1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৬:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আমাদের লক্ষ্য কৃষকের মুখে হাসি ফোটানো : প্রধানমন্ত্রী বগুড়া জেলা পরিষদের নব নিযুক্ত প্রশাসক হিসেবে যোগদান করলেন আহসানুল তৈয়ব জাকির নন্দীগ্রামে দেওতা খানকার ছাদ ঢালাই কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি মোশারফ আদমদীঘিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা আশিক গ্রেফতার আদমদীঘি ইউনিয়ন বহুমুখী সমবায় সমিতির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা খাল-নদী খননের মাধ্যমে দেশের খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন জিয়া: -প্রতিমন্ত্রী বারী খরা সহিঞ্চু বারি গম-৩৩ জাতের মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত বগুড়া-৬ সদর আসনের উপনির্বাচনে জামায়াত প্রার্থীর প্রচারণা শুরু পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে রোটারী ক্লাব অব বগুড়ার আয়োজনে দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

সাঁথিয়ায় চাঁদা না দেওয়ায় রাইচ মিলে ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ যুবলীগ-ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে

  • সম্পাদনার সময় : রবিবার, ১ জুন, ২০২৫
  • ৫৮ বার প্রদশিত হয়েছে

পাবনা প্রতিনিধি: পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার নন্দনপুর বাজারে চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি সমর্থক রফিকুল ইসলাম পলাশ নামে এক ব্যবসায়ীর রাইচ মিলে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবলীগ-ছাত্রলীগ নেতা ও তাদের সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এ সময় তিনটি মোটরসাইকেল ভাঙচুরে করে তারা। ২৬ মে সন্ধ্যার পর হামলার এ ঘটনায় ২৮ মে থানায় মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী। মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন, সাঁথিয়া উপজেলার ধোপাদহ ইউনিয়ন এক নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য ইসরাফিল প্রামানিক (৪০), নিষিদ্ধ ঘোষিত ধোপদহ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মিঠু (৩৫)। এছাড়াও আওয়ামীলীগ-ছাত্রলীগ সমর্থক ১৭ জন নামীয় এবং ১৫-২০ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করা হয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি বিএনপি সমর্থক ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম পলাশের কাছে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন যুবলীগ নেতা ও স্থানীয় ইউপি সদস্য ইসরাফিল প্রামানিক। কিন্তু তিনি চাঁদা দিতে রাজী হননি। গত ২৬ মে সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে যুবলীগ নেতা ইসরাফিল, ছাত্রলীগ নেতা মিঠু তাদের দলবল নিয়ে অস্ত্র শস্ত্র সহ ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম পলাশের মালিকানাধীন বিশ্বাস রাইচ মিলে গিয়ে আবারও চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে তারা মিলের সামনে থাকা তিনটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। এছাড়া রাইচ মিলের টিনের বেড়া কুপিয়ে ব্যাপক ভাঙচুৃর চালায়। তাদের বাধা দিতে গেলে চারজনকে পিটিয়ে আহত করে। পরে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে মিলে ভেতর থেকে চার বস্তা সরিষাসহ নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। এতে ওই ব্যবসায়ীর সাত লাখ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে বলে দাবি করেছেন। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা ইসরাফিল ঢাকার পল্টন থানায় দায়েরকৃত একটি বিস্ফোরক মামলা এবং সাঁথিয়া থানায় দায়েরকৃত একটি হত্যা মামলার এজাহার নামীয় আসামি। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন, চাঁদাবাজী ও ছিনতাইয়ের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। মামলার বাদি রফিকুল ইসলাম পলাশ বলেন, ‘ইসরাফিল মেম্বার সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ। তার অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ। তিন লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ার কারণে সে তার লোকজন নিয়ে এসে আমার রাইচ মিলে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে। ইসরাফিল যুবলীগ থেকে এখন জামায়াতের সাথে ভিড়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেছি। কিন্তু এখনও তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠ বিচার চাই।’ নন্দনপুর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আলী মর্তুজা বলেন, ‘নন্দনপুর বাজারে রফিকুল ইসলামের রাইচ মিলে যে হামলা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে তাতে বাজারে ব্যবসা বাণিজ্যের শৃঙ্খলায় বিঘ্ন ঘটেছে। এ ধরণের কার্যকলাপ আমরা চাই না। যারা এরকম হামলার ঘটনা ঘাটিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই।’ এ বিষয়ে অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা ও ইউপি সদস্য ইসরাফিল প্রামানিক বলেন, ‘ওইদিন সন্ধ্যার পর আমার ওয়ার্ডের একটি ঝামেলায় ছিলাম। রফিকুলরা আমার ছোট ভাই মিন্টুর বিকাশের দোকানে গিয়ে অতর্কিত হামলা, মারধর ও লুটপাট করছে। ফোন পেয়ে দ্রুত চলে এসে দেখি ওরা নাই, চলে গেছে। পুলিশ আসার পর সবার সাথে কথা বলি ও আমাদের লোকজনকে নিয়ে অন্যদিকে চলে যাই। পরে ওরা নিজেদের মিল ও মোটরসাইকেল নিজেরাই ভাঙচুর করে আমাদের আওয়ামীগ লীগ সমর্থিত বানিয়ে আমাদের নামে মিথ্যা মামলা করেছে। আমরাও আমাদের ছোট ভাইকে মারধর ও তার দোকান ভাঙচুর লুটপাটের ঘটনায় মামলা করেছি। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।’ এ বিষয়ে সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিছুর রহমান বলেন, ‘পাল্টাপাল্টি হামলা, ভাঙচুর, মারধর ও লুটপাট নিয়ে উভয়পক্ষ থানায় গত ২৮ মে পৃথক মামলা দায়ের করেছেন। রফিকুলের মামলায় ১৭ জন এবং রুহুল আমিন মিন্টুর মামলায় ৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies