1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
ভারতের সংসদ শ্রদ্ধা জানালো বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে একটি দলের শীর্ষ নেতারা পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে: বিএনপি প্রযুক্তি খাত থেকেই ভবিষ্যৎ রচনা হবে : ড. ইউনূস বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র-মার্কিন রাষ্ট্রদূত সহিংসতা বন্ধ করে কল্যাণের রাজনীতির পক্ষে দাঁড়াতে চাই-ডা: শফিকুর রহমান বগুড়ায় আসছেন তারেক রহমান বইছে উৎসবের আমেজ বগুড়াতে বিএনপির বাহিরে অন্য প্রার্থীকে ভোট দিবেনা মানুষ-ভিপি সাইফুল মোহনপুরে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের একদিনের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গাবতলীতে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে ১০৮টির মধ্যে ৭০টি অবৈধ

কুড়িগ্রামে মৌসুমে সাড়ে তিনশ কোটি টাকার সার-কীটনাশক ব্যবহার

  • সম্পাদনার সময় : মঙ্গলবার, ২২ মার্চ, ২০২২
  • ১৬৪ বার প্রদশিত হয়েছে

কুড়িগ্রাম।। কুড়িগ্রামে প্রতিযোগিতামূলকভাবে কৃষি জমিতে সার ও কীটনাশকের অধিক ব্যবহারের ফলে মাটির স্বাস্থ্যের গুণগতমান হুমকির মুখে পড়েছে। এছাড়াও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে পরিবেশ ও মানবস্বাস্থ্যের উপর। বাড়ছে উৎপাদন খরচও। জেলার কৃষকরা ফসল ও সবজিচাষের সময় ইচ্ছাকৃত ও অনিয়মতান্ত্রিকভাবে বেশি বেশি সার ও কীটনাশক ব্যবহার করছে অধিক ফলনের আশায়। এতে এই খাতেই কৃষকদের গুনতে হচ্ছে প্রায় সাড়ে তিনশ কোটি টাকা। এতে করে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে পরিবেশ ও প্রতিবেশের উপর। চলতি মৌসুমে কুড়িগ্রাম জেলায় বোরো আবাদ করা হয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ১৭০ হেক্টর জমিতে। আলু আবাদ হয়েছে ৭ হাজার ৪০ হেক্টর জমিতে এবং ভুট্টা ১২ হাজার ৯৫০ হেক্টর জমিতে। কৃষকদের দেওয়া তথ্য মতে, প্রতি হেক্টর জমিতে বোরো আবাদে সার ও কীটনাশক ব্যবহারে খরচ পড়েছে ২১ হাজার টাকা করে। এতে মোট খরচের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৪৩ কোটি ৯৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা। আলুতে হেক্টরে ৫০ হাজার টাকা হিসেবে মোট ব্যয় হয়েছে ৩৫ কোটি ২০ লাখ টাকা এবং ভুট্টাতে হেক্টর প্রতি ২ হাজার টাকা ব্যয় করে মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৯ কোটি ৪২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সেই হিসেবে চলতি মৌসুমে জেলায় বোরো, আলু, ভুট্টা, গম, সবজি, আমের মুকুলসহ অন্যান্য ফসল উৎপাদনে গড়ে প্রায় সাড়ে তিনশ কোটি টাকার সার ও কীটনাশক জমিতে ব্যবহৃত হবে। জেলায় বছর বছর কৃষি উপকরণের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় হতাশ প্রান্তিক কৃষকরা। তারা খরচ পুষিয়ে নিতে অধিক ফলনের আশায় মনগড়াভাবে সার ও কীটনাশকের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার করছে। এতে জমি হারাচ্ছে তার উর্বরতা শক্তি। পরিবেশ বিপর্যয়সহ নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে জীববৈচিত্র্যের উপর। মানুষ চর্মসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। কুড়িগ্রাম পৌরসভার করিমের খামার গ্রামের কৃষক মজিদুল জানান, ‘হামরা বেশি ফলনের আশায় বেশি বেশি করি সার ও কীটনাশক দেই।’ এই গ্রামের আরেক কৃষক কালাম জানান, ‘হামরাতো অতশত বুঝবের পাই না। মানুষ দেয় হামরাও বেশি করি দেই।’ কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক আব্দুর রশীদ জানান, কৃষকরা তাদের ইচ্ছেমতো সার-কীটনাশক ব্যবহার করছেন। এ জন্য উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে, মাটির গুণগতমান কমে যাচ্ছে, পরিবেশ এবং মানবদেহের উপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। তবে কৃষি বিভাগ অধিক সার-কীটনাশক ব্যবহার নিরুৎসাহিত করতে মাঠপর্যায়ে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies