ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির একটি লকার কাটা হয়েছে। সোমবার লকারটি কাটার পর এর ভেতরে শতাধিক চেক বই পাওয়া যায়। প্রতারণাসহ নানা অভিযোগে গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার হন ইভ্যালির প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ রাসেল ও তার স্ত্রী কোম্পানির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন। তারা দু’জন এখনও কারাগারে। অন্যদিকে, ইভ্যালির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলে গত বছরের ১৮ অক্টোবর হাইকোর্ট এক রিটের শুনানি নিয়ে প্রতিষ্ঠানটিতে গ্রাহকের পাওনা পরিশোধসহ এর কার্যক্রম চালুর বিষয়ে পাঁচ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদ গঠন করে দেন। বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে চেয়ারম্যান করে গঠিত এই পর্ষদে সদস্য হিসেবে আছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মো. রেজাউল আহসান, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ফখরুদ্দিন আহম্মেদ ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবীর মিলনকে করা হয়েছে ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক। এরপর গত ১৮ অক্টোবর ইভ্যালির পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের নেতৃত্বে গঠিত পাঁচ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদ। এই পর্ষদ ঢাকা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী আশফিয়া সিরাতের উপস্থিতে লকার কাটার কার্যক্রম পরিচালনা করেন। লকারটি কাটার পর এর ভেতরে সিটি ব্যাংকের ১০টি ও মিডল্যান্ড ব্যাংকের ৯৭টি চেক বই পাওয়া যায়।