ঢাকা সময় দুপুর ২টায় লন্ডনের ডরচেস্টার হোটেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মধ্যে ঐতিহাসিক এক বৈঠক শুরু হয়। দুই টানা ওয়ান টু ওয়ান বৈঠকটি চলে। আগামী জাতীয় নির্বাচনের সময়-বিতর্কের মধ্যে বৈঠকটি হয়। বৈঠকের বিষয়ে কিছুক্ষণের সংবাদ সম্মেলণ করা হবে। গত বছরের ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এটি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ও দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপির দ্বিতীয় শীর্ষ নেতার এটি প্রথম বৈঠক। গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার ও নির্বাচনের সময়সহ বহু অমীমাংসিত বিষয় সামনে রেখে এ বৈঠককে খুবই গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। বৈঠক শেষে দুপক্ষের যৌথ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে, শিগগিরই নির্বাচন কমিশন (ইসি) তারিখ নির্বাচন ঘোষণা করবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেনটেটিভ খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, নির্বাচনের তারিখ নিয়ে আমরা কোনো সমস্যা দেখি না। নির্বাচন নিয়ে দুপক্ষই যৌথ বিবৃতিতে আমরা বলে দিয়েছি। আমরা আশা করব, নির্বাচন কমিশন শিগগিরই তারিখ ঘোষণা করবে। শেখ হাসিনার হত্যাযজ্ঞ ও তাকে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি নির্বাচনী রূপরেখার সঙ্গে এটা প্রভাব ফেলবে কি না, এমন প্রশ্নে খলিলুর রহমান বলেন, সংস্কার ও বিচার নিয়েও যৌথ বিবৃতিতে বলা আছে। আমরা মোটামুটি কনফিডেন্ট, নির্বচানের আগেই আমরা এর অগ্রগতি দেখতে পাব। এদিকে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের পাঠানো এক বার্তায় তা জানানো হয়েছে। বার্তায় জানানো হয়, প্রধান উপদেষ্টা আগামী বছরের এপ্রিলের প্রথমার্ধের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছেন। সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা গেলে ২০২৬ সালের রমজান শুরু হওয়ার আগের সপ্তাহেও নির্বাচন আয়োজন করা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে ওই সময়ের মধ্যে সংস্কার ও বিচারের বিষয়ে পর্যাপ্ত অগ্রগতি অর্জন করা প্রযোজনা হবে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, জুলাই সনদ এবং সংস্কারের বিষয়গুলো ঐক্যমতের ভিত্তিতে করা হবে।