1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০১:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আমাদের লক্ষ্য কৃষকের মুখে হাসি ফোটানো : প্রধানমন্ত্রী বগুড়া জেলা পরিষদের নব নিযুক্ত প্রশাসক হিসেবে যোগদান করলেন আহসানুল তৈয়ব জাকির নন্দীগ্রামে দেওতা খানকার ছাদ ঢালাই কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি মোশারফ আদমদীঘিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা আশিক গ্রেফতার আদমদীঘি ইউনিয়ন বহুমুখী সমবায় সমিতির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা খাল-নদী খননের মাধ্যমে দেশের খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন জিয়া: -প্রতিমন্ত্রী বারী খরা সহিঞ্চু বারি গম-৩৩ জাতের মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত বগুড়া-৬ সদর আসনের উপনির্বাচনে জামায়াত প্রার্থীর প্রচারণা শুরু পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে রোটারী ক্লাব অব বগুড়ার আয়োজনে দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

পাবনায় মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের প্রয়াণ দিবস পালন; স্মৃতি সংগ্রহশালা না হওয়ায় ক্ষোভ

  • সম্পাদনার সময় : শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৭১ বার প্রদশিত হয়েছে

পাবনা প্রতিনিধি: শ্রদ্ধা নিবেদন ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে পাবনায় বাংলা সিনেমার কিংবদন্তী নায়িকা পাবনার মেয়ে সুচিত্রা সেনের ১১ তম প্রয়াণ দিবস পালিত হয়েছে। শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে পাবনা শহরের গোপালপুর হেমসাগর লেনের সুচিত্রা সেনের পৈত্রিক ভিটায় সুচিত্রা সেনের ভাষ্কর্যে জেলা প্রশাসকের পক্ষে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জাহাঙ্গীর আলম। পরে সুচিত্র সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের পক্ষে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন পরিষদের সদস্যরা। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ড. নরেশ মধুর সঞ্চালনায় স্মরণসভায় বক্তব্য দেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব জাহাঙ্গীর আলম, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুজ্জামান, পাবনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান, সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. রামদুলাল ভৌমিক, সহ-সভাপতি ফরিদুল ইসলাম খোকন, সদস্য মাজহারুল ইসলাম, প্রমুখ। সভায় সুচিত্রা সেনের পৈত্রিক বাড়ি উদ্ধারের দীর্ঘদিন পার হলেও বাড়িটিতে স্মৃতি সংগ্রহশালা গড়ে না ওঠায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তারা বলেন, বাড়িটিতে এখনও সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংগ্রহশালা করার কোনো কাজ হয়নি। দিনে দিনে বিষয়টি স্তিমিত হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।

প্রসঙ্গত, একজন সাধারণ বাঙালি নারী থেকে নায়িকা হয়ে ওঠা, তারপর মহানায়িকা হয়ে অনেকটা নীরবে চলে যাওয়া। যার ভুবন ভোলানো হাসিতে আজও বুদ হয়ে আছেন চলচ্চিত্রপ্রেমীরা। তার নাম সুচিত্রা সেন। আজ ১৭ জানুয়ারি, বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি মহানায়িকা পাবনার মেয়ে সুচিত্রা সেনের প্রয়াণ দিবস। ২০১৪ সালের এইদিনে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন তিনি। তার মৃত্যুর পর পাবনায় সুচিত্রা সেনের স্মৃতি বিজড়িত পৈত্রিক ভিটা দখলমুক্ত হলেও অনেকটা অবহেলা আর অযত্নে পড়ে আছে। জেলা প্রশাসনের দখলে থাকা বাড়িটি যেন প্রাণহীন। বাড়ির বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে ফাটল। বাড়ি উদ্ধারের প্রায় এগারো বছর পার হলেও বাড়িতে ‘সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংগ্রহশালা’ গড়ে তোলার দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। এ নিয়ে আক্ষেপের শেষ নেই পাবনাবাসীর। সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. রামদুলাল ভৌমিক বলেন, সুচিত্রা সেনের পৈত্রিক বাড়িটিতে ‘সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংগ্রহশালা’ করার জন্য আমাদের পরিষদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীতে প্রস্তাবনা দেওয়া আছে। কিন্তু সেটি আজও সেই প্রস্তাবনা হিসেবে তাদের কাছে পড়ে আছে। তিনি আরো বলেন, সুচিত্রা সেনের বাড়িতে স্মৃতি সংগ্রহশালা করার প্রকল্পটি দেশের আরো অনেকগুলো প্রকল্পের সাথে অন্তর্ভুক্ত। সেখান থেকে সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংগ্রহশালা প্রকল্পটি আলাদা করে আলাদা প্যাকেজে বাড়িটি সংস্কার করা দাবি জানান তিনি। জানা জায়, ১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল পাবনায় জন্ম সুচিত্রা সেনের। ৯ ভাইবোনের মধ্যে তিনিছিলেন পঞ্চম। মা-বাবা নাম রেখেছিলেন রমা। পরিচালক সুকুমার দাশগুপ্তের সহকারী নীতীশ রায় তা বদলে রাখেন সুচিত্রা। কিন্তু পাবনার মহাকালী পাঠশালার খাতায় তাঁর নাম ছিল কৃষ্ণা দাশগুপ্ত। পাবনা শহরের গোপালপুর মহল্লার হেমসাগর লেনের একতলা পাকা পৈতৃক বাড়িতে সুচিত্রা সেনের শৈশব ও কৈশোর কেটেছে।  তাঁর বাবা করুণাময় দাশগুপ্ত পাবনা মিউনিসিপ্যালিটির স্যানিটারি ইন্সপেক্টর পদে চাকরি করতেন। মা ইন্দিরা দাশগুপ্ত ছিলেন গৃহিণী। দুই বোনের মধ্যে সুচিত্রা সেন ছিলেন বড়। মহাকালী পাঠশালায় পড়ালেখা শেষ করে সুচিত্রা সেন স্থানীয় পাবনা বালিকা বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করেন। পড়ালেখায় খুব একটা মনোযোগনা থাকলেও গান, নাটক, অভিনয় প্রিয় ও পছন্দের ছিল সুচিত্রা সেনের। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের ক’মাস আগে সুচিত্রার বাবা সপরিবারে ভারত চলে যান। কলকাতা যাবার বছর দু’য়েক পরেই দিবানাথ সেনের সঙ্গে রমাদাশ গুপ্ত ওরফে সুচিত্রা সেনের বিয়ে হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies