1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ০৫:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
জামায়াতের ইফতার মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী: সব রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান বাংলাদেশের মানুষ অনেক প্রত্যাশা নিয়ে সরকারের দিকে তাকিয়ে আছে-প্রধানমন্ত্রী  আফগান-পাক সীমান্তে ভয়াবহ সংঘাত: ৩৩১ তালেবান নিহতের দাবি পাকিস্তানের, পাল্টা যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার ঘোষণা আফগানিস্তানের বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী সব ফ্লাইট বাতিল উপসাগরজুড়ে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানে মেয়েদের স্কুলে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলা, নিহত ৫১ বগুড়ায় সাবেক এমপি আকবর আলী খান চৌধুরীর সহধর্মিনীর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল বগুড়া জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগ ছওতুল কুরআন হাফিজিয়া মাদরাসা ইফতার সামগ্রী বিতরণ  বগুড়া সিটি কর্পোরেশন গঠন চুড়ান্ত পর্যায়ে, ঘোষণা দিবেন প্রধানমন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম ঘোড়াঘাটে আলুর মাঠে বাম্পার ফলন, পাইকারি বাজারে দাম নেই, লোকসানের কৃষক

ঘোড়াঘাটে আলুর মাঠে বাম্পার ফলন, পাইকারি বাজারে দাম নেই, লোকসানের কৃষক

  • সম্পাদনার সময় : শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৭ বার প্রদশিত হয়েছে

ঘোড়াঘাট, প্রতিনিধিঃ-দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় আলুর বাজারে ভয়াবহ ধস নেমেছে। বর্তমানে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৫ টাকা দরে। বাম্পার ফলন হলেও কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় বিনিয়োগ হারানো শঙ্কায় দিন কাটছে স্থানীয় কৃষকদের। গতকাল শনিবার উপজেলার কয়েটি হাটবাজার ঘুড়ে দেখা গেছে, পাইকারি বাজারে আলুর সুপ্ত। কিন্তু ক্রেতা নেই। ক্রেতার অভাবে অলস সময় কাটছে কৃষকদের। কৃষকরা জানান, এই চিত্র শুধু আজকের নয়, প্রতিদিনের। এবার আলু চাষে বাম্পার ফলন হলেও দাম না পেয়ে হতাশায় দিন কাটছে কৃষকদের। লাভতো দূরের কথা, লোকসান গুনছেন তারা। মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে প্রতি বিঘা জমিতে আলু চাষে সার, বীজ, সেচ এবং শ্রমিকের মজুরি বাবদ খরচ হয়েছে প্রায় ২৫- ৩০ হাজার টাকা। অথচ বর্তমান বাজার দরে এক বিঘা জমির আলু বিক্রি করে খরচের অর্ধেক টাকাও তোলা সম্ভব হচ্ছে না। কৃষকদের ভাষ্যমতে, উৎপাদন খরচই বাজার দরের চেয়ে বেশি। সঙ্গে ভ্যান ভাড়া ৫০ টাকা, মণপ্রতি তোলা ৩০ টাকাসহ হাটে আনতেই খরচ পড়ে প্রায় ৯০ টাকা। সেখানে দাম উঠছে মাত্র ২৮০-৩০০ টাকা। অথচ ৭০০-৮০০ টাকা মণ না হলে খরচ উঠবে না তার। রামপুরা গ্রামের সৈকত প্রতি মণ আলু ৩৫০ টাকা দরে বিক্রি করেছেন। সার, খৈল, পানি ও ওষুধের খরচ মিলিয়ে তার বিনিয়োগের টাকাই ওঠেনি। ‘এ দামে আলু বেচে লাভতো দূরের কথা, টিকে থাকাই কঠিন।’ উপজেলার একজন প্রান্তিক চাষী জানান, “অনেক আশা নিয়ে আলু আবাদ করেছিলাম। ভেবেছিলাম এবার দেনা শোধ করব। এখন আলু মাঠ থেকে তুলব না কি মাঠেই পচতে দেব, তা ভেবে পাচ্ছি না। আরেকজন কৃষক বলেন, “৩০ হাজার টাকা খরচ করে যদি ৫-৭ হাজার টাকার আলু বিক্রি করতে হয়, তবে আমাদের পথে বসা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। হাটে পাইকারি দরে রুমোনা পাকড়ি ২৮০-৩০০, ফাটা পাকড়ি ৩৫০-৩৮০, সাদা ২০০-২৫০, স্টিক ২৫০-২৭০ ও অ্যালুয়েট ৩০০-৩৫০ টাকা মণ দরে বেচাকেনা হচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে, সাম্প্রতিক মৌসুমে আবাদি এলাকা ও উৎপাদন দুটোই বেড়েছে। ফলনও বেশি হয়েছে। কিন্তু বাজারে সেই সাফল্যের প্রতিফলন নেই। উৎপাদন বাড়লেও ন্যূনতম মূল্য সুরক্ষা না থাকায় কৃষকের আয় উল্টো কমছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, বাজারে আলুর অতিরিক্ত সরবরাহ এবং পর্যাপ্ত কোল্ড স্টোরেজ বা হিমাগারের অভাব এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। অনেক চাষী বাধ্য হয়ে নামমাত্র মূল্যে আলু বিক্রি করে দিচ্ছেন, আবার কেউ কেউ আলু না তুলে খেতেই রেখে দিচ্ছেন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা সরকারিভাবে আলু ক্রয় অথবা বিদেশে রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন। সেই সাথে আগামীতে আলু চাষে কৃষকদের টিকিয়ে রাখতে বিশেষ প্রণোদনার দাবিও তুলেছেন স্থানীয় কৃষিরা ।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies