1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
একটি দল ‘স্বৈরাচারী ভাষায়’ বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে: তারেক রহমান বিজয়ী হলে প্রতিশোধ নেব না, সবাইকে ক্ষমা করা হবে: জামায়াত আমির মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সমস্যার সমাধানে ধানের শীষে ভোট দিন-সাবেক এমপি লালু রংপুর নগরীর বাণিজ্যিক জোনে জিএম কাদেরের প্রচারণায় জাপার শীর্ষ নেতারা আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে এলাকার উন্নয়নে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখতে চাই-নন্দীগ্রামে মোশারফ হোসেন বগুড়াবাসি ধানের শীষে ভোট দিতে মুখিয়ে আছে-ভিপি সাইফুল ভোটের হিসাব কড়ায়-গণ্ডায় বুঝে নেবেন: তারেক রহমান বৈষম্য বিরোধীর দুই মামলায় চার্জশীট: শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চানখারপুলে ছয় হত্যা: ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সশস্ত্র বাহিনীকে পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রধান উপদেষ্টার

রাণীনগরে রক্তদহ বিলের পাখি পল্লীতে নজরদারির জন্য ক্যামেরা স্থাপন

  • সম্পাদনার সময় : সোমবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৩ বার প্রদশিত হয়েছে

রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি ঃ ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্বাক্ষী রাণীনগর রক্তদহ বিল। এর অবস্থান নওগাঁর রাণীনগর ও বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলার আংশিক নিয়ে এর বিস্তৃত। এর পুরাতন নাম ছিলো বিল ভোমরা। এই বিলের আয়তন প্রায় ১৬৫০ বিঘার মতো একটি পুরাতন জলাশয়। কথিত আছে ১৭শ’ শতাব্দীর শেষের দিকে ফকির মজনু শাহ ও ইংরেজ সৈন্যদের মধ্যে যুদ্ধের সময় বিদ্রোহী মানুষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে অনেক মানুষ মারা যায়। সেই সময় এই বিলের পানি রক্তে লাল হয়ে যায়। তখন থেকেই বিলের নামকরণ হয় রক্তদহ বিল। স্থানীয় জনগোষ্ঠী জীবিকার মুল উৎস ছিলো এই বিলে প্রচুর মাছ ও মৌসুমী ধান চাষ। রাণীনগরের হাতীর পুল এলাকায় এই বিলের ইতিহাস ও সৌন্দর্য তুলে ধরতে বিনোদন কেন্দ্র, পাখি পল্লী, এবং মৎস্য অভায়ারণ্য গড়ে তোলা হয়। এই বিষয়গুলো নজরদারির জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সৌর বিদ্যুৎ চালিত সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষে রক্তদহ বিলের রতন ডারা খালের হাতীরপুলের পাশ্ববর্তী এলাকা মৎস্য অভয়ারণ্যের মাছ রক্ষা, পাখি পল্লীর বিভিন্ন উপকরণ রক্ষা করা, এবং সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য এই ক্যামেরাগুলো স্থাপন করা হয়েছে এমনটাই জানান উপজেলা প্রশাসন।  উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসারের পরিকল্পনায় ব্যতিক্রমী এমন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছেন প্রশাসন। অভায়ারণ্যের দেশী মাছের নিরাপদ প্রজনন ও রক্ষার জন্য স্থাপন করা হয়েছে সিসি ক্যামেরা। এই আধুনিকতার ছোঁয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষরা অফিসে কিম্বা বাসায় বসে মোবাইলের মাধ্যমে সব সময় পর্যবেক্ষণ করা যাবে বলে জানান সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা পলাশ কুমার দেবনাথ।  উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: রাকিবুল হাসান জানান, দীর্ঘ দিন ধরে পাখি পল্লীর হাতীরপুল এলাকার অভয়াশ্রম থেকে দিনের বেলা ও রাতের আঁধারে বিভিন্ন ধরনের নিষিদ্ধ কারেন্ট, রিং জাল ও বানাসহ বড়শি দিয়ে মাছ চুরির অভিযোগ ছিল। বিশাল এই এলাকায় সার্বক্ষণিক পাহারা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ায় জেলা প্রশাসকের সার্বিক সহযোগিতা ও পরামর্শক্রমে স্মার্ট প্রযুক্তির অভিনব কৌশল হিসেবে পাখি পল্লীতে সোলার চালিত এই সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। যার মাধ্যমে ঘরে বসে সার্বক্ষণিক মৎস্য অভয়াশ্রম ও পাখি পল্লীর পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করা যাচ্ছে। ২৬ ফুট উচু স্টিল পাইপের উপরে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে বিধায় ক্যামেরা চুরি হওয়ার সম্ভাবনাও কম। এতে করে এই অঞ্চলে অপরাধমূলক কর্মকান্ডও অনেকাংশই কমে যাবে। এছাড়াও আরো আধুনিকায়ন করতে ইতি মধ্যেই খালের উপর পর্যটকদের জন্য আকর্ষনীয় ঝুলন্ত ব্রীজ স্থাপন, ছাতার আদলে বসার স্থান নির্মাণ, একটি মুক্তমঞ্চ নির্মাণ, গণশৌচাগার নির্মাণ করাসহ নানাবিধ কর্মকান্ড চলমান রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies