1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বিশ্বের সব মুসলমানকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা: মানবজাতির জন্য কল্যাণ, ক্ষমা ও রহমত লাইলাতুল কদর তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহালের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ সোমবার খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ১২ সিটির পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ঈদ উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী আদমদীঘিতে প্রকাশ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত আ’লীগের ইফতার মাহফিল পাবনায় গৃহবধূ ফাতেমা হত্যা মামলায় স্বামী রাকিবুলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সুখানপুকুর ইউনিয়ন পরিষদে দুঃস্থদের মাঝে ভিজিএফ এর চাল বিতরণ নন্দীগ্রামে কোয়ালিটি ফিড’স লিঃ এর উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান বগুড়ায় সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ ঘোড়াঘাটে দুস্থদের মাঝে ভিজিএফ চাল বিতরণ সম্পূর্ণ

সেতু ভেঙে দুর্ভোগে উলিপুরের হাজারো মানুষ

  • সম্পাদনার সময় : মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৫২ বার প্রদশিত হয়েছে

কুড়িগ্রাম।। কুড়িগ্রামের উলিপুরে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু আট বছর ধরে ভেঙে পড়ে আছে। দীর্ঘদিনেও এটি মেরামত বা পুনর্নির্মাণ না করায় এলাকাবাসী, বিশেষ করে শিক্ষার্থী, রোগী ও ব্যবসায়ীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। স্থানীয়দের জানান, উপজেলা শহরের হাসপাতাল মোড় থেকে বড়ুয়া তবকপুর হয়ে রসুলপুর চুনিয়ারপার মোড় পর্যন্ত প্রায় আট কিলোমিটার সড়কটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) নির্মাণ করেছিল। ওই সড়কের প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে বড়ুয়া তবকপুর বাজারের কাছে থাকা সেতুটি ২০১৮ সালের বন্যায় ভেঙে যায়। এতে যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এরপর থেকে সড়কের মাঝখানে বিশাল গর্ত তৈরি হয় এবং আশপাশের প্রায় এক একর আবাদি জমিও নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।বর্তমানে এলাকাবাসী বাধ্য হয়ে ভেলায় পারাপার হচ্ছেন বা কৃষিজমির সরু আইল ধরে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যাচ্ছেন। যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় তিন কিলোমিটারের বেশি পথ হেঁটে গন্তব্যে যেতে হয়। স্কুলছাত্র আরিফ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, “বর্ষায় পানি বেড়ে গেলে ভয় লাগে, কখন পানিতে পড়ে যাই কে জানে। তাই মাঝে মাঝে স্কুলেই যেতে পারি না।” স্থানীয় রাহেনা বেগম সাংবাদিকদের জানান, “সেতুটা ভেঙে পড়ে আছে অনেক বছর। অসুস্থ বা গর্ভবতী মহিলাদের নিতে খুব কষ্ট হয়, কেউ আসে না দেখতে। আমাদের সেতুটা ভালো করে দিলে খুব উপকার হতো।” অটোচালক আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, “আট বছর ধরে এই সেতু ভাঙা পড়ে আছে। যানবাহন চলতে পারে না, মালামাল নেওয়া যায় না। কেউ অসুস্থ হলে ১৫-১৬ কিলোমিটার ঘুরে হাসপাতালে নিতে হয়। কত কষ্ট হয়—সে তো কেবল আমরাই জানি।” স্কুলশিক্ষক মঞ্জুরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, “তবকপুর ও আশপাশের কয়েকটি ইউনিয়নের হাজারো মানুষ এই পথ ব্যবহার করে। ২০১৮ সালে সেতুটি ভাঙার পর থেকে জনপ্রতিনিধিদের কাছে বারবার অনুরোধ করেও কোনো ফল হয়নি। শিক্ষার্থীদের এখনো ঝুঁকি নিয়ে ভেলায় পার হতে হয়।” উপজেলা প্রকৌশলী প্রদীপ কুমার সাংবাদিকদের বলেন, “সেতুটি নতুন করে নির্মাণের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies