1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
আমাদের লক্ষ্য কৃষকের মুখে হাসি ফোটানো : প্রধানমন্ত্রী বগুড়া জেলা পরিষদের নব নিযুক্ত প্রশাসক হিসেবে যোগদান করলেন আহসানুল তৈয়ব জাকির নন্দীগ্রামে দেওতা খানকার ছাদ ঢালাই কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি মোশারফ আদমদীঘিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা আশিক গ্রেফতার আদমদীঘি ইউনিয়ন বহুমুখী সমবায় সমিতির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা খাল-নদী খননের মাধ্যমে দেশের খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন জিয়া: -প্রতিমন্ত্রী বারী খরা সহিঞ্চু বারি গম-৩৩ জাতের মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত বগুড়া-৬ সদর আসনের উপনির্বাচনে জামায়াত প্রার্থীর প্রচারণা শুরু পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে রোটারী ক্লাব অব বগুড়ার আয়োজনে দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

কুড়িগ্রামে তিস্তা নদীর পানি কমলেও দেখা দিয়েছে ভাঙন

  • সম্পাদনার সময় : সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৯৯ বার প্রদশিত হয়েছে

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিতে গত তিন দিন ধরে কুড়িগ্রামের ধরলা ব্রহ্মপুত্র দুধকুমার নদের পানি সমতলে বৃদ্ধি পেয়েছে।এসব নদ নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও বিপদসীমা অতিক্রম করে নি।তবে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে বন্যার সৃষ্টি হয়েছে।এতে দূর্ভোগে পড়েছিল রাজারহাট,উলিপুর ও চিলমারী উপজেলার চরাঞ্চলের মানুষজন। সকাল থেকে পানি কমে যাওয়ায় জনমনে স্বস্তি ফিরেছে।তবে পানি কমার সাথে সাথে দেখা দিয়েছে নদী ভাঙনের। কুড়িগ্রাম জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সকাল ৯ টার তথ্য মতে,জেলার তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্টে পানি কমে বিপদসীমার ২৯.৫ সেঃমিঃ নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া ধরলা নদীর তালুক শিমুল বাড়ি পয়েন্টে বিপদসীমার ২৯.৮৭ সেঃ মিঃ ব্রহ্মপুত্র নদের চিলমারী পয়েন্টে নদীর পানি বিপদসীমার ২০.৯৮ ও দুধকুমার নদে নুন খাওয়া পয়েন্টে ২৩.৭৫ সেঃ মিঃ নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সবগুলো নদ নদীর পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও নতুন করে দেখা দিয়েছে ভাঙনের। রাজারহাট গতিয়াশাম এলাকার মোঃ আব্দুল হাই বলেন,গত দুদিন ধরে তিস্তার পানি ঢুকে তিস্তার চরের বাদাম, সব্জির ক্ষেত ও ধান ক্ষেত তলিয়ে গেছে। তবে পানি দ্রুত নেমে যাওয়ার কারনে সবজি ক্ষেতের ক্ষতি হলেও ধান ক্ষেতের তেমন ক্ষতি হবে না।তবে পানি কমার সাথে সাথে নদী ভাঙনের মুখে পড়েছি।তিস্তা নদীতে পানি বাড়লেও ভাঙে, কমলেও নদী ভাঙন শুরু হয়।কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের কৃষক মোঃ কামাল হোসেন বলেন, গত দু তিন দিন ধরে ব্রহ্মপুত্রের পানি বেড়েছে। আজও পানি বাড়তেছে।পানি বাড়া নিয়ে আমাদের আতঙ্ক নেই কিন্তু নদী ভাঙন শুরু হয়েছে।এ তিনদিনে চর যাত্রাপুর গ্রামের প্রায় ৮-১০ টি ঘর বাড়ি নদীতে চলে গেছে। কুড়িগ্রাম রাজারহাট আবহাওয়া অফিসের তথ্য মতে,জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় মাত্র ২ মিঃমিঃ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী দুই তিনদের মধ্যে আবারো বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে বলে জানান আবহাওয়া অফিস। কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাকিবুল হাসান বলেন,তিস্তা নদীর গতিয়াশাম ও উলিপুর একটি স্কুল নদী ভাঙনের মুখে পড়ার খবর পেয়েছি।ওসব এলাকায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies