বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক প্রফেসর ড. এবিএম ওবাইদুল ইসলাম বলেছেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন নিঃসন্দেহে এক ব্যতিক্রমী পুরুষ। শহীদ জিয়া ছিলেন গণতন্ত্রের প্রাণপুরুষ। আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি। তার ছিল সুদূরপ্রসারী দৃষ্টি। তিনি ছিলেন ভিশনারি, এক স্বপ্নদ্রষ্টা। শহীদ জিয়া বাংলাদেশের ইতিহাসে এক ক্ষণজন্মা পুরুষ ও সফল রাষ্ট্রনায়ক । নানা কারণে তিনি বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ও গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ে স্থান করে নিয়েছেন। তার সততা, নিষ্ঠা, গভীর দেশপ্রেম, পরিশ্রমপ্রিয়তা, নেতৃত্বের দৃঢ়তা প্রভৃতি গুণাবলী এ দেশের গণমানুষের হৃদয়কে স্পর্শ করেছিল। শহীদ জিয়া গণতান্ত্রিক অধিকার সম্বন্ধে সচেতন ছিলেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম-এর ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ১৮ জানুয়ারী রবিবার বিকেলে শহীদ টিটু মিলনায়তনে বগুড়া জেলা বিএনপির আয়োজনে তাঁর কর্মময় জীবনের উপর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উক্ত কথা বলেন। প্রফেসর ড. এবিএম ওবাইদুল ইসলাম বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মহান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে রণাঙ্গনের যুদ্ধ করে ব্যারাকে ফিরে য়ান। পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য আবারও জিয়াউর রহমান আবির্ভূত হন এক নির্মাতা রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের জন্ম দিয়েছেন এবং স্বাধীনতা রক্ষাও করেছেন এবং তারই উত্তরসূরী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমরা যাকে হারিয়েছি। বেগম খালেদা জিয়া ধারাবাহিক রক্ষা করতে গিয়ে তিনি বাংলাদেশে একজন নক্ষত্রের স্থান পেয়েছেন। যেমন করে একই ঘরে দুই ব্যক্তি স্বামী এবং স্ত্রী পৃথিবীর ইতিহাসে এমন আর নাই দুইজন মানুষ একই রকম জনপ্রিয়তা তাদের জীবনে কোন কালিমা নাই কোন দাগ নাই দুজন মানুষই সমান ভাবে জনপ্রিয়। তাদেরই যোগ্য সন্তান বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী দিনের দেশের উত্তরসূরী এবং আগামী দিনের দেশের প্রধানমন্ত্রী। তিনি আরো বলেন, তিনি বিশ্বাস করতেন দেশের জনগণ একবার যদি গণতান্ত্রিক অধিকার, মানবাধিকার ভোগ করে তবে তা সারা জীবন জারি রাখতে হবে। কোনো কারণে সে অধিকার হতে তারা বঞ্চিত হলে গণঅসন্তোষ দেখা দেবে, মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে আসবে, তাই তিনি সব অধিকারের বিষয়ে ছিলেন সজাগ-আস্থাবান। তিনি জানতেন রাজনৈতিক অধিকার ব্যতিরেকে অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্থহীন, অর্থনৈতিক মুক্তি অবাস্তব-তাই তার ১৯ দফা কর্মসূচিকে তিনি গণতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে রেখে গণতান্ত্রিক পদ্ধতি বাস্তবায়িত করতে চেয়েছিলেন। যাতে জনগণ গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুবিধা একসঙ্গে ভোগ করতে পারে। এই জন্য তিনি দেশের মানুষের কাছে চিরকাল শ্রদ্ধাভাজন হয়ে থাকবেন। বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও পৌর মেয়র এড. একেএম মাহবুবর রহমান, বিএনপি চেয়ারম্যান উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবেক এমপি মোঃ হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বগুড়া জেলা বিএনপির উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মোহাঃ হাছানাত আলী, সিনিয়র সাংবাদিক আমিরুল ইসলাম কাগজী, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্বিবদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. আবুল হাসনাত মোঃ শামিম, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. ইঞ্জি: আখতার হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানি বিভাগের প্রফেসর আব্দুল করিম পিএইচডি, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আলী আজগর তালুকদার হেনা, জয়নাল আবেদীন চান, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদ উন নবী সালাম, কেএম খয়রুল বাসার, জাহিদুল ইসলাম হেলাল, যুগ্ম সম্পাদক শেখ তাহাউদ্দিন নাহিন।