ভোটার তালিকায় প্রায় ১৭ লাখ মৃত ভোটার ছিল বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেছেন, ওরাই কবর থেকে ভোট দিয়েছে। কবরবাসীও ভোট দিতো। মৃত ভোটার আমাদের ধারণার বাইরে ছিল। আজ সোমবার রাজধানীর ইটিআই ভবনে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন ডেমোক্রেসি-আরএফইডির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক ও বিদায়ী কমিটির বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, বেগম তাহমিদা আহমেদ, আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ ইটিআই মহাপরিচালক এস এম আসাদুজ্জামান প্রমুখ। সিইসি নাসির উদ্দিন বলেন, সাংবাদিকদের সংগঠনগুলোতে সঠিক ভোট হয়। যদি সাংবাদিক সংগঠনগুলোর মতো নির্বাচন করতে পারতাম ভাল হত। সাংবাদিকদের সংগঠনের ভোটে কোনো ঝামেলা নাই, কোনো কারচুপি নাই, অভিযোগও নাই। আমরা অবাধ তথ্য প্রবাহ চাই। সিইসি বলেন, আমরা রোহিঙ্গাদের ঠেকানোর চেষ্টা করছি। স্থানীয় অনেকে রোহিঙ্গা হয়েছে রিলিফের আশায়। স্বেচ্ছায় রোহিঙ্গা হয়েছে। রোহিঙ্গাদের সঙ্গে বিয়ে হচ্ছে। অনেক সময় স্বামী রোহিঙ্গা আর স্ত্রী বাংলাদেশি। আবার স্ত্রী বাংলাদেশি, স্বামী রোহিঙ্গা। এমন তথ্য আমরা পাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, আমাদের টার্গেট ডিসেম্বরে জাতীয় নির্বাচন। সেই হিসেবে আমাদের প্রায় দুই মাস হাতে সময় রেখে তফসিল ঘোষণা করতে হবে। এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, সংস্কার কমিশন পরামর্শ দিয়েছে জুনে সম্ভব। সেটি সম্ভব হবে যদি ১৬ লাখ মৃত ভোটারকে বাদ দেয়া না হয় এবং নতুন ৩৫ লাখ ভোটারকে বাদ দিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠান করা হয়। ভোটার তালিকা হালনাগাদের কার্যক্রম শেষ হবে আগামী জুন মাসে। সিইসি মনে করেন, স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন যে বক্তব্য দিয়েছেন এটি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বলেছেন। তিনি বলেন, তারা বিজ্ঞ এবং জ্ঞানী লোকজন, এ বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য নেই। রাজনৈতিক এ বিষয়ে একটি রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে। নির্বাচন কমিশন তাতে জড়িত হতে চায় না। আগে ভোটার তালিকা হোক।