1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
ভারতের সংসদ শ্রদ্ধা জানালো বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে একটি দলের শীর্ষ নেতারা পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে: বিএনপি প্রযুক্তি খাত থেকেই ভবিষ্যৎ রচনা হবে : ড. ইউনূস বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র-মার্কিন রাষ্ট্রদূত সহিংসতা বন্ধ করে কল্যাণের রাজনীতির পক্ষে দাঁড়াতে চাই-ডা: শফিকুর রহমান বগুড়ায় আসছেন তারেক রহমান বইছে উৎসবের আমেজ বগুড়াতে বিএনপির বাহিরে অন্য প্রার্থীকে ভোট দিবেনা মানুষ-ভিপি সাইফুল মোহনপুরে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের একদিনের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গাবতলীতে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে ১০৮টির মধ্যে ৭০টি অবৈধ

রাণীনগরের পারইল ইউপি চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন

  • সম্পাদনার সময় : রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৪৮ বার প্রদশিত হয়েছে

রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার পারইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমান জাহিদ সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তার বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের দোকান ঘর ও নামাজের জায়গা ভাংচুরের অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সাথে জরিতদের আইনের আওতায় আনার দাবিতে রোববার দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এই সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমান জাহিদ দাবি করে বলেন, পারইল উচ্চ বিদ্যালয়ের এ্যাডহক কমিটির সভাপতি শহিদুল ইসলাম ও কমিটির অন্যান্য সদস্য এবং বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোপাল চন্দ্র সাহা যোগসাজসে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে এলাকার একজন ব্যক্তিকে বিদ্যালয়ের গ্যারেজের জায়গায় একটি ইটের দোকান ঘর নির্মান করে দিচ্ছিল। এবং বিদ্যালয়ে কোন অ্যাসেম্বিলি হয়না বলে এলাকার লোকজন বিষয়টি নিয়ে বার বার মৌখিক ভাবে অভিযোগ দিচ্ছিলেন। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে গক ৮সেপ্টেম্বর গন্যমান্য ব্যাক্তিদের সাথে নিয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষকসহ বিদ্যালয়ের অন্যদের কাছে ঘর নির্মান ও আ্যাসেম্বিলির বিষয়ে জানতে চাই। এসময় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকসহ কেউ কিছু বলতে চাচ্ছিলেননা। বাধ্য হয়ে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানালে তাদের প্রতিনিধি এসে বিদ্যালয়ের গ্যারেজের জায়গায় দোকান ঘর নির্মান কাজ বন্ধ করে দেয়। এর পর ১১সেপ্টেম্বর আবারো এ্যাডহক কমিটির সভাপতি শহিদুল ইসলাম ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের ইন্ধনে আবারো দোকান ঘর নির্মান কাজ করার চেষ্টা করলে বিদ্যালয়ের বিক্ষুদ্ধ ছাত্র-জনতা ইটের দেয়াল ভেঙ্গে দেয়। তবে এসময় নাজামের ওয়াক্তখানা ভাংচুরের ঘটনা ঘটেনি। কিন্তু এই ঘটনার দ্বায় থেকে বাঁচতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কমিটির সভাপতি আমার উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করে এবং মিথ্যে চাঁদা দাবির অভিযোগ তোলে। এই বিষয় নিয়ে কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে আমাকে জরিয়ে মিথ্যে সংবাদ প্রকাশ করে। তিনি সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে এঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জরিদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় মেহেদি হাসান,আসলাম হোসেন,এরশাদ হোসেন আনারুল ইসলাম,তোফাজ্জল হোসেনসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে তোলা চেয়ারম্যানের অভিযোগের বিষয়ে জানতে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোপাল চন্দ্রকে একাধিকবার ফোন এবং ক্ষুদে বার্তা দিয়েও কোন সারা বা বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিদ্যালয়ের এ্যাডহক কমিটির সভাপতি শহিদুল ইসলাম বলেন,দোকান ঘর ও নামাজের জায়গা ভাংচুরের দিনে আমি উপস্থিত ছিলামনা। তবে লোক মারফতে শুনেছি চেয়ারম্যানের উপস্থিতীতে লোকজন ভেঙ্গে দিয়েছে। এছাড়া টাকার বিনিময়ে যোগসাজসে দোকান ঘর নির্মান করে দেয়ার বিষয়ে চেয়ারম্যান যে অভিযোগ তুলেছেন তা সত্য নয় বলে দাবি করেন শহিদুল ইসলাম।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies