1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
ভারতের সংসদ শ্রদ্ধা জানালো বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে একটি দলের শীর্ষ নেতারা পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে: বিএনপি প্রযুক্তি খাত থেকেই ভবিষ্যৎ রচনা হবে : ড. ইউনূস বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র-মার্কিন রাষ্ট্রদূত সহিংসতা বন্ধ করে কল্যাণের রাজনীতির পক্ষে দাঁড়াতে চাই-ডা: শফিকুর রহমান বগুড়ায় আসছেন তারেক রহমান বইছে উৎসবের আমেজ বগুড়াতে বিএনপির বাহিরে অন্য প্রার্থীকে ভোট দিবেনা মানুষ-ভিপি সাইফুল মোহনপুরে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের একদিনের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গাবতলীতে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে ১০৮টির মধ্যে ৭০টি অবৈধ

দুদকের অভিযানে ধরা: দালাল আর টাকা ছাড়া কাজ হয় না পাবনা বিআরটিএ কার্যালয়ে

  • সম্পাদনার সময় : বুধবার, ৭ মে, ২০২৫
  • ৪৩ বার প্রদশিত হয়েছে

পাবনা প্রতিনিধি: টাকা না দিলে পরীক্ষায় ফেল দেখানো হয়। হয়রানি করা হয় বছরের পর বছর। দালাল আর টাকা ছাড়া কোনো কাজই হয় না বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ-বিআরটিএ’র পাবনা কার্যালয়ে। দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদকের আকস্মিক অভিযানে উঠে এসেছে এমন তথ্য। বুধবার (০৭ মে) দুপুরে পাবনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে নিচতলায় বিআরটিএ’র পাবনা কার্যালয়ে এই অভিযান চালানো হয়। এতে নেতৃত্ব দেন দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত পাবনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সুত্রধর। তিনি জানান, অভিযানের সময়ের কিছু সেবাপ্রার্থীকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে। তাদের মাধ্যমে জানা গেছে, এখানে দালাল ছাড়া কোনো কাজ হয় না। এখানে কাজ করতে ১০-১২ হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে হয়। এমনও অভিযোগ আছে যে ২০১৯ সালে কাগজপত্র দিয়েছেন, কিন্তু কাজ হয় নাই, যখনই দালালের মাধ্যমে টাকা দেয়া হয় তখনই কাজ হয়। তিনি আরও জানান, মুলত দালাল আর টাকা ছাড়া কোনো কাজ হয় না- এমন তথ্য মিলেছে। টাকা দিলেই লাইসেন্সসহ সব ধরনের সেবা পাওয়া যায়। রেকর্ডপত্র পেলেই সেগুলো দুদকের কেন্দ্রীয় কার্যালয় পাঠাবো। এরপর সেখান থেকে নির্দেশনা পেলে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অভিযানের সময় ভুক্তভোগী ঈশ্বরদী উপজেলার জয়নগর গ্রামের রবিন হোসেন বলেন, ‘আমি ২০১৯ সালে ড্রাইভিং লাইন্সের জন্য আবেদন করি। বাইওমেট্রিক দেয়ার পর থেকে ৫ বছর ধরে ঘুরছি, কিন্তু লাইসেন্স পাইনি। পরে ২০২৪ সালে আমাকে আবার নতুন করে আবেদন করতে বলা হয়। তখন আবেদন করে লিখিত ও ভাইভা পরীক্ষা দিয়ে তবে আমি লাইসেন্স পাই। প্রথমবার দালালের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা দিয়েছি। আর পরেরবার ৯ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।’ উল্লেখ্য, বিআরটিএ, পাবনা কার্যালয় যেন দালালদের স্বর্গরাজ্য। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজসে সেখানে দালাল চক্রের সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। ড্রাইভিং লাইসেন্স, নবায়ন, যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন ও রুট পারমিট কোনো কাজই দালাল ছাড়া হয় না। এসব নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে একাধিক সংবাদ প্রকাশ হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies