1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
ভারতের সংসদ শ্রদ্ধা জানালো বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে একটি দলের শীর্ষ নেতারা পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে: বিএনপি প্রযুক্তি খাত থেকেই ভবিষ্যৎ রচনা হবে : ড. ইউনূস বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র-মার্কিন রাষ্ট্রদূত সহিংসতা বন্ধ করে কল্যাণের রাজনীতির পক্ষে দাঁড়াতে চাই-ডা: শফিকুর রহমান বগুড়ায় আসছেন তারেক রহমান বইছে উৎসবের আমেজ বগুড়াতে বিএনপির বাহিরে অন্য প্রার্থীকে ভোট দিবেনা মানুষ-ভিপি সাইফুল মোহনপুরে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের একদিনের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গাবতলীতে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে ১০৮টির মধ্যে ৭০টি অবৈধ

স্বস্তির খবর নেই বাজারে, নিত্যপণ্যের দাম লাগাম ছাড়া

  • সম্পাদনার সময় : শনিবার, ৩ মে, ২০২৫
  • ৫৯ বার প্রদশিত হয়েছে

শীতকালীন সবজি শেষ হওয়ায় সবজির বাজার এখন চড়া। বেশিরভাগ সবজি ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এখন কম দামে সবজি পাওয়া যায় না। ঈদের পর থেকে ভোক্তাকে স্বস্তি দেয়া মাছ, মুরগির বাজারও চড়া। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে সবজির দাম আগের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে গেছে। এর ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজার করতে গিয়ে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত শ্রেণির মানুষ বিপাকে পড়ছেন। গত এক সপ্তাহে মুরগির দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা। মাছের চড়া দাম হাঁকছেন বিক্রেতারা।

বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, মানভেদে প্রতি কেজি করলা ৬০ থেকে ৭০ টাকা। বেগুন ৭০ থেকে ৮০ টাকা, বরবটি ৭০ টাকা, কহি ৬০ টাকা, লতি ৭০ টাকা, কাঁকরোল ১০০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৫০ টাকা, ঝিঙে ৭০ টাকা ও টমেটো ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি কেজি পেঁপে ৭০ টাকা, গাজর ৫০ টাকা, শসা ৫০ টাকা, পটোল ৬০ থেকে ৭০ টাকা ও সজনে ডাটা ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বাজারে প্রতি পিস চালকুমড়া ৪০ টাকা ও লাউয়ের জন্য গুনতে হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা। কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। এবার বৃষ্টি কম হওয়ায় পেঁপের উৎপাদন কম হয়েছে। তাই সরবরাহ ঘাটতি দেখা দেয়ায় দাম বেড়েছে। তবে সরবরাহ বাড়লে দাম কমে যাবে।

অন্যদিকে, সবজির বাজারে অস্বস্তি চলছে প্রায় মাসখানেক ধরে। সবজি বিক্রেতারা বলছেন, শীতের সবজির মৌসুম শেষ হয়ে গ্রীষ্মের মৌসুম পড়ছে। যে কারণে এ মাঝামাঝি সময়ে সবজির সরবরাহ কম। এতে প্রায় প্রতিটি সবজি ১০ থেকে ২০ টাকা বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতা-বিক্রেতারা জানান, শীত মৌসুমের সবজি নিয়ে গত তিন-চার মাস সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে যে স্বস্তি ছিল, তা আর নেই। বাজারে এখন বেশির ভাগ সবজির দাম ৬০ টাকার ওপরে। কোনো কোনো সবজির দাম একশ পার হয়ে গেছে। এমনকি সবসময় কম দাম থাকা পেঁপেরও কেজি উঠেছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়। সজনে ডাটার দর সবসময় কিছুটা বেশি থাকে। এর কেজি ১২০ থেকে ১৫০ টাকা।

এদিকে, বাজারে মোটা চাল ৫৮ থেকে ৬২ টাকা, মাঝারি চালের দাম ৬৪ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি সরু নাজিরশাইল চাল বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকার মধ্যে। নতুন মিনিকেট চাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭৪ থেকে ৮০ টাকায়। যেখানে পুরোনো একই চালের দাম ৭৮ থেকে ৮৮ টাকা পর্যন্ত। সে হিসাবে চালের দাম কেজিপ্রতি প্রায় ৪ থেকে ৮ টাকা কমেছে।

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন পর বাজারে চালের দাম কমছে। গত বছরের শুরুতে বন্যার কারণে চালের দাম বেড়েছিল, এরপর বছরখানেক প্রায় চড়া ছিল বাজার। এবার বোরো ধানের উৎপাদন ভালো হয়েছে, ফলে বাজারে চালের দাম আরও কিছুটা কমতে বলে মনে করছেন তারা।

মাছের বাজারেও বেশ চড়াভাব দেখা গেছে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, বর্তমানে চাষের মাছের সরবরাহ কিছুটা কম। এতে নদীর কিছু মাছের দাম বেড়েছে। পাশাপাশি জাটকা ধরা বন্ধ থাকায় অনেক নদীতে মাছ আহরণ বন্ধ আছে। যে কারণে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে ইলিশসহ চিংড়ি মাছের দাম। প্রতি ৭০০ গ্রামের একহালি ইলিশ ৫ হাজার টাকা বিক্রি হতে দেখা গেছে। এছাড়া এক কেজির বেশি ওজনের ইলিশ প্রতিপিস দুই থেকে তিন হাজার টাকা দাম হাঁকছেন বিক্রেতারা। ৪০০-৫০০ গ্রামের মাছ ১২০০-১৫০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

পাশাপাশি ঈদের পর থেকে চড়া পেঁয়াজের বাজার। ওই সময় কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে দাম। এখন বাড়তি দামে আটকে আছে। খুচরা পর্যায়ে ভালো মানের প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়। তবে বাজারে এখন মুরগি ও ডিমের দামে অনেকটা স্বস্তি আছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি ১৭০ থেকে ১৮০ এবং সোনালি জাতের মুরগি ২৭০ থেকে ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির দাম ১০ টাকা বেড়ে ১৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব বাজারে সোনালি কক মুরগি কেজিতে ৪০ টাকা বেড়ে ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে এই মুরগি বিক্রি হয়েছে ২৬০ টাকায়। এছাড়া, বাজারে সোনালি হাইব্রিড ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে এই মুরগি বিক্রি হয়েছে ২৪০ টাকা। বেশ কয়েক সপ্তাহ নি¤œমুখী ডিমের দরে তেমন পরিবর্তন দেখা যায়নি। প্রতি ডজন ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা দামে। মাসখানেক ধরেই এই দামের আশপাশে রয়েছে ডিমের দর।

তবে বাজারে স্থিতিশীল রয়েছে আলুর দাম। খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি আলুর জন্য গুনতে হচ্ছে ২০ থেকে ২২ টাকা। এছাড়া প্রতিকেজি আদা বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। আর প্রতিকেজি আমদানি করা রসুনের জন্য ১৮০ থেকে ২২০ ও দেশি রসুনে গুনতে হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা। বাজারে কাঁচামরিচের দাম স্থিতিশীল আছে প্রায় মাসখানেক ধরে। নিত্যপ্রয়োজনীয় এই মসলাজাতীয় পণ্যটি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে।

গত ১৫ এপ্রিল সরকার বোতলের সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটার ১৮৯ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটার ১৬৯ টাকা নির্ধারণ করে। এরপরই বাজারে কয়েক মাস ধরে সংকটে থাকা সয়াবিনের বোতলের সরবরাহ ‘জাদুমন্ত্রবলে’ বেড়ে যায়।
চাল বিক্রেতা হোসেন আলী বলেন, নতুন চালের দাম প্রতি বস্তায় (২৫ কেজি) ১০০ থেকে ২০০ টাকা কমেছে। এখন প্রতি বস্তা মিনিকেটের দাম ২ হাজার টাকার মধ্যে এসেছে, যা আগে ২২’শ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। তিনি বলেন, বাজারে প্রচলিত প্রায় সব ব্র্যান্ডের মিনিকেট চালের দামই কমেছে। তবে পুরোনো কোনো চালের দাম এখনো কমেনি।

কারওয়ান বাজারের এক মুরগি বিক্রেতা বলেন, বাজারে মুরগির সরবরাহ কম। মূলত খামারিরা কম মুরগি সরবরাহ করায় বাজারে কিছুটা সরবরাহ কমেছে। এতে দাম বেড়েছে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies