পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ-গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি উপাধ্যক্ষ শামীকুল ইসলাম লিপন গাইবান্ধা জেলা কারাগারে,একটি মামলায় দীর্ঘ দিন থেকে বন্দি ছিলেন। ১৫ ফেব্রুয়ারিতে রোববার মধ্য রাতে কারাগারে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে কারা কতৃপক্ষ তাকে প্রথমে গাইবান্ধার সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয় সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ট করা হয় । রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষনা করেন। (ইন্না-লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে… রাজিউন)। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে গাইবান্ধা জেল কারাগারের জেলার আতিকুর রহমান জানান তিনি দীর্ঘ দিন যাবৎ গাইবান্ধা সদর থানার জিআর ১৭৬/২৫ মামলার হাজতি ছিলেন।এর আগে ও কারাগার থেকে সে চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন। উপাধ্যক্ষ শামিকুল ইসলাম সরকার লিপন ১৯৯৬ সালে পলাশবাড়ী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।, এরপর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, ২০১৬ সালে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক,২০১৮ সাল হতে অদ্যবধি উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসাবে দায়িত্বপালন করছেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, একটি মিথ্যা মামলায় গাইবান্ধা জেলা কারাগারে প্রায় দেড় বছর ধরে তিনি হাজতি হিসাবে জেল বন্দী ছিলেন। জেলে থাকা অবস্থায় রোববার রাত ১ টার দিকে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। একপর্যায় তিনি বন্দি অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন। তাকে ২০২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকার মগবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার ডিবি পুলিশ। এরপর পলাশবাড়ী থানার একটি মালায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে প্রেরন করা হয়।তিনি দীর্ঘ দিন পর জামিনে মুক্তি পেলে ৫ ফেব্রুয়ারী আবারো জেল গেট থেকে তাকে পুনরায় গ্রেফতার দেখায় পুলিশ সর্বশেষ গাইবান্ধা সদর থানার জিআর ১৭৬/২৫ মামলার হাজতি হিসেবে তিনি জেলা কারাগারে ছিলেন। তার মৃত্যুতে পলাশবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, পেশাজীবি সংগঠনের পক্ষ হতে গভীর গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়েছে। উল্লেখ্য,উপাধ্যক্ষ শামিকুল ইসলাম সরকার লিপন পলাশবাড়ী পৌর শহরের বৈরি হরিণ মারি গ্রামের মরহুম জোব্বার সরকারের তৃতীয় পুত্র। পলাশবাড়ী মহিলা ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক ও পরে উপাধ্যক্ষ হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। রোববার রাতেই তার নিজ গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হবে বলে পারিবারিক সুত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।