1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
ভারতের সংসদ শ্রদ্ধা জানালো বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে একটি দলের শীর্ষ নেতারা পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে: বিএনপি প্রযুক্তি খাত থেকেই ভবিষ্যৎ রচনা হবে : ড. ইউনূস বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র-মার্কিন রাষ্ট্রদূত সহিংসতা বন্ধ করে কল্যাণের রাজনীতির পক্ষে দাঁড়াতে চাই-ডা: শফিকুর রহমান বগুড়ায় আসছেন তারেক রহমান বইছে উৎসবের আমেজ বগুড়াতে বিএনপির বাহিরে অন্য প্রার্থীকে ভোট দিবেনা মানুষ-ভিপি সাইফুল মোহনপুরে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের একদিনের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গাবতলীতে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে ১০৮টির মধ্যে ৭০টি অবৈধ

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত

  • সম্পাদনার সময় : শুক্রবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ১৫৮ বার প্রদশিত হয়েছে

সবজির জন্য শীত মৌসুমকে প্রধান্য দেওয়া হয়ে থাকে। এই মৌসুমকে কেন্দ্র করেই রাজধানীর বাজারগুলোতে বাড়তে শুরু করে নানান প্রকার সবজি। তবে শীত মৌসুম শেষ হয়ে অন্য মৌসুমের আগমন ঘটলেও শীত মৌসুমের শুরু থেকে সবজিসহ নিত্যপণ্যের মূল্যের উর্ধ্বগতি অব্যাহত রয়েছে। ফলে ক্রেতাদের মধ্যে দ্রব্যমূল্য নিয়ে রয়েছে অসন্তোষ। শুক্রবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট, কল্যাণপুর, শ্যামলী বাজার, আগারগাঁও বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। রাজধানীর আগারগাঁও (বিএনপি) বাজারে বাজার করতে আসা রায়হান শেখ বলেন, দিন দিন যে হারে জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে তাতে কিছুদিন পরে না খেয়ে থাকতে হবে। প্রতিদিন বাজার করতে যে পরিমাণ টাকা খরচ হয় সে টাকা সারাদিন মাথার ঘাম পায়ে ফেলেও রোজগার করতে পারি না। বাজারে এসে সামান্য সবজি কিনতেই সব টাকা শেষ হয়ে যায়, অন্য কিছু কিনব কেমন করে।’রাজধানীর একটি কলেজের ছাত্র আজমারুল আলম। মেসে থাকেন। তিনি বলেন, ‘বাড়ি থেকে আমার পড়াশোনাসহ থাকা-খাওয়ার খরচ চালায়। আগে প্রতি মাসে আমাকে যে টাকা দিতো এখনও সেই পরিমাণ টাকাই দেয়। তবে আগের থেকে এখন খরচ বেড়ে গেছে, মাসের বাজার করতে গেলেই এখন আগের থেকে দ্বিগুন টাকা লাগে। তারপর বাসা ভাড়াও বেড়ে গেছে। এখন বাড়ি থেকে বেশি টাকা চাইলে ঝামেলা বাধে পরিবারের সঙ্গে। অন্য এক ক্রেতা বলেন, ‘আগে টাকা এনে ব্যাগভর্তি বাজার করে বাসায় যেতাম আর এখন ব্যাগ ভর্তি করে টাকা এনে বাজার নিয়ে যেতে হয়। তার পরও হাত খালি খালি লাগে। এদিকে রাজধানীর বাজারগুলোতে সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে সবজি ও অন্যান্য পণ্যের উচ্চমূল্য এখনো রয়েছে অপরিবর্তিত। বাজারে নতুন পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়েছে। পেঁয়াজ কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। কিছুদিন আগেও এই পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল সাত কেজি ২০০ টাকা দরে, যা কেজিপ্রতি দাঁড়ায় ২৮ টাকার একটু বেশি।  গত সপ্তাহগুলোর মতোই এখনও উচ্চ দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের সবজি। তবে এখনও কিছুটা কম দামেই বাজারগুলোতে গোল আলু (নতুন) বিক্রি হচ্ছে ছয়কেজি ১০০ টাকা দরে। এছাড়া প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৭০ টাকা, গোল বেগুন ৮০ টাকা, লম্বা বেগুন ৪০ টাকা, বড় ফুলকপি প্রতি পিস ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বড় বাঁধাকপি ৪০ টাকা, টমেটো ৪০ থেকে ৫০ টাকা, করলা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, গাঁজর প্রতি কেজি ৫০ টাকা, চালকুমড়ার পিস ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, বরবটি ১২০ টাকা ও মটরশুঁটি ১২০ টাকা কেজি। এছাড়াও চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা, মুলা ৪০ টাকা, আকারভেদে প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৮০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৩০ টাকা, কাঁচা কলার হালি ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং কাঁচামরিচ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা। চায়না রসুন বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকা কেজি, আর দেশি রসুন ৫০ থেকে ৬০ টাকা। দেশি আদার কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, চায়না আদা ১২০ টাকা। বাজারে গত সপ্তাহের মতোই একই দামে বিক্রি হচ্ছে মাছ ও মুরগি। সরজমিনে রাজধানীর বাজারগুলো ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের মতোই বাজারে ব্রয়লার মুরগি দাম ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ২২৫ থেকে ২৩০ টাকা। বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে মাছের দাম। মাছবাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের মতোই এ সপ্তাহে এক কেজি ওজনের ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা, ছোট ইলিশ কেজি প্রতি ৩০০ থেকে শুরু করে ৬০০ টাকা পর্যন্ত, চিংড়ি মাছ ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি, রুই মাছ ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকা, কাতল মাছ ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকা, তেলাপিয়া ও পাঙ্গাশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা।
বাজারে লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা, হাঁসের ডিম ১৯৫ টাকা, দেশি মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকা ডজন। এছাড়া সোনালি (কক) মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা।

 

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies