জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) টি–টোয়েন্টির পর্দা উঠছে আগামীকাল। রাত পোহালেই মাঠে গড়াবে বহুল আকাঙ্ক্ষিত এই আসর। এর আগে, আজ বগুড়ায় হয়ে গেল ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠান।২০১৪ সালে প্রথমবার মাঠে গড়ায় এনসিএল টি-২০। এরপর ১০ বছর আর গড়ায়নি এই আসর। তবে গত বছর দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত হয় ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি আসর। সেবার সিলেটে শুধু মাত্র একটি মাঠে আয়োজন করা হয় এনসিএল। তবে এবার আয়োজন হচ্ছে আরো বড় পরিসরে। খেলা হবে বগুড়া, রাজশাহী ও সিলেটে। তবে লিগ পর্বের সব ম্যাচ হবে রাজশাহী আর বগুড়াতেই। গত বছর এনসিলের সবগুলো ম্যাচই হয়েছিল দিনের আলোতে। এবার কিছুটা ভিন্নতা এনেছে বোর্ড। সেমিফাইনাল ও ফাইনাল ম্যাচ হবে দিবা-রাত্রি ম্যাচ। খেলা হবে ফ্লাইড লাইটের আলোতে। বগুড়া ও রাজশাহীতে দিবা-রাত্রি ম্যাচ আয়োজনের সুযোগ না থাকায় এই ম্যাচগুলো হবে সিলেটে। বগুড়া ও রাজশাহীতে ১৪ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা ৬ দিন খেলা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর এনসিএল চলে যাবে সিলেটে। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম ও লাগোয়া সিলেট আউটার স্টেডিয়ামে ২১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে শেষ পর্ব। ৪ অক্টোবর ফাইনাল দিয়ে ইতি ঘটবে এবারের আসরের। এবারের আসরেও ৭ বিভাগীয় দল ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, রংপুর, বরিশালের সাথে ঢাকা মেট্রোও অংশ নিবে। তবে পরের বছর থেকে আর থাকবে না ঢাকা মেট্রো। তার বদলে খেলবে ময়মনসিংহ বিভাগ। এদিকটায় এনসিএল টি-টোয়েন্টির গত আসরে খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফি ছিল ২৫ হাজার টাকা। এবার সেখানেও লাগছে উন্নতির ছোঁয়া। প্রতি ম্যাচের জন্য ৪০ হাজার টাকা করে পাবেন ক্রিকেটাররা। এশিয়া কাপ খেলতে যাওয়া বাংলাদেশ জাতীয় দলের ১৫ ক্রিকেটার এনসিএল টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের শুরুতে খেলতে পারবেন না। তবে দল সেরা চারে উঠতে ব্যর্থ হলে শেষ দিকে পাওয়া যেতে পারে লিটন-ইমনদের। জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা না থাকলেও তারকা আলোর অভাব থাকছে না এনসিএলে। টুর্নামেন্টের প্রাণ ফেরাতে পারেন মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদরা। ইতোমধ্যেই দল পেয়েছেন তারা। জাতীয় দলের তারাকারা না থাকায় অনেক তরুণ ক্রিকেটার টুর্নামেন্টে সুযোগ পাবেন এনসিএলে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে লাভ হবে যেমন ক্রিকেটারদের, তেমনি দেশের ক্রিকেটেরও। উল্লেখ্য, আগামীকাল বগুড়ায় উদ্বোধনী ম্যাচে সিলেট মুখোমুখি হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রংপুরের। অন্যদিকে রাজশাহীতে ঢাকা মহানগর খেলবে স্বাগতিক রাজশাহীর বিপক্ষে।