1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৬:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা খাল-নদী খননের মাধ্যমে দেশের খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন জিয়া: -প্রতিমন্ত্রী বারী খরা সহিঞ্চু বারি গম-৩৩ জাতের মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত বগুড়া-৬ সদর আসনের উপনির্বাচনে জামায়াত প্রার্থীর প্রচারণা শুরু পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে রোটারী ক্লাব অব বগুড়ার আয়োজনে দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ আমাদের শেকড় ভুলে গেলে ৫ আগস্ট বার বার ফিরে আসবে: পুতুল তালোড়ায় মরহুম লিটনের ৩০তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও ইফতার মাহফিল দুপচাঁচিয়া পৌরসভার বিনামূল্যে ভিজিএফের চাল বিতরণ দুপচাঁচিয়ায় বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন লাচ্ছা সেমাই প্যাকেট করে খোলা বাজারে বিক্রি ঘোড়াঘাটে ঈদের কেনাকাটায় ব্যস্ত নারী-পুরুষর

কুড়িগ্রামে একদিনের বৃষ্টিতে ভেসে গেল ইটভাটা মালিকদের স্বপ্ন

  • সম্পাদনার সময় : রবিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ১৯২ বার প্রদশিত হয়েছে

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামে একদিনের বৃষ্টিতে ইটভাটা মালিকদের ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১৩ কোটি টাকা। ব্যাংক ও বিভিন্ন জনের কাছ থেকে আগাম অর্থ নিয়ে লাখ লাখ টাকা লগ্নি করে ইটভাটা স্থাপনের পর এখন পথে বসার উপক্রম হয়েছে জেলার বেশকিছু ভাটা মালিকের। গত কয়েক বছর ধরে এই সময়ে বৃষ্টি না হওয়ায় এবং গত বছর বেশ লাভবান হওয়ায় এবার দ্বিগুণ পরিমাণ কাচা ইট তৈরি করে পোড়ানোর জন্য মাঠে প্রস্তুত রেখেছিলেন কুড়িগ্রামের ভাটা মালিকরা। তবে শুক্রবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত এবং বিকাল থেকে ফের রাতভর বৃষ্টির এসব ইটভাটা মালিকদের স্বপ্ন জলেই ভেসে গেছে। সরেজমিনে শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) জেলার উলিপুর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের আনন্দবাজার এলাকায় অবস্থিত এম এম ব্রিকসে গিয়ে দেখা যায়, বেহাল অবস্থা। ইটভাটার চিমনির তিনদিকে ইউ প্যাটার্নে প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ কাচা ইট সারিবদ্ধভাবে প্রস্তুত করে রাখা ছিল। কিন্তু একদিনের বৃষ্টি ও বাতাসে সব নষ্ট হয়ে গেছে, গলে গেছে বেশিরভাগ ইট। গত কয়েক বছরের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী ভাটা মালিকরা পলিথিনের ব্যবস্থা না করায় বাঁচানো যায়নি একটি ইটও। এম এম ব্রিকস এর মাঠ তত্তাবধানকারী আহাম্মদ আলী জানান, ‘হঠাৎ বৃষ্টি হানা দিছে। পলিথিনেরও ব্যবস্থা নাই। মাঠে যা ইট ছিল, সব গলি গেইছে।’ ইটভাটার ম্যানেজার আব্দুল মোত্তালেব সরকার জানান, এই ব্রিকস ফিল্ডে বৃষ্টির কারণে প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ কাচা ইটের ক্ষতি হয়েছে। এতে এই প্রতিষ্ঠানের ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০ লাখ টাকা। প্রতিদিন আমাদের চিমনি জ্বালানোর পেছনে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হচ্ছে। এদিকে কাচা ইট বিনষ্ট হওয়ার ফলে আমরা ইটের যোগান দিতে না পেরে বাড়তি ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি। অন্যদিকে, কুড়িগ্রাম পৌরসভার কৃঞ্চপুর বকসী পাড়া এলাকার এলআরডি ব্রিকস এর কর্মচারী আয়নাল জানান, আমি এই প্রতিষ্ঠানে ১৩ বছর যাবৎ চাকরি করছি। আমার এই চাকরি জীবনে একদিনের বৃষ্টিতে এতবড় ক্ষতি কখনো দেখিনি। এমন ক্ষতি হয়েছে যে, ভাটা মালিকরা পথে বসার উপক্রম হয়েছে। এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে তাদের ভীষণ বেগ পেতে হবে। এ ব্যাপারে কুড়িগ্রাম জেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সাবেক সেক্রেটারি ও বর্তমান মুখপাত্র মো. লুৎফর রহমান বকসী অধিকারকে বলেন, মাঘ মাসে হঠাৎ করে এই বৃষ্টিটা হওয়ায় জেলার ১২০টি ইটভাটা মালিকের প্রায় ১৩ কোটি টাকার কাচা ইটের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ক্ষতি তারা কীভাবে পুষিয়ে নেবে, তা বুঝতে পারছি না। এ ব্যাপারে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies