1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০১:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
দুঃস্হদের মাঝে ঈদ সামগ্রী ও অসহায় পরিবারকে হুইলচেয়ার বিতরণ করলেন সাবেক এমপি লালু দেশের আকাশে চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদুল ফিতর শনিবার আ.লীগের কার্যক্রম বন্ধ আছে, বন্ধ থাকবে: মির্জা ফখরুল নীলসাগর ট্রেন দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের লাইনচ্যুত ৯টি বগির উদ্ধার কাজ শেষ ; প্রায় ২২ ঘন্টা পর ট্রেন চলাচল শুরু শাজাহানপুরে ২ হাজার পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার পৌঁছে দিলেন এনামুল হক শাহীন সান্তাহারে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার নওগাঁয় ৭শতাধিক অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রি উপহার বিতরণ করলেন তুহিন মানবিক দৃষ্টান্ত: অসহায় পঙ্গু সেই জালালের পাশে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি জামায়াত প্রার্থী আবিদুর রহমানের গণসংযোগ অব্যাহত

১০ দিনেই ফুরিয়ে যাবে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা শক্তি

  • সম্পাদনার সময় : বুধবার, ১৮ জুন, ২০২৫
  • ৮৯ বার প্রদশিত হয়েছে

মাত্র ১০ থেকে ১২ দিনেই ফুরিয়ে যাবে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা শক্তি। বুধবার (১৮ জুন) ইসরাইলি গণমাধ্যম টাইমস অফ ইসরাইলের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইসরাইলের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার স্থায়িত্ব নিয়ে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এবং ওয়াশিংটন পোস্ট–এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, ইসরাইলের ‘অ্যারো’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় গুরুতর ঘাটতির সৃষ্টি হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে বলা হয়, এই ঘাটতি ইরানের দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার ইসরাইলের সামর্থ্যকে সঙ্কটের মুখে ঠেলে দিয়েছে।ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক কর্মসূচিকে ‘অস্তিত্বগত হুমকি’ হিসেবে বিবেচনা করে ইসরাইল শুক্রবার একটি ‘শক অপারেশন’ শুরু করে। এর জবাবে ইরান ৩৭০টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র এবং শত শত ড্রোন নিক্ষেপ করে প্রতিশোধ নেয়। হামলায় এখন পর্যন্ত ইসরাইলে ২৪ জন নিহত এবং ৫০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, যুক্তরাষ্ট্র কয়েক মাস আগেই অ্যারো ইন্টারসেপ্টরের ঘাটতির বিষয়ে অবগত ছিল এবং ইসরাইলের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী করতে কাজ করছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব মজুদও এখন হুমকির মুখে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইসরাইলে বহু ইন্টারসেপ্টর পাঠানোর পর এখন মার্কিন মজুদেও সঙ্কট দেখা দিয়েছে। ওয়াশিংটন পোস্টের তথ্য মতে, মার্কিন ও ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থার কিছু মূল্যায়নে দেখা গেছে, ইরানি হামলার বর্তমান গতি অব্যাহত থাকলে ইসরাইল সর্বোচ্চ ১০–১২ দিন পর্যন্ত তার বিমান প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বজায় রাখতে পারবে। এরপর যুক্তরাষ্ট্রকে ইসরাইলের মজুদ পুনরায় পূরণ করতে হবে অথবা আরো সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে হতে পারে। সূত্রটি আরো জানায়, ইসরাইলকে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নিতে হবে কোন কোন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করবে, কারণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইতোমধ্যেই চাপে পড়েছে। ইসরাইল বর্তমানে এমন কিছু ক্ষেপণাস্ত্রকে ইচ্ছাকৃতভাবে ভূপাতিত করছে না, যেগুলো খোলা স্থানে পড়বে বলে জানা যায়। তবে বড় আকারের ব্যারাজ এলে জনবহুল অঞ্চল ও কৌশলগত অবকাঠামোর দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রতিহত করা প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠছে। এ ব্যাপারে ইসরাইল সরকার বা প্রতিরক্ষা বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে আইডিএফ (ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী) জানিয়েছে, তারা যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত। যদিও অস্ত্রের পরিমাণ বা সক্ষমতা সম্পর্কে নির্দিষ্ট করে কিছু বলেনি। আইডিএফ দাবি করেছে, তারা ইরানের ব্যালিস্টিক মজুদের বিষয়ে যথাযথ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করছে এবং এখন পর্যন্ত ইরানের প্রায় ৪০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সাফল্য সত্ত্বেও বাস্তব পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। ২০২৪ সালের এপ্রিল ও অক্টোবরের ইরানি হামলার সময় ইসরাইল ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়নি বললেই চলে। কিন্তু এবারের ব্যারেজগুলো সরাসরি জনবহুল অঞ্চলে লক্ষ্য করে ছোড়া হচ্ছে, ফলে প্রতিটি প্রতিহত না হওয়া ক্ষেপণাস্ত্রই ব্যাপক ক্ষতির কারণ হতে পারে। ইসরাইলের বিমান প্রতিরক্ষা শুধুমাত্র অ্যারো সিস্টেমের ওপর নির্ভর করে না। যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্যাট্রিয়ট’ ও ‘থাড’ সিস্টেম, এবং মার্কিন নৌবাহিনীর ডেস্ট্রয়ার থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলোও প্রতিরক্ষায় সহায়ক ভূমিকা রাখছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলের অন্য মিত্ররা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে সক্ষম নয়। সবমিলিয়ে, একাধিক আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, চলমান সঙ্ঘর্ষে ইসরাইলের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মাত্র ১০–১২ দিনের জন্য টিকবে। এরপর মজুদ পুনরায় পূরণ না হলে ইসরাইলকে হয় প্রতিরক্ষা সীমিত করতে হবে, নয়তো যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি যুদ্ধে টানতে হবে। সূত্র : টাইমস অফ ইসরাইল

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies