1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বিএনপি সরকার গঠন করলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে- নীলফামারীতে তারেক রহমান জামায়াতে ইসলামীর নয়, দেশের ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই-সিলেটে ডা: শফিকুর রহমান দিনাজপুরে তারেক রহমান নাতি হিসেবে ধানের শীষে ভোট চাইলেন তারেক রহমানের ইশতেহার বাস্তবায়নের স্বপ্ন দেখছে দেশের মানুষ- সাবেক এমপি লালু নন্দীগ্রামে ধানের শীষে ভোট ও দোয়া চেয়ে ছাত্রদলের লিফলেট বিতরণ গাবতলীতে ধানের শীষের পক্ষে মহিলা সমাবেশ গাবতলীতে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত কাহালুর মালঞ্চা ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে নির্বাচনী মিছিল অনুষ্ঠিত কাহালুতে মার্চ ফর দাঁড়িপাল্লা ও নির্বাচনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত কোতয়ালী সদর থানা আকস্মিক পরিদর্শন করলেন-পুলিশ সুপার

মমতার বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ রিজভীর: ‘শেখ হাসিনাকে পুনর্বাসনের জন্য ভারতের প্রচেষ্টার অন্ত নেই’

  • সম্পাদনার সময় : সোমবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৭১ বার প্রদশিত হয়েছে

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ভারতের পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী বাংলাদেশে জাতিসঙ্ঘের শান্তি বাহিনী পাঠানোর প্রস্তাব করে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে অবজ্ঞা ও অপমান করার শামিল। এটি একটি স্বাধীন দেশের ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপের হুমকি। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণ পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর এহেন বক্তব্যে বিস্মিত ও হতবম্ব হয়েছে। এ দেশের মানুষ পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীকে একজন সেক্যুলার ও উদার দৃষ্টিভঙ্গির মানুষ হিসেবেই জানতো। তার বক্তব্যে আবারো প্রমাণিত হলো কট্টর হিন্দুত্ববাদী ও মমতা ব্যানার্জির মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।আজ সোমবার (২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার আগ মুহূর্তে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, ভারতের প্রায় অধিকাংশ রাজনীতিবিদই বাংলাদেশের মানুষের স্বাজ্যাত্যবোধ ও নাগরিক স্বাধীনতাকে মান্য করে না। ওই কাতারে মমতা ব্যানার্জীও তাঁর অবস্থান পরিষ্কার করলেন। এঁরা নিজ দেশের অন্যায় দেখেও না দেখার ভান করে। গুজরাটের হাজার হাজার মুসলিম হত্যার সেই ট্রাজেডি আজো বিশ্ববাসী বিস্মৃত হয়নি। কাটা তারের বেড়ার ওপর ফেলানীর ঝুলন্ত লাশ এঁরা কি ভুলে গেছেন? ভারতের কেন্দ্রীয় সম্প্রদায়িক শাসকগোষ্ঠীর সাথে একই কোরাসে অংশগ্রহণ করে মমতা ব্যানার্জী বাংলাদেশের স্বাধীন মর্যাদাকে অগ্রাহ্য করেছেন। তিনি বলেন, পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে মনে হচ্ছে যে শেখ হাসিনার লুটেরা খুনি, গুম ও নির্যাতনকারীদের পতন হওয়াতে তারা বিষণ্ণ বেদনায় মুষড়ে পড়েছেন। হত্যা, গুম, খুন, গণহত্যা, নির্যাতন, নিপীড়ন, গণতন্ত্র ধ্বংস করে দুর্নীতির মাধ্যমে লাখ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে দেশটাকে ধ্বংসের শেষপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন দূরাচারী আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার। এখন শেখ হাসিনাকে পুনর্বাসনের জন্য ভারতের প্রচেষ্টার অন্ত নেই। এদেশের মানুষ বিশ্বাস করে, বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া লাখ লাখ কোটি টাকার একটি বিরাট অংশ বাংলাদেশ থেকে নিয়ে বিদ্বেষ পোষণকারী ভারতের রাজনীতিবিদদের পেছনে খরচ করা হচ্ছে। তা নাহলে এখন এভাবে একযোগে বাংলাদেশবিরোধী জিগির তুলছে কেন ভারতের নীতি নির্ধারকরা। আমরা এর আগেও দেখেছি, সেদেশের রাজনীতিবিদরা মুখে যাই বলুক, তারা যে বাংলাদেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করেন তার প্রমাণ হচ্ছে শুধুমাত্র মমতা ব্যানার্জীর কারণেই তিস্তা নদীর পানির চুক্তি বাস্তবায়িত হয়নি। সুতরাং তিনি কী উদ্দেশ্যে জাতিসঙ্ঘ বাহিনীকে বাংলাদেশে পাঠানোর প্রস্তাব করছেন এটা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে খোলাসা করা উচিৎ। একটি অনির্বাচিত অগণতান্ত্রিক ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লুটেরা রেজিমকে মদদ দিয়ে বিনিময়ে ভারত একতরফাভাবে অনৈতিক স্বার্থ ও ফায়দা হাসিল করছিল। ছাত্রজনতার জনস্বার্থবিরোধী ভারতের সেই তাবেদার রেজিম উৎখাতের ফলে ভারতের অনৈতিক স্বার্থ হাসিলের ছেদ পড়ায় সেখানকার রাজনীতিবিদ ও নীতি নির্ধারকরা এখন বেসামাল হয়ে পড়েছেন বলে জানান তিনি। বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশ ১৮ কোটি মানুষের দেশ। এই দেশ কিভাবে চলবে সেটি এ দেশের জনগণ নির্ধারণ করবে। কোনো দেশের গভীর চক্রান্তের নীল নকশা কখনোই বাস্তবায়িত হবে না। রিজভী বলেন, ৮১ শতাংশ সনাতন বা হিন্দু ধর্মালবম্বীদের দেশ নেপালের সাথে ভারতের সম্পর্ক উষ্ণ যেমন নয়, তেমনি নেপালের জনগোষ্ঠীও ভারতের প্রতি বন্ধুভাবাপন্ন তো নয়ই। বরং বৈরীভাবাপন্ন। তাই বুঝতে হবে বাংলাদেশ সনাতন ধর্মাবলম্বী নাগরিকদের প্রতি ভারতের অতি ভালবাসা প্রকাশ ও এটিকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের প্রতি হম্বি-তম্বির পেছনে ভারতের কোনো ধর্মীয় ভাবাবেগ, ভালবাসা বা বন্ধন জড়িত নেই, আছে এটিকে পুঁজি করে ভারতের আধিপত্যবাদী আগ্রাসী মনোভাব ও ষড়যন্ত্র। তিনি ভারতের পশ্চিম বাংলার মূখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী তাদের বিধান সভায় দেয়া বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং বাংলাদেশে সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান দেশবাসী ভাই-বোনদের পার্শবর্তী দেশের গভীর চক্রান্ত সম্পর্কে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies