1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
গ্রীন কলাকোপা এষ্টেটের আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল নৈতিকতা সমৃদ্ধ সমাজ গঠনে প্রতিটি ধর্মেই ইতিবাচক বার্তা রয়েছে-প্রধানমন্ত্রী আরো ৫ সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বগুড়ায় ক্ষুদ্র ফল ব্যবসায়ীদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ সান্তাহার পৌর শ্রমিক দলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাসুদ রানার বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার নন্দীগ্রামে ৪৪টি এতিমখানা ও মাদ্রাসায় সৌদি বাদশাহ কর্তৃক প্রেরিত খেজুর বিতরণ রাজশাহীতে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন ভূমিমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত ও নাযাতের জন্য বাগবাড়ী’তে দোয়া ও ইফতার মাহফিলে মানুষের ঢল বগুড়াবাসীকে যে অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে, সেগুলো তালিকা করে ফিরিয়ে দেওয়া হবে- তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে শিশু ছোঁয়াকে হত্যা, ফুপাতো ভাই জিহাদের স্বীকারোক্তি

  • সম্পাদনার সময় : রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৫১ বার প্রদশিত হয়েছে

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি : সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে সাত বছরের শিশু ছোঁয়া মনিকে হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় নিহতের ফুপাতো ভাই মো. মনিরুল ইসলাম জিহাদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।শনিবার (২৩ আগস্ট) সকালে গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরে বিকেলে রায়গঞ্জ আমলি আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. ওমর ফারুকের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি। গ্রেপ্তারকৃত জিহাদ উল্লাপাড়া উপজেলার হাওড় গ্রামের মো. জিল্লুর রহমানের ছেলে। নিহত ছোঁয়া মনি রায়গঞ্জ উপজেলার পাঙ্গাসী ইউনিয়নের মিরের দেউলমুড়া গ্রামের সুমন শেখের মেয়ে। সিরাজগঞ্জ গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হক রতন জানান, গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করে লোমহর্ষক ঘটনার বর্ণনা দিয়েছে জিহাদ। সে জানায়, বুধবার (২০ আগস্ট) সকালে মাদ্রাসা থেকে ফেরার পথে ছোঁয়া মনিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। ঘটনাটি পরিবারকে বলে দেওয়ার হুমকি দিলে প্রতিবেশীর পরিত্যক্ত টয়লেটের দেয়ালে আছড়ে শিশুটিকে হত্যা করে। এরপর মরদেহ টয়লেটের ভেতর ফেলে রেখে চলে যায়। হত্যার পর নিজেকে আড়াল করতে জিহাদ বাড়ি ফিরে পরিবারের সঙ্গে শিশুটিকে খোঁজার নাটক করে এবং স্থানীয় মসজিদে মাইকিংও করে। পরে শিশুটির রক্তমাখা মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে তার রক্তমাখা গেঞ্জি ও লুঙ্গি উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে বুধবার বিকেলে ওই পরিত্যক্ত টয়লেট থেকে ছোঁয়া মনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির দাদি মোছা. ফিরোজা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামির বিরুদ্ধে রায়গঞ্জ থানায় মামলা করেন। ঘটনার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে রহস্য উদ্‌ঘাটন করতে সক্ষম হয় গোয়েন্দা পুলিশ।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies