1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
পাকিস্তানে ‘ভারতসমর্থিত’ ৪১ সন্ত্রাসী নিহত: আইএসপিআর জয়পুরহাটে আবারো কাটা তারের বেড়া দেওয়ার চেষ্টা শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান আমরা বাংলাদেশের নেতৃত্ব যুবকদের হাতে তুলে দিতে চাই-লক্ষ্মীপুরে জামায়াত আমির ভোট দিয়ে প্রমাণ করুন বগুড়া বিএনপির ঘাঁটি: তারেক রহমান বগুড়ার বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদে জুম্মার নামজ আদায় করলেন তারেক রহমান যে যার অবস্থান থেকে প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর আহবান তারেক রহমানের বিএনপি সরকার গঠন করলে শুধু বগুড়া নয় সারাদেশে উন্নয়ন করা হবে- তারেক রহমান আমরা ক্ষমতায় গেলে রাজশাহী অঞ্চলের উন্নয়নকাজ, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করব- তারেক রহমান প্রয়োজনে জীবন দেব, তবু জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে দেব না-জামায়াত আমির

বিনম্র শ্রদ্ধায় ভাষাশহীদদের স্মরণ

  • সম্পাদনার সময় : সোমবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ১৬৩ বার প্রদশিত হয়েছে

বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান ভাষাশহীদদের স্মরণ করছেন বাঙালিরা। যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাঙালি পেয়েছিল ভাষার অধিকার, একুশের প্রথম প্রহরে সেই সব শহীদদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধায় ভরে উঠেছিল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সিক্ত হয় স্মৃতির মিনার। নগ্ন পায়ে শহীদ মিনারমুখী লাখো মানুষের কণ্ঠে ছিল বিষাদমাখা চিরচেনা সেই গান- ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি/ আমি কি ভুলিতে পারি।’ বাঙালির গর্বের এবং শোকের দিন একুশে ফেব্রুয়ারি। একুশের প্রথম প্রহরেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শুরু হয়। রোববার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে তাঁদের সামরিক সচিবেরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। প্রথমে প্রেসিডেন্টের পক্ষে তাঁর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহউদ্দিন ইসলাম ও এরপর প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে তাঁর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকিব আহমেদ চৌধুরী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন সংসদ সচিবালয়ের সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস এম এম নাঈম রহমান। মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় ১৯৫২ সালের এই দিনে বুকের তাজা রক্তে রাজপথ রঞ্জিত করেছিলো বাংলা মায়ের দামাল ছেলেরা। সোমবার ছিল সেই আত্মদানের ৭০ বছর পূর্তি। তবে চলমান করোনা মহামারি পরিস্থিতিতে এ বছরও সবাই স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে শহিদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেমেছিলো হাজারো মানুষের ঢল।  এবারের শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মূল আহ্বান ছিল- অসাম্প্রদায়িক মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে ক্ষুদ্র জাতিসত্তাসহ সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন দৃঢ় করা। ভাষা ও সংস্কৃতিকে বুকে আগলে রাখা। সোমবার সকালে পলাশী মোড় এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসা মানুষের সারি পলাশী মোড় ছাড়িয়ে নিউমার্কেট এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত। কারো হাতে একটিমাত্র ফুল, কারো হাতে একগুচ্ছ। কারও হাতে ছোট পতাকা। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে মাইকে সেই সুর ছড়িয়ে পড়ছিল দিকে দিকে। মানুষের এই শ্রদ্ধা বলে দিচ্ছিল, মাতৃভাষা আর দেশের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের টান অকৃত্রিম। সোমবার সকাল ৯টায় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানানো শেষে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, এ দেশের সমস্ত বাঙালির চেতনা, বাঙালির অর্জন সবকিছু আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে হয়েছে। আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করেছে, মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীদের, মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধচারীদের নিয়ে রাজনীতি করেছে বিএনপি। এর আগে সকালে শহীদ মিনারে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে দলের পক্ষন থেকে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন আমান উল্লাহ আমান, আবদুস সালাম, রুহুল কবির রিজভী, খায়রুল কবির খোকন, শামা ওবায়েদ, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানীসহ কেন্দ্রীয় ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা। শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘ভয়াবহ একটা ফ্যাসিজম এই দেশের উপরে চলছে। এটাকে সরানো জন্য, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার জন্যে, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে সঙ্গে নিয়ে আমরা এখানে একটি গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টি করব। তার মধ্য দিয়ে সত্যিকার অর্থে আমরা একুশের চেতনাকে বাস্তবায়িত করব।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভিন্ন ভাষার প্রভাবে নানা ভাষার শব্দ ঢুকলে ভাষা তার মৌলিকত্ব হারায়। তাই প্রমিত ভাষা ব্যবহার খুব জরুরি। এটির জন্য প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ দরকার।’ তিনি বলেন, ‘ভিনদেশি ভাষা ও সংস্কৃতি-আমাদের সেটিরও প্রয়োজন আছে। কেননা, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কেবল বাংলাভাষী মানুষের জন্য শহীদ দিবস নয়; এ দিবস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় একটি বিশেষ মূল্যবোধ। সেটি হলো বিলুপ্তপ্রায় ভাষা, সংস্কৃতি ও সভ্যতাকে সংরক্ষণ করা; ক্ষুদ্র জাতিসত্তার ভাষা-সংস্কৃতি সংরক্ষণে উদ্যোগী হওয়া এবং অন্য ভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা। মানবিক মূল্যবোধ আমাদের মহান একুশ শিক্ষা দেয়।’ সর্বস্তরে বাংলায় রায় লেখা শুরু হয়েছে- প্রধান বিচারপতি:সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালুর প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ আদালতেও বাংলায় রায় লেখা শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। সোমবার সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। সুপ্রিম কোর্টের দুই বিভাগের বিচারপতি ও আইনজীবীরা শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় প্রধান বিচারপতির সঙ্গে ছিলেন। প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘সাধারণ মানুষ ও বিচারপ্রার্থীরা যাতে আদালতের রায় বুঝতে পারে, সেজন্য ইংরেজিতে দেওয়া রায় বাংলায় অনুবাদ করতে সুপ্রিম কোর্টে যুক্ত হয়েছে নতুন সফটওয়্যার-আমার ভাষা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওই সফটওয়্যারটি দিয়ে রায়গুলো বাংলায় অনুবাদ করা যাবে।’ তিনি বলেন, ‘বাংলায় রায় লেখা শুরু হয়েছে। পরিপূর্ণ বাস্তবায়নে আলাদা শাখা চালু হয়েছে। যাবজ্জীবন রায় দিলে কতদিন জেল খাটতে হবে, সেটা বাংলায় অনুবাদ হয়ে গেছে। জাজমেন্টগুলো আস্তে আস্তে বাংলায় হয়ে যাবে।’

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies