1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
দৈনিক উত্তর কোণ পরিবারের আয়োজনে গাবতলীতে দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী ও নগদঅর্থ বিতরণ করলেন সাবেক এমপি লালু ঈদের ছুটিতেও গুলশান বাসভবন থেকে সরকারি জরুরি কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী ইরানে লারিজানি-সোলেইমানিসহ নৌসেনাদের জানাজা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা নারী-শিশুসহ নিহত ৩, আহত ৯ ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে গাবতলীতে ঈদ সামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ বগুড়ায় বৃদ্ধা ফিরোজাকে হুইল চেয়ার দিলেন বিজয় বগুড়ায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ রাণীনগরে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের নগদ অর্থ ও শাড়ী-থ্রিপিস বিতরণ বগুড়ার দত্তবাড়ী হতে মাটিডালী পর্যন্ত দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন সোহেল বাঘায় বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার

দ্রুত জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিন-নজরুল ইসলাম খান

  • সম্পাদনার সময় : শনিবার, ২৪ মে, ২০২৫
  • ৮২ বার প্রদশিত হয়েছে

স্টাফ রিপোটার: অন্তর্র্বতীকালীন সরকারকে উদ্দেশ্য বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, নির্বাচনের জন্য যে সংস্কার জরুরী আলোচনার মাধ্যমে সম্পূর্ণ করে দ্রুত জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিন। জনগণের ক্ষমতা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দিতে হবে। তাই সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যতটুকু সংস্কার দরকার ততটুকু সংস্কার শেষে করে নির্বাচন দিন। যদি সংস্কার আগামী ৩ মাসের মধ্যে হয়ে যায় তাহলে ডিসেম্বরে নির্বাচন দিতে সমস্যা কোথায় ? তিনি বলেন, কোন রাজনৈতিক দল যদি নিজেদের গুছিয়ে নিতে এবং জোট গঠনে দেরী করে তাহলে নির্বাচন পিছিয়ে দেয়া যাবে না। তারেক রহমান দেশের বাম ডান সবাইকে নিয়ে রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের জন্য ৩১ দফা ঘোষনা করেছেন। আমরা সবাইকে নিয়ে ১৫ বছর জোটবদ্ধ আন্দোলন করেছি। আমরা যুগোপথ আন্দোলনের মাধ্যমে পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের মসনদে কাঁপন ধরিয়েছি। জুলাই-আগস্ট এর গণঅভ্যর্থনের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদ পলায়ন করেছে এবং বাংলাদেশ আবার নতুন সম্ভাবনার দ্বার প্রান্তে উপনীত হয়েছে। এই সম্ভাবনা কেউ নস্যাৎ করার চক্রান্ত করছে। বাংলাদেশের মানুষ এক দফার দাবিতে আন্দোলন করেছে ফ্যাসিবাদের পতন এবং নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পূর্ণ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ১দফার একটা অংশ আদায় হয়েছে আরেকটি অংশ এখনো আদায় হয় নাই। সেটি প্রধান কাজ, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনাই প্রধান লক্ষ্য। জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করাই প্রধান কাজ। জনগণের কাছে দায়বদ্ধ সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তিনি ২৪ মে শনিবার বিকেলে বগুড়া শহরের সেন্ট্রাল হাইস্কুল মাঠে জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল ও ছাত্রদলের যৌথ উদ্যোগে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। সমাবেশ চলাকালে শুরু হয় বৃষ্টি লাখ, লাখ তরুণরা বৃষ্টিতে ভিজে প্রধান অতিথির বক্তব্য শুনেন। তিনি আরো বলেন, বারবার আমাদের বিজয়কে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এদেশে আমরা মুক্তিযুদ্ধ করে স্বাধীন করেছিলাম। স্বাধীনতার মাধ্যমে গণতন্ত্র অর্জন করেছিলাম। ১৯৭৫ সালের জানুয়ারি মাসে আমাদের সেই গণতন্ত্র কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশে এক দলীয় বাকশাল কায়েম করা হয়েছিল। সেই একদলীয় বাকশাল শাসনের অবসান ঘটিয়ে বহুদলীয় গণতন্ত্র পূর্ণ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম। আমরা একবার অর্জন করলাম আবার হারিয়ে ফেললাম, আবার অর্জন করলাম তারপরে শহীদ জিয়াউর রহমান নিহত হলেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্তে তাকে জীবন দিতে হলো। এক বছর যেতে না যেতেই বাংলাদেশে সামরিক স্বৈরশাসন কায়েম হল। আমরা গণতন্ত্র হারালাম, সেই হারানো গণতন্ত্রকে পূর্ণ উদ্ধার করার জন্য আমরা আমাদের মা গণতন্ত্রের মাতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ৯ বছর অবিরাম লড়াই করে আবার আমরা সংসদীয় গণতন্ত্র পূর্ণ প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। কিন্তু তাও রক্ষা করা যায়নি, তথাকথিত গণতন্ত্রের দাবিদার আওয়ামীলীগ বলে তাদের আন্দোলনের ফসল একএগারো সরকার। গণতন্ত্রকে পুনরায় জবাই করেছে। জরুরি অবস্থা জারি করেছে গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করেছে। আবারো হারিয়েছি গণতন্ত্র। সেই গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনার জন্য দীর্ঘস্থায়ী আন্দোলন করতে হয়েছে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে এবং তাকে অন্যায় ভাবে তারা কারারুদ্ধ করে, তারপর থেকে আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে অবিরাম লড়াই হয়েছে। অন্তর্র্বতীকালীন সরকারকে উদ্দেশ্য করেন নজরুল ইসলাম বলেন, সরকারকে মনে রাখতে হবে আপনারা স্থায়ী সরকার নন, আপনারা নির্বাচিত সরকারও নন। আপনার অর্ন্তর্বতীকালীন সরকার, অর্ন্তর্বতীকালীন সরকার মানে আগের সরকার এবং পরের একটি সরকারের মাঝখানের সরকার আপনারা। আপনাদের একটা সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব আছে সেই দায়িত্ব পালন করে আপনাদের চলে যেতে হবে। জনগণ স্থায়ী সরকার চায়। স্বৈরাচারী বা ফ্যাসিবাদী সরকার বাংলাদেশের সমস্ত প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রশাসনিক, সাংবিধানিক সব প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। আর সেই ধ্বংসপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে পূর্ণ গঠনের জন্য আমাদের নেতা তারেক রহমান আন্দোলনরত যুগোপথের সব রাজনৈতিক দলের পরামর্শ নিয়ে ৩১ দফার রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের রুপরেখা ঘোষণা দিয়েছে। ৩১ দফার বাইরে নতুন কোন কিছু তাদের মাথা থেকে আসে না। তারা যেসব পরিবর্তনের কথা বলছেন, ৩১ দফাতে সব প্রস্তাবনা রয়েছে। তাই সংস্কার প্রয়োজন নিঃসন্দেহে, আমরা বলেছি একটা অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য যে সংস্কার জরুরী আলোচনার মাধ্যমে সম্পূর্ণ করে দ্রুত জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিন আমরা বলেছি ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন চাই। আমরা বলেছি নির্বাচন কমিশন বলেছে জুন মাসের মধ্যে তারা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে সংস্কার কমিশনের ঐক্যমত্য কমিশনার প্রধান বলেছে মাধ্যমে আগামী এক মাসের মধ্যে তারা রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে যে আলোচনা করেছেন তার সেই আলোকে একটি সনদ তৈরি করতে পারবেন। তাই জুন মাসের মধ্যে সংস্কার ও নির্বাচনের প্রস্তুতি দুটোই সম্পন্ন হয় তাহলে ডিসেম্বরে নির্বাচন হতে সমস্যা নেই। তিনি আরও বলেন, যারা বলেন ডিসেম্বরের পরে হবে নির্বাচন, তারা যুক্তি দিয়ে বলেন কি কারণে ডিসেম্বরের পরে নির্বাচন। কোন কোন দল এখনো সংঘটিত হয় নাই, তাদের সংঘটিত হওয়ার জন্য সময় দরকার। কোন কোন দল অন্যান্যদের সাথে ঐক্য করার চেষ্টা করছে তাদের সময় দরকার। এই সময় দেওয়ার জন্য আমরা তো নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করতে পারি না। জনগণ এই কারণে সময় দিতে রাজি না। সেজন্যই আমরা বলি যে ১ দফার জন্য আমাদের হাজারো ভাই খুন হয়েছে, গুম হয়েছে, অত্যাচারিত হয়েছে, নির্যাতিত হয়েছে, আহত হয়েছে, জেল খেটেছে, সেই এক দফার অবশিষ্ট প্রথম কাজ হবে জনগণের ক্ষমতা জনগণের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে। ফ্যাসিবাদ বিরোধী লড়াইয়ে যারা সামনের কাতারে ছিলেন সেই তরুণ সমাজকে সামনের কাতারে থাকতে হবে। শহীদ জিয়ার আদর্শে বিশ্বাসী, বেগম খালেদা জিয়াও তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিশ্বাসী এই তরুণ সমাজ আপনারা কি সেই লড়াইয়ে শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে রাজি আছেন থাকলে দুই হাত তুলে বলুন। আমরা বিশ্বাস করি আপনারা রাজি আছেন এই লড়াইয়ে বাধা দেওয়া ও প্রতিরোধ করার ক্ষমতা এই দেশের কারণ নেই কখনো নেই আগামীতেও থাকবে না। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমাদের তরুণরা ব্যবসা চায়, চাকরি চায়। তরুণ সমাজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শান্তি চায়। একটা গণতান্ত্রিক দেশ চায়, যে যার কথা বলবে। আমরা সে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই। আজকে তারুণ্যের সমাবেশের একটা উদ্দেশ্য, তরুণরা আবার জেগে উঠো সমস্তকে চক্রান্ত ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘জিয়াউর রহমান যুদ্ধ করেছেন গণতান্ত্রিক দেশের জন্য, খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের জন্য কাজ করেছেন। তারেক রহমান আধুনিক বাংলাদেশ করতে চান। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিক্রি করে কিছু চাই না। এ জন্য তারেক রহমান বলেছেন সবার আগে বাংলাদেশ। তিনি বলেছেন ফয়সালা হবে রাজপথে, সেটাই হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘সুন্দর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হবে। যেখানে মানুষ মানুষকে ভালোবাসবে, মাথা উঁচু থাকবে দেশের। বাংলাদেশের পতাকাটা উড়বে পতপত করে। ওয়াসিমের রক্তের বিনিময়ে আমাদের নতুন স্বাধীনতা। তাকে পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে- এটা আশা করি।

নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা বাংলাদেশের গর্বিত জনগণ, যারা ভাষার জন্য জীবন দিয়েছি, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছি। এখনও আমরা গণতন্ত্রের প্রত্যাশায় বসে আছি। সেই গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য কথা বলছি, স্লোগান দিচ্ছি, সভা-সমাবেশ করছি। কত দিন আমাদের এই কাজ করতে হবে? দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে। কিন্তু গণতন্ত্র এখনো পুনরুদ্ধার হয়নি। তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছরের বেশি সময় ধরে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন করে যাচ্ছি। এই আন্দোলনে জাতিসংঘের রিপোর্ট অনুযায়ী ১৭শ‘র বেশি মানুষ মারা গেছেন। জুলাই আন্দোলনে সহস্রাধিক মানুষ খুন হয়েছে। লাখ লাখ মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে। হাজারো মানুষ আহত ও অঙ্গহানির শিকার হয়েছে। অনেকেই হয়রানি ও নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরপরও আন্দোলন করেছি। যার মূল লক্ষ্য ছিলো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা ও ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন ঘটানোর জন্য। শেষ পর্যন্ত ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছেও। দলমত নির্বিশেষে দেশের সকল গণতন্ত্রকামী মানুষ এই লড়াইয়ে শরিক হয়েছিলো। তবে জনগণের নির্বাচিত সরকার তথা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়নি। নজরুল ইসলাম খান বলেন, তারুণ্যকে প্রাধান্য দিয়েই আগামীর রাজনীতিকে তারেক রহমান এগিয়ে নিবেন। তাই জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠায় তরুণদের লড়াই করতে হবে।

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক কাম,রুজ্জামান জুয়েল, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াইহিয়া। সমাবেশে সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবকদলের সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান ও ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সাবেক এমপি মোঃ হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা ড. মাহাদী আমিন, পল্লী উন্নয়ন সম্পাদক ফরহাদ হোসেন আজাদ, রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক মন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু, রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহিন সওকত, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম আলীম, ওবায়দুল রহমান চন্দন, অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি মোশারফ হোসেন, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম, গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডঃ মাঈনুল হাসান সাদিক, রংপুর জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক এমপি কাজী রফিকুল ইসলাম, আলী আজগর তালুকদার হেনা, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আহসানুল তৈয়ব জাকির, সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদ উন নবী সালাম, কেএম খায়রুল বাশার, সাবেক এমপি রফিকুল ইসলাম, জেলা যুবদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান, জেলা স্বেচ্ছসেবকদলের সভাপতি সরকার মুকুল, সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম শুভ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান সরকার, সাধারণ সম্পাদক এম আর হাসান পলাশ, শহর যুবদলের সভাপতি আহসান হাবিব মমি, সাধারণ সম্পাদক আদিল শাহরিয়ার গোর্কী, শহর ছাত্রদলে সভাপতি এসএম রাঙ্গা, সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান রিমন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন, অধ্যাপক ইউনুস একজন ভালো মানুষ। তার বিরুদ্ধে কিছু বলার নেই। কিন্তু আসিফ মাহমুদ এর কথামত দেশ চালালে তো চলবে না। তিনি বলেন, ইউনৃস সরকারের কিছু কিছু ভুল হচ্ছে। তাই সে সম্পর্কে আমরা কথা বলি। কিন্তু এটা কোন কোন উপদেষ্টা মানতে পারছেন না। রাজনৈতিক দল হিসেবে কথা বলতেই হবে। তিনি আরো বলেন, চট্রগ্রাম বন্দর বিদেশীদের হাতে তুলে দেয়া ও অন্যদেশকে করিডোর দেয়ার প্রতিবাদ করবোই। বিএনপি তরুনদের কর্মসংস্থানের জন্য আগামীতে কাজ করবে। হাসিনা শুধু টাকা পাচার করেছে, কর্মসংস্থানের জন্য কিছু করেনি। সমাবেশের প্রধান বক্তা যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না বলেন, জনগণ এ সরকারকে আর চায় না। তাই দ্রুত নির্বাচন দিয়ে নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।বিশেষ বক্তা স্বেচ্ছাসেবকদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এস এম জিলানী বলেন, তারেক রহমানের ৩১ দফা জনগণের মুক্তির সনদ। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীতে চাঁদাবাজ, দূর্নীতিমুক্ত,দখলবাজমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। সভাপতির বক্তব্যে ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, অনেক সহ্য করেছি। আর কোন বিমাতাসুলভ আচরন আর সহ্য করব না। সরকারকে আমরা সবসময় সহযোগিতা করেছি। কিন্তু সরকার আমাদের সম্মান টুকু করে না। ছাত্রদল নেতা সাম্য হত্যার বিচার করা না হলে আবার রাজপথে নামব। বৃষ্টি উপেক্ষা করে সমাবেশে উত্তরের ১৬ জেলা পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, রংপুর, দিনাজপুর, গাইবান্ধা, নওগাঁ, জয়পুরহাট, বগুড়া, নাটোর, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার তরুণরা মিছিল নিয়ে অংশ নেন।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies