1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৬:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে গাবতলীতে ঈদ সামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ বগুড়ায় বৃদ্ধা ফিরোজাকে হুইল চেয়ার দিলেন বিজয় বগুড়ায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ রাণীনগরে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের নগদ অর্থ ও শাড়ী-থ্রিপিস বিতরণ বগুড়ার দত্তবাড়ী হতে মাটিডালী পর্যন্ত দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন সোহেল বাঘায় বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত : শতাধিক যাত্রী আহত গাবতলীতে ফোকাস সোসাইটির উদোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ রাণীনগরে অসহায়দের মাঝে অর্থ ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ পঞ্চগড়ের বোদায় শুরু হয়েছে সনাতনধর্মাবলম্বীদের ৩ দিনব্যাপী বারুণী উৎসব

চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রির ঘরে, বিপর্যস্ত জনজীবন

  • সম্পাদনার সময় : মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৬ বার প্রদশিত হয়েছে

চুয়াডাঙ্গায় ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে এসেছে তাপমাত্রা। হাড়কাঁপানো শীতের দাপটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তবর্তী এই জেলাটি। মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ও ঘন কুয়াশার কারণে স্বাভাবিক জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন দিনমজুর, শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষ। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় এই তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ। চলতি শীত মৌসুমে এটিই জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তীব্র শীতের কারণে ভোর থেকেই শহরের বিভিন্ন মোড়, বাসস্ট্যান্ড ও চায়ের দোকানের সামনে নিম্ন আয়ের মানুষদের আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করতে দেখা গেছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। শ্রমজীবীরা জানায়, ভোরে কাজে বের হওয়া কষ্টকর হয়ে পড়েছে। এক কৃষক জানান, শীতের কারণে হাত-পা অবশ হয়ে যাচ্ছে। তারপরও জীবিকার তাগিদে বের হতে হয়, অনেক সময় কাজ না পেয়ে ফিরে আসতে হয়।’ শীতের প্রভাবে স্বাস্থ্য খাতেও চাপ বেড়েছে। সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, শিশু ও বৃদ্ধরা নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও সর্দি-কাশিতে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। এদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও কমে গেছে। ভোরে প্রাইভেট পড়তে যাওয়া শিক্ষার্থীরা জানায়, প্রচণ্ড শীত ও হিমেল বাতাসে যাতায়াত কষ্টকর হয়ে পড়েছে। একই সাথে ব্যবসা-বাণিজ্যেও ভাটা পড়েছে। ব্যবসায়ীরা জানায়, বেলা বাড়ার আগে তেমন ক্রেতা আসছেন না। চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: জামিনুর রহমান জানান, জেলার ওপর দিয়ে আগামী ১১ বা ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies