1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বিশ্বের সব মুসলমানকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা: মানবজাতির জন্য কল্যাণ, ক্ষমা ও রহমত লাইলাতুল কদর তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহালের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ সোমবার খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ১২ সিটির পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ঈদ উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী আদমদীঘিতে প্রকাশ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত আ’লীগের ইফতার মাহফিল পাবনায় গৃহবধূ ফাতেমা হত্যা মামলায় স্বামী রাকিবুলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সুখানপুকুর ইউনিয়ন পরিষদে দুঃস্থদের মাঝে ভিজিএফ এর চাল বিতরণ নন্দীগ্রামে কোয়ালিটি ফিড’স লিঃ এর উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান বগুড়ায় সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ ঘোড়াঘাটে দুস্থদের মাঝে ভিজিএফ চাল বিতরণ সম্পূর্ণ

শিক্ষকদের কর্মবিরতি: পরীক্ষার দায় পড়েছে অভিভাবক–কর্মকর্তাদের ওপর

  • সম্পাদনার সময় : মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২৮ বার প্রদশিত হয়েছে

সাইফুর রহমান শামীম, , কুড়িগ্রাম: প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক পরীক্ষা শুরুর প্রথম দিনেই শিক্ষক ধর্মঘটের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে কুড়িগ্রামে। তিন দফা দাবিতে কর্মবিরতিতে থাকা শিক্ষকরা পরীক্ষার দায়িত্ব পালন না করায় অভিভাবক ও শিক্ষা কর্মকর্তাদের ওপর পড়েছে পরীক্ষা নেওয়ার দায়িত্ব। এতে ক্ষোভ জানিয়েছেন অভিভাবকেরা। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, কুড়িগ্রামের ১ হাজার ২৪০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ১৫ হাজার ৭২৪ শিক্ষার্থীর বার্ষিক পরীক্ষা চলছে। তবে শিক্ষকরা কর্মবিরতিতে থাকায় অনেক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। কোথাও অভিভাবকেরা নিজেরাই পরীক্ষা নিচ্ছেন, আবার কোথাও শিক্ষা কর্মকর্তারা উপস্থিত হয়ে পরীক্ষা পরিচালনা করছেন। রৌমারী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে থাকলেও লাইব্রেরিতে অবস্থান করছেন। এমন পরিস্থিতিতে ওই উপজেলার সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা নাজমুল করিম প্রধান শিক্ষক ও কয়েকজন অভিভাবককে সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষা নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘রৌমারী উপজেলার ১১৫টি বিদ্যালয়ে পরীক্ষা হচ্ছে। কিন্তু কোনো বিদ্যালয়েই শিক্ষকরা পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন না। কোথাও প্রধান শিক্ষক অফিস সহকারীসহ পরীক্ষা নিচ্ছেন, কোথাও অভিভাবকেরা পরীক্ষার দায়িত্ব পালন করছেন।’এই অবস্থায় অভিভাবকদের অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। আব্দুল কাদের নামের এক অভিভাবক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘দাবি ন্যায্য হোক বা যৌক্তিক—পরীক্ষার সময় শিক্ষকদের এভাবে কর্মবিরতি গ্রহণ সমর্থনযোগ্য নয়।’ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্বপন কুমার রায় চৌধুরী বলেন, ‘বার্ষিক পরীক্ষা একটি সিডিউল পরীক্ষা। ১ থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই পরীক্ষা চলবে। এর পরই বৃত্তি পরীক্ষা। ঠিক এই সময় আন্দোলনে যাওয়া নৈতিকভাবে ঠিক হয়নি। শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে কোনো সচেতন মানুষ আন্দোলনকে সমর্থন দেবেন না।’ শিক্ষকদের কর্মবিরতিতে পুরো জেলার পরীক্ষার পরিবেশ অস্বাভাবিক হয়ে পড়েছে। অভিভাবকেরা দ্রুত সংকট সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ প্রত্যাশা করছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies