1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
একটি দল ‘স্বৈরাচারী ভাষায়’ বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে: তারেক রহমান বিজয়ী হলে প্রতিশোধ নেব না, সবাইকে ক্ষমা করা হবে: জামায়াত আমির মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সমস্যার সমাধানে ধানের শীষে ভোট দিন-সাবেক এমপি লালু রংপুর নগরীর বাণিজ্যিক জোনে জিএম কাদেরের প্রচারণায় জাপার শীর্ষ নেতারা আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে এলাকার উন্নয়নে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখতে চাই-নন্দীগ্রামে মোশারফ হোসেন বগুড়াবাসি ধানের শীষে ভোট দিতে মুখিয়ে আছে-ভিপি সাইফুল ভোটের হিসাব কড়ায়-গণ্ডায় বুঝে নেবেন: তারেক রহমান বৈষম্য বিরোধীর দুই মামলায় চার্জশীট: শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চানখারপুলে ছয় হত্যা: ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সশস্ত্র বাহিনীকে পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রধান উপদেষ্টার

বাংলা নববর্ষ ঘিরে বাহারি পণ্য প্রস্তুতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন রায়গঞ্জ উপজেলার মৃৎশিল্পীরা

  • সম্পাদনার সময় : শুক্রবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৯৪ বার প্রদশিত হয়েছে

আমিনুল ইসলাম হিরো, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : বাংলা নববর্ষ উদ্‌যাপন উপলক্ষে গ্রামে মেলাসহ নানান উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। আর এসব অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে বাড়ে মাটির তৈরি বিভিন্ন পণ্যের চাহিদা। এতে ফাল্গুন থেকেই মাটির তৈজসপত্র ও খেলনা তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের মৃৎশিল্পীরা। উপজেলার মৃৎশিল্প কারিগর সুমিত্রা রানী পাল (৫৩) বলেন, রং দিয়ে এবং বিভিন্ন কারুকাজ করে আমরা এ মাটির তৈরি তৈজসপত্র ও খেলনা তৈরি করি। আমরা সারা বছরই এ কাজ করি। তবে এ সময়ে আমাদের ব্যস্ততা একটু বাড়ে। তারা মনে করেন বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী এসব পণ্যের বেচাকেনা বাড়লে সারা বছরের লোকসান তারা কিছুটা কাটিয়ে উঠতে পারবেন। সরেজমিনে রায়গঞ্জ পৌর সভার ধানগড়া এলাকার পালপাড়ায় গিয়ে দেখাযায়, বৈশাখী মেলায় ব্যবসা করতে পণ্য তৈরিতে রাত-দিন কাজ করে চলেছেন শিল্পীরা। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘরের আঙিনায় বসে মাটি দিয়ে পুতুল, হাতি, ঘোড়া, ময়ূর, হাঁড়ি, পাতিলসহ বিভিন্ন খেলনা ও সামগ্রী তৈরি করছেন তারা। রোদে শুকিয়ে, আগুনে পুড়িয়ে তারপর নিপুণ তুলির আঁচড়ে বাহারি রঙে রাঙিয়ে তোলা হচ্ছে মাটির তৈরি জিনিসগুলো। তাদের তৈরি এই জিনিসগুলো পহেলা বৈশাখের মেলাসহ বিভিন্ন এলাকার বাজারে বিক্রি করা হবে। যদিও প্লাস্টিকের পণ্য বাজার দখল করে নেয়ায় চাহিদা কমে গেছে মাটির তৈরি জিনিসপত্রের। তারপরও বাপ-দাদার এ পেশাকে এখনও ধরে রেখেছেন তারা। পৃষ্ঠপোষকতা ও প্রশিক্ষণ পাওয়া গেলে এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব বলে মনে করেন রায়গঞ্জ উপজেলার মৃৎশিল্পীরা।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies