বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক মেয়র এ্যাডভোকেট একেএম মাহবুবুর রহমান বলেছেন, আমাদের নিজেদের মধ্যে ঐক্য ধরে রেখে সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে। যত দ্রুত নির্বাচন হবে, যত দ্রুত জনগণের প্রতিনিধিরা সংসদে আসবে, সংসদে এসে একদিকে তারা দেশ পরিচালনা করবেন অন্যদিকে বাকি যেসব প্রয়োজনীয় সংস্কার আছে, সেগুলো আমরা এক সঙ্গে করতে পারব। ১৭ বছর একটানা বিগত স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি। স্বৈরচার শেখ হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে জেল, জুলুম, গুম ও খুনের শিকার হয়েছে বিএনপির নেতাকর্মীরা। স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সরকারের হাত থেকে গত ৫ আগস্টে মুক্তি পেয়েছি। আমাদের দায়িত্ব শেষ হয়নি আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী দিনে বিএনপি যাতে আবার রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে পারে, দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে পারে সেই লক্ষ্যে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমাদের দলের নেতাকর্মীরা এমন কোন কাজ করবেন না যাতে সাধারণ জনগণ কষ্ট পায়। তিনি সোমবার বগুড়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলামের আয়োজনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সকল মামলায় খালাস পাওয়ায় শুকরিয়া আদায় এবং জিয়া পরিবারের কল্যাণ কামনায় দুস্থদের মানুষের মাঝে ছাগল বিতরণ ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথাগুলো বলেন। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও কৃষকদল কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং সাবেক এমপি মোঃ হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু বলেন, স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকার বিরোধী আন্দোলনের যারা শহীদ হয়েছেন তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। দেশ আবার নতুন করে স্বাধীন হয়েছে, স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছে। এ দেশটাকে হাসিনা ও তার পরিবার ধ্বংস করে ফেলেছে। দেশকে সুন্দর করে গড়তে হলে বিএনপিকে সংখ্যাগরিষ্ঠতায় নির্বাচিত হয়ে সংসদে যেতে হবে। আমাদের নেতা তারেক রহমান প্রতিদিনই বলছেন মানুষের আস্থা অর্জন করতে হবে, তাদের সাথে থাকতে হবে। দেশে এখন নতুন নতুন রাজনৈতিক দল তৈরি হয়েছে বিএনপি তাদেরকে স্বাগত জানিয়েছে। কিন্তু আমরা হুঁশিয়ারি করে দিয়ে বলতে চাই নতুন দলে যদি কোন স্বৈরাচারের বংশধর ছদ্মবেশে প্রবেশ করে তাদেরকে কোন ছাড় দেওয়া হবে না। নেতাকর্মীদের আরেকটি কথা মনে রাখতে হবে যদি দেশে ধর্মীয় উগ্রবাদ মাথা তাড়া দেয়, তাহলে কিন্তু গণতন্ত্রের কবর হবে। সেদিকে আপনাদের সজাগ থাকতে হবে। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথির বক্তব্য রাখেন দৈনিক করতোয়া সম্পাদক মোজ্জামেল হক, আরো বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এম আর ইসলাম স্বাধীন, বগুড়া বার সমিতির সভাপতি এড. আতাউর রহমান খান মুক্তা।
উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা মাহবুব রহমান বকুল, ওয়াহিদ মুরাদ, বগুড়া চেম্বারের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাইরুল ইসলাম, বামর্মা সাধারণ সম্পাদক রাজেদুর রহমান রাজু, হুমায়ান কবির গেদা, পরিমল চন্দ্র দাস, নিহার সুলতানা তিথি, সুরাইয়া জেরিন রনি, আব্দুল মতিন মন্ডল, মতিউর রহমান মতিন, মাও: তোহা, ফারুকুল ইসলাম ফারুক, মাহিদুল ইসলাম গফুর, সৈয়দ আব্দুল গফুর দারা, আরিফুর রহমান মজনু, মাহমুদ শরীফ মিঠু, ফজলুল হক উজ্জল, জাহেরুল ইসলাম, রাশেদুল ইসলাম, আলিমুর রাজি তরুণ, হাসানুজ্জামান পলাশ, আহসান বিপ্লব রহিম, সেলিম রানা, এখতিয়ার উদ্দিন রানা, সোহেল রানা সুমন,রুহুল আমিন সুমন,আতিকুল বিপুল,রুনু,আতিক, দুলাল, মতিন, খোরশেদ, জাহাঙ্গীল আলম, আব্দুল হামিদ,বাপ্পি, শিমুল ইসলাম জকি, অভি, নাহিদ, মাহমুদুল হাসান মোহন,আরিফিন, আয়ান, অবিদ, আবির প্রমুখ।