1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
দুঃস্হদের মাঝে ঈদ সামগ্রী ও অসহায় পরিবারকে হুইলচেয়ার বিতরণ করলেন সাবেক এমপি লালু দেশের আকাশে চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদুল ফিতর শনিবার আ.লীগের কার্যক্রম বন্ধ আছে, বন্ধ থাকবে: মির্জা ফখরুল নীলসাগর ট্রেন দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের লাইনচ্যুত ৯টি বগির উদ্ধার কাজ শেষ ; প্রায় ২২ ঘন্টা পর ট্রেন চলাচল শুরু শাজাহানপুরে ২ হাজার পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার পৌঁছে দিলেন এনামুল হক শাহীন সান্তাহারে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার নওগাঁয় ৭শতাধিক অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রি উপহার বিতরণ করলেন তুহিন মানবিক দৃষ্টান্ত: অসহায় পঙ্গু সেই জালালের পাশে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি জামায়াত প্রার্থী আবিদুর রহমানের গণসংযোগ অব্যাহত

আমরা ক্ষমতায় গেলে পুঁজিবাজারকে ধারণ করব : আমীর খসরু

  • সম্পাদনার সময় : বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৩৮ বার প্রদশিত হয়েছে

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আগামীতে আমরা ক্ষমতায় গেলে পুঁজিবাজারকে ধারণ করব। পুঁজিবাজার অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলেও বিগত সময়ে আমরা দেখেছি পুঁজিবাজারকে কেউ কখনো ধারণ করেনি। আমরা সেই কাজটি করব। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) নিকুঞ্জে ডিএসইর ভবনে ডিএসই ব্রোকার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ পথ’ শীর্ষক গোল টেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন ডিবিএ সভাপতি সাইফুল ইসলাম। আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘বিগত সরকারের সময়ে কেউ কখনো পুঁজিবাজারকে ধারণ করেনি। পুঁজিবাজার যে অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি এটা কেউ বোঝেনি। অর্থনীতি চালাতে পুঁজিবাজার যে অনেক বড় ভূমিকা রাখতে পারে। আমরা দেখেছি গত ১৫ বছর কীভাবে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে স্টক মার্কেটকে ব্যবহার করা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি আগামীতে যদি নির্বাচিত সরকার আসে আর আমরা সেই সুযোগ পাই, তাহলে আমরা পুঁজিবাজারকে ধারণ করব। পুঁজিবাজার যদি স্বচ্ছভাবে চলে তাহলে সাধারণ মানুষও মনে করবে এখানে বিনিয়োগ করা যায়। সবাই তাদের পরিবারের ভবিষ্যৎ সঞ্চয়ের জন্য বিনিয়োগ করবে। পুঁজিবাজারের সাথে জড়িত প্রত্যেকটা ব্রোকারেজ হাউজে শিক্ষিত ছেলেমেয়েদের অনেক বড় চাকরির সুযোগ রয়েছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমি বক্তৃতার জন্য বলছি না, আমাদের দলে অভ্যন্তরীণ আলাপ হয়েছে আমরা পুঁজিবাজারে নিয়ন্ত্রণ মুক্তকরণে সিরিয়াসভাবে গুরুত্ব দিচ্ছি। নিয়ন্ত্রণমুক্তকরণ ছাড়া পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো নিজেরাই নিয়ন্ত্রণ করবে।’ আমীর খসরু বলেন, ‘যারা পুঁজিবাজার লুটপাট করেছে তাদের চিহ্নিত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে যদি ব্যবস্থা না নেয়া হয় তাহলে তারাই ঘুরেফিরে আবারো পুঁজিবাজারে এসব কর্মকাণ্ড চালাবে। কারণ দিন শেষে টাকা কথা বলে। তাদের লুটপাটের কারণে অনেকে আত্মহত্যা করেছে অনেকে নিঃস্ব হয়েছে। তাই তাদের আইনের আওতায় আনতে ডিবিএকেও ভূমিকা রাখতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘বিএসইসিতে সরকারের নাক গলানোর কোনো সুযোগ নেই। তারা স্বাধীনভাবে কাজ করার কথা। গত দিনে যা হয়েছে বিএসইসি কমিশন হিসেবে নয় বরং রাজনৈতিক দল হিসেবে কাজ করেছে। আমি অন্তর্বর্তী সরকারকে কোনো দোষ দিতে চাই না। কারণ এটা তাদের কাজ না। তারা সুন্দরভাবে একটি রাজনৈতিক দলের কাছে সবকিছু হস্তান্তর করে দিবে এটাই তাদের কাজ। তাই তাদের দোষ দিয়ে কোনো লাভ নেই।’ বিএসইসি সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, ‘ব্যাংকিং ব্যবস্থার মানি মার্কেটের সঙ্কট এসে পড়েছে পুঁজিবাজারে। অর্থনীতি যদি সুস্থ না হয় তাহলে পুঁজিবাজারও সুস্থ হবে না। উচ্চমূল্য স্ফীতি তৈরি হয়েছে। একটি কম আলোচিত বড় সমস্যা হচ্ছে আমাদের রাজস্ব আয় অনেক কম। আমাদের বাজেট বড় করা যায় না। আমাদের ট্যাক্স জিডিপি রেশিও আট শতাংশের কম যা দক্ষিণ এশিয়ায় নিম্ন ট্যাক্স আয়ের দেশ এবং বিশ্বে সর্বনিম্ন।’ তিনি বলেন, ‘ব্যাংক থেকে ধার করার কারণে ব্যাংকের রিসোর্স চলে যাচ্ছে সরকারের কাছে। ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ ইন্টারেস্ট বেশি। এতে বিনিয়োগকারীদের মনে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে যে ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ করবে নাকি পুঁজিবাজারে। মানি মার্কেট থেকে ক্যাপিটাল মার্কেটে বিনিয়োগ আসার সম্ভাবনা খুবই কম।’ বিএসইসির সাবেক এই চেয়ারম্যান বলেন, ‘গত ১৫ বছরে পুঁজিবাজারের গভর্নেন্স অনেক প্রশ্নবিদ্ধ। তাদের বিরুদ্ধে অনেক কথা শোনা যায়। অনেক কোম্পানিকে আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়েছে যেগুলো এখন জেড ক্যাটেগরিতে চলে গেছে। ডিএসইর কথা না শোনে তাদের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ফলে বিনিয়োগকারীদের আস্থাও নেমেছে তলানীতে।’ তিনি বলেন, ‘গত ১৫ বছরে এই প্রথম নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। টাস্কফোর্স করা হয়েছে অনেক মাস হয়ে গেছে। এ পর্যন্ত তারা মাত্র কয়েকটা বিষয়ে সুপারিশ দিয়েছে।’ এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জহিরউদ্দিন স্বপন, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, সিএমজেএফ সভাপতি গোলাম সামদানি, ইআরএফ সভাপতি দৌলত আক্তার মালা, ডিবিএ সাবেক সভাপতি আহমেদ রশিদ লালী প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies