বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, গত ১৭ বছর বাংলাদেশের হিন্দুদের রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করেছে স্বৈরাচার হাসিনা। সত্যিকার অর্থেই এই গভীর সত্যটি যদি সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বুঝতে পেরে থাকেন, তবে অবশ্যই এটি তাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলব্ধি। শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন-২০২৫ আয়োজিত চট্টগ্রামের রহমতগঞ্জে অনুষ্ঠানে শুক্রবার বিকেলে ভার্চুয়ালি এসব কথা বলেন তারেক রহমান। তিনি আরো বলেন, একটি সম্প্রীতি, সমৃদ্ধ, মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার পথে আপনাদের এ উপলব্ধি আগামীদিনে আমাদের সকলের জন্য সহায়ক ভূমিকা রাখবে। তারেক রহমান বলেন, কে সংখ্যাগুরু কে সংখ্যালঘু, জনগোষ্ঠীর সদস্য শুধুমাত্র এই পরিচয়, রাষ্ট্র ও সমাজে একজন নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিতে গ্যারান্টি হতে পারে না। পলাতক স্বৈরাচার হাসিনার আমলে বছরের পর বছর যারা আয়নাঘরে প্রতিদিন প্রতিনিয়ত সারাক্ষণ মৃত্যু আতংকে কাটাতে হয়েছে কথিত সংখ্যাগুরুর জনগোষ্ঠীর সদস্য। তাদের সংখ্যাগুরুর পরিচয় কিন্তু তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, একটি রাষ্ট্র এবং সমাজে গণতন্ত্র ন্যায়বিচার আইনের শাসন রয়েছে কিনা সেটি সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রে যদি আইনের শাসন না থাকে আপনি আমি আমরা অর্থাৎ সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগুরু কেউ নিরাপদ নই। একমাত্র আইনের শাসনই সকলের নিরাপত্তা দিতে পারে। তারেক রহমান বলেন, বিতাড়িত ষ্বৈরাচার হাসিনার আমলে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনাগুলো, দুই একটি ছাড়া, কোনো ধর্মীয় কারণে হয়নি। এসব হামলার নেপথ্যে ছিলো অবৈধ লোভের কারণে দুর্বলের ওপরে সবলের হামলা কিংবা অসৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য। তারেক রহমান আহবান জানান, আগামীতে কেউ যেন হীণ রাজণৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে না পারে সে ব্যাপারে সতর্ক থকতে হবে।