1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করলেন হতাহতদের পরিবার তারেক রহমানের সঙ্গে ৭টি রাজনৈতিক দলের নেতাদের সাক্ষাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি কোথাও যেন কোনো গলদ না থাকে-প্রধান উপদেষ্টা ভারতেই খেলতে হবে, নইলে বিশ্বকাপ থেকে বাদ বাংলাদেশ : আইসিসি জান প্রাণ উজাড় করে দিয়ে ধানের শীষে ভোট করতে চাই-ভিপি সাইফুল কলাকোপাতে “মেহেরুন নেছা আম্র কানন” আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন বালিয়াদিঘী ইউনিয়নে ধানের শীষের নির্বাচনী কার্যালয়ে উদ্বোধনকালে সাবেক এমপি লালু সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন সর্বোচ্চ ১,৬০,০০০ টাকা, সর্বনিম্ন ২০,০০০ ইন্টারনেট বন্ধ করে গণহত্যা : জয় ও পলকের বিচার শুরু ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বেতন নির্ধারণ করে দিলো সরকার

সবাই ঐক্যবদ্ধ না থাকলে ৫ আগস্টের অবমাননা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

  • সম্পাদনার সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৮৮ বার প্রদশিত হয়েছে

সবাই ঐক্যবদ্ধ না থাকলে ৫ আগস্টের অবমাননা হবে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বৃহস্পতিবার বিকেলে ডাকা ৫ আগস্টের প্রক্লেমেশনসংক্রান্ত সর্বদলীয় বৈঠকে আলোচনায় এমন মন্তব্য করেন তিনি। সর্বদলীয় বৈঠক আহ্বান করার কারণ জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, মাঝে একদিন ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা এসে আমাকে বলল যে আমরা শহীদ মিনারে ৫ আগস্টের একটি প্রক্লেমশন করব। সেখানে আপনাকেও থাকতে হবে। তখন আমি বললাম, না। এটি করা যাবে না। আমিও থাকতে পারব না। কারণ, তোমরা যদি ৫ আগস্টে ফিরে যেতে চাও, তাহলে সেদিন যা (একতা) সৃষ্টি হয়েছে, তাকে ধারণ করতে হবে। সেদিনের পুরো অনুভূতিটাই ছিল একতার অনুভূতি। সেদিন কাউকে বলা হয়নি যে তুমি অমুক; তুমি তমুক। সুতরাং ৫ আগস্টের প্রক্লেমেশন যদি করতে চাও, সবাইকে নিয়ে করতে হবে। এটি যদি না করো, তাহলে যে একতা দিয়ে তোমরা ৫ আগস্ট সৃষ্টি করেছিল, তার অবমাননা হবে। তিনি আরো বলেন, আমার এই কথায় ছাত্ররা খুব বেশি খুশি হয়নি। তবে তারা পরে বুঝতে পেরেছিল যে ৫ আগস্টের একতা যদি পুনরায় সৃষ্টি করতে হয়, তাহলে একতার সাথেই প্রক্লেমেশন করতে হবে। সেখান থেকেই আলোচনার সূত্রপাত যে জুলাইয়ের প্রক্লেমেশনটা কিভাবে একতার ভিত্তিতে করা যায়। এরপর পরিপ্রেক্ষিতেই আপনাদের আহ্বান করা। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আপনারা যখন সরকারের সাথে সংলাপে উপস্থিত হন, তখন মনে সাহস জাগে যে আমরা এখনো একতাবদ্ধ রয়েছি। আমরা ঝিমিয়ে যাইনি। আপনাদের সাথে সাক্ষাতে যখন বিলম্ব হয়, তখন নিজেদের একা মনে হতে থাকে। এজন্য আপনাদের সাক্ষাত আমাদের ভালো লাগে।’ এ সময় তিনি একতাকেই এই সরকারের শক্তি বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি আরো বলেন, যদি এই প্রক্লেমেশনটা ঐক্যবদ্ধভাবে করা না যায়, তাহলে এর উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে। তাহলে এটি করাও যাবে না। এর প্রয়োজনও বাকি থাকবে না। সরকার প্রধান বলেন, প্রক্লেমেশনের উদ্দেশ্য হলো, এর মধ্য দিয়ে আমরা সবাইকে ঐক্যমতের কথা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই। এতে পুরো দেশই চমকে উঠবে যে না, আমরা তো এখনো একতাবদ্ধ আছি। আমরা ভোতা হয়ে যাইনি। আমাদের অনুভূতি শক্তি ভোতা হয়ে যায়নি। তিনি আরো বলেন, এর মধ্য দিয়ে সবার কাছে এই বার্তা যাবে যে আমরা জাতি হিসেবে এখনো ঐক্যবদ্ধ আছি। আপনারা দোয়া করবেন, আমি যতদিন আছি, এই একতা নিয়েই থাকব। সেজন্য এই পথেই আমাদের চলতে হবে। আপনারা আমাকে সাহস দেবেন। আজ আপনাদের দেখে আমার খুব সাহস লাগছে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এখন ৫ আগস্টের কথা স্মরণ করুন। আমরা এখনো একতাবদ্ধ আছি। কিভাবে এই একতাকে পুনরায় জাগিয়ে তোলা যায়, কিভাবে সেটি মানুষের সামনে উপস্থাপন করা যায়, সেটিই আজকের আলোচনার বিষয়।

তিনি আরো বলেন, আজকে যদি এই বিষয়ে সর্বসম্মিক্রমে আমরা দেশের সামনে আসতে পারি, তাহলে এটা দেশের জন্য ভালো। আবার আন্তর্জাতিকভাবেও ভালো হবে। সবাই দেখবে যে এই জাতিকে অনেক চেষ্টা করা হয়েছে, তাও নড়ে না (ঐক্য ভাঙা যায় না)। স্থির হয়ে আছে। এটিই আসল বিষয়। এটি আমরা পুরো দুনিয়াকে জানাতে চাই এবং আমাদের দেশবাসীকেও জানাতে চাই।

উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে সর্বদলীয় বৈঠক বেলা ৪টা ১৭ মিনিটে শুরু হয়েছে। বৈঠকে বিএনপির প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত আছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। অন্যদিকে, মিয়া গোলাম পরওয়ারের নেতৃত্বে জামায়াতের চার সদস্যদের প্রতিনিধি দল অংশ নিয়েছেন। অন্যরা হলেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ, এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ও অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল। ইসলামী আন্দোলনের গাজী আতাউর রহমানসহ দুইজন, জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন। গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর, সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। এছাড়া বৈঠকে উপস্থিত হয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান ও যুগ্ম মহাসচিব আশরাফুল আলম, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক ও বাসদের (মার্ক্সবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা এবং গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের নেতা হাসনাত কাইয়ূম, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদউদ্দিন মাহমুদ স্বপন, জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সদস্যসচিব আখতার হোসেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যসচিব আরিফ সোহেল ও মুখ্য সংগঠক আবদুল হান্নান মাসউদ।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies