ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। পরে তিনি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবর জিয়ারত করেন। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার একটু আগে তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে ওসমান হাদির কবরে পৌঁছান। তারেক রহমান প্রথমে ওসমান হাদির কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এরপর মোনাজাত করেন। পরে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরে ফুল দেন ও মোনাজাত করেন তিনি। মোনাজাত পরিচালনা করেন শরিফ ওসমান হাদির বড়ভাই আবু বকর সিদ্দিক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়াজ আহমদ খান, উপ উপাচার্য মামুন আহমেদ, শিক্ষক নেতা মোর্শেদ হাসান খানসহ শিক্ষকরা। এছাড়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ফজলুল হক মিলন, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম বকুল, ছাত্রদলের সভাপতি রকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির উপস্থিত ছিলেন। শাহবাগ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পুলিশ, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশসহ (বিজিবি) বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন ছিলেন। গত দুইদিনের মতো আজ লাল, সবুজ রঙে সাজানো বাসে যাননি তারেক রহমান। তিনি সাদা রঙের একটি গাড়িতে ওসমান হাদির কবরে যান। গাড়িটি ফুল দিয়ে সাজানো ছিল। এ সময় রাস্তার দুপাশে বিএনপির নেতাকর্মীদের অবস্থান করতে দেখা গেছে। তারেক রহমানের ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করতে আসা উপলক্ষে শাহবাগ মোড় ছেড়ে দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। শাহবাগ থেকে অবরোধ সরিয়ে নিয়ে আজিজ সুপার মার্কেটের সামনে অবস্থান করছেন তারা।
পিলখানা ট্রাজেডিতে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত ঃ পিলখানা ট্রাজেডিতে শহীদ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তার কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার দুপুরে রাজধানীর বনানীতে সামরিক কবরস্থানে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত করেন তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা’ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. একেএম শামছুল ইসলাম, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ ও বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন, বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের বিশেষ কর্মকর্তা মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন মৃধা ও অ্যাডভোকেট মেহেদুল ইসলাম মেহেদী এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) পরিচালক ডা: শাহ্ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে ২৫ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় শহীদ হন ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা। তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন বীর সেনাকে হারায় বাংলাদেশ। এর আগে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বনানী কবরস্থানে তার আদরের ছোট ভাই মরহুম আরাফাত রহমান কোকো ও শ্বশুর রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের কবর জিয়ারত করেন।