প্রায় দেড় বছর আগে বিশেষ ব্যবস্থায় ভারত থেকে সুব্রত বাইনকে বাংলাদেশে পাঠানো হয়। উদ্দেশ্য ছিলো টার্গেটেড রাজনৈতিক গুপ্তহত্যার উদ্দেশ্যে ভিন্ন পরিচয়ে যুক্তরাজ্যে পাঠানোর, তৈরিও করা হচ্ছিলো সেভাবে। এমন তথ্য পেয়েছেন বাংলাদেশের গোয়েন্দারা। তদন্ত সংস্থার কাছে এমন তথ্য স্বীকারও করেছে সুব্রত বাইন। তবে কিন্তু ৫ই আগষ্ট ২০২৪ পরবর্তী সময়ে তার আশ্রয়দাতারা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে যাওয়ার কারণে পেশাদার এই অপরাধী সাধারণ জনগণের সাথে মিশে যায়।পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে কোন-কোন ব্যক্তিকে গুপ্ত-হত্যার পরিকল্পনা করছিলো সুব্রত বাইন ও মোল্লা মাসুদ, এবং কারা তাদের সহায়তা করছিলো। এমন তথ্য দিয়েছেন আলজাজিরার আই-ইউনিটের সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। বিএনপির অনেক নেতার সাথে ঘনিষ্ট সম্পর্ক তৈরি করেছিলেন সুব্রত বাইন। তাদের সাথে সম্পর্ক তৈরির মাধ্যম ও অর্থ খরচ করে বা উপঢৌকন দিয়ে লন্ডনে থাকা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আশপাশে পৌঁছানোর মতো পরিকল্পনাও ছিলো সুব্রত বাইনের। গোয়েন্দারা বলছেন, স্বৈরাচার শেখ হাসিনা লন্ডনে থাকা তারেক রহমানকে দেখে নেয়ার যেসব হুমকি দিতেন তা সুব্রত বাইনকে নিয়ে করা ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা র এর ওপর ভিত্তি করেই করতেন।