মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বগুড়া জেলা বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৬ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে নবাববাড়ী সড়কস্থ দলীয় কার্যালয়ে বগুড়া জেলা বিএনপির আয়োজনে আলোচনা সভায় সভাপতিত্বে করেন বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা। জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদ-উল-নবী সালামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারপার্সন উপদেষ্টা ও কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবেক এমপি মোঃ হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আলী আজগর তালুকদার হেনা, জয়নাল আবেদীন চান, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফজলুল বারী বেলাল, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এম আর ইসলাম স্বাধীন, মাফতুন আহমেদ খান রুবেল, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ডা: শাহ মো: শাজাহান আলী, ডা. মামুনুর রশিদ মিঠু, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক শেখ তাহাউদ্দিন নাহিন, বগুড়া জেলা যুবদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান, জেলা ছাত্রদলে সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান সরকার, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক নাজমা আক্তার, জেলা কৃষকদলের আহবায়ক সাইফুল ইসলাম রনি প্রমুখ।

আলোচনা সভায় বক্তরা বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতারএদিন আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের দল, মুক্তিযোদ্ধার দল। আমরা এই আদর্শকে ধারণ করি, লালন করি। মুক্তিযুদ্ধে রণাঙ্গনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাক-হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালীদের উপর ঝাপিয়ে পড়েছিল, গণহত্যা চালিয়েছিল। কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা সেদিন স্বাধীনতার ঘোষণা দেন নাই। বাংলাদেশের মানুষ সেদিন নেতৃত্বের শূণ্যতায় ভুগছিলেন। জিয়াউর রহমান অপেক্ষায় ছিলেন হয়তো কেউ স্বাধীনতার ঘোষণা দেবে। কিন্তু যখন কোনো রাজনৈতিক দলের নেতারা স্বাধীনতার ঘোষণা দিলেন না, তখন জিয়াউর রহমান উপলবদ্ধি করলেন যদি স্বাধীনতার ঘোষণা না দেয়া হয় তাহলে বাংলাদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হবে না। যদি বাংলাদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ না হয় তাহলে স্বাধীনতার যুদ্ধে আমরা বিজয়ী হতে পারবো না। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা দেওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ মুক্তির স্বপ্ন দেখেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের মানুষ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। একাত্তরের প্রসঙ্গ টেনে বক্তরা বলেন, যারা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তারাই আজ নতুন করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করতে চায়। যারা স্বাধীনতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল, তারা আজ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চায়। বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী মানুষ সব ষড়যন্ত্রকে নস্যাৎ করে দিয়ে অবশ্যই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে অটুট রাখবে। গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করবে, ইনশাল্লাহ। আসন্ন নির্বাচনেই সিদ্ধান্ত হবে দেশ উদার গণতান্ত্রিক পথে এগোবে, নাকি পশ্চাৎপদতার দিকে যাবে। সেদিন আমরা সবাই জেগে উঠবো। গণতন্ত্রের জন্য, স্বাধীনতার জন্য, সার্বভৌমত্বের জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।