টি অবৈধ

রাজশাহীতে মৌসুমের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড

  • সম্পাদনার সময় : সোমবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২২
  • ১৯২ বার প্রদশিত হয়েছে

রাজশাহীতে বেড়েই চলেছে তাপমাত্রা। সোমবার বিকেল ৪টায় মৌসুমের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগের দিন রোববার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিলো ৪০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১৫ এপ্রিল মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিলো ৪১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র পর্যবেক্ষক কামাল উদ্দিন বলেন, সোমবার দুপুর ২টায় ৪০ দশমিক ৪ ডিগ্রি, বিকেল ৩টায় তাপমাত্রা উঠে ৪০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। বিকেল ৪টার পর তাপমাত্রা ওঠে ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজশাহী আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, পর্যাপ্ত বৃষ্টির অভাবে তাপমাত্রা বেড়েই চলেছে। তবে বৃষ্টির জন্য আরো অপেক্ষা করতে হবে। এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে রাজশাহীর তাপমাত্রা আরো বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এদিকে ভয়াবহ তাপদাহে মানুষ ও পশুপাখির জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। ঘর থেকে বের হতে পারছেন না মানুষ। ঘরবাড়ির জিনিসপত্র সবকিছুই রোদের তাপে উত্তপ্ত হয়ে থাকছে। খেটে খাওয়া মানুষের জীবনে নেমে এসেছে প্রচণ্ড যন্ত্রণা। কাজে বের হতে না পারলে ঘরে অনাহারে থাকতে হবে। তাই বাধ্য হয়েই প্রচণ্ড উত্তাপের ভেতরে কাজে নামতে হচ্ছে। রিকশাচালক আব্দুল জব্বার বলেন, তিন-চার গামছা ভিজিয়ে মাথায় রেখে রিকশা চালাচ্ছি। কিছুক্ষণের মধ্যেই ভেজা গামছা সূর্যের তাপে শুকিয়ে যাচ্ছে। রোজা থেকে আর পারছি না। মানুষও রিকশায় উঠছে কম। কারণ গরমে বের হচ্ছেন না। জনি নামের এক মুসুল্লি বলেন, এসি মসজিদে নামাজ পড়ে বের হয়েছি। মসজিদের এসির ভেতর বেশ ঠান্ডা ছিলো। বাইরে এসেই মনে হলো আগুনের ভেতরে পড়ে গেছি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies