গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ব্যাহত করতে ষড়যন্ত্র চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রের কোনো বিকল্প নেই, একমাত্র গণতন্ত্রই জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গণতান্ত্রিক নির্বাচিত সরকার করতে পারে।’সোমবার (৮ ডিসেম্বর) খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনিস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভার আয়োজন করে বিএনপি। সপ্তাহব্যাপী দ্বিতীয় দিনে বিকেল ৪টার দিকে অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সকালে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমদ। সভাপতিত্ব করেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে কী ধরনের কাজ করবে সে পরিকল্পনা তুলে ধরে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘ক্ষমতায় এলে কৃষক কার্ড, বছরে ৫০ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেবো। শিক্ষা কাঠামো, কর্মসংস্থানের দিকে নজর দেবে বিএনপি। বিএনপি ছাড়া কোনো দল এ ধরনের পরিকল্পনা নেয়নি।’তিনি বলেন, ‘এত মিল ফ্যাক্টরি ধাপাধাপ কেন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, এটা একটা অস্বাভাবিক ব্যাপার। এইভাবে শেয়ার মার্কেট কেন ক্রাকডাউন করছে, ব্যাংক ক্লোজ ডাউন করছে, শাটডাউন করছে কলাপ করছে অস্বাভাবিক ব্যাপারটা এভাবে চলতে পারে না। এই অস্বাভাবিক ব্যাপার চলতে পারে না এবং এই অস্বাভাবিক চলতে দেয়া যেতে পারে না।’ তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা দেখেছি গত ১৬ বছর ধরে। আমি ভালো আর সব খারাপ। এর একটি বিষয় আমরা দেখেছি গত ১৬ বছর ধরে একজন ভালো আর বাকি সবাই খারাপ। দুঃখজনকভাবে হলো ৫ আগস্টের পরে কেন জানি মনে হচ্ছে, সেটির বোধহয় পরিবর্তন হয়নি। এটির পরিবর্তন হওয়া বাঞ্ছনীয়। এটির পরিবর্তন হওয়া অত্যন্ত জরুরি। আমরা বহুদলীয় গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি, বহুদলীয় গণতন্ত্রে মানুষ বিভিন্ন মতামত দেবে। মতামত দেয়ার অধিকার তার আছে। বক্তব্য রাখার অধিকার তার আছে। কিন্তু অবশ্যই একজন ভালো আর বাকি সবাই খারাপ। এটি কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না। এই ধারণার পরিবর্তন হতে হবে। এটি গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। একজন বিশেষ কেউ ভালো বাকি সবাই খারাপ। এটি গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত ডেঞ্জারাস একটা ব্যাপার। এটির পরিবর্তন হতে হবে।’ দলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ না হলে ভয়াবহ কিছু হয়তো অপেক্ষা করছে এমন শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারেক রহমান।