1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
আমাদের লক্ষ্য কৃষকের মুখে হাসি ফোটানো : প্রধানমন্ত্রী বগুড়া জেলা পরিষদের নব নিযুক্ত প্রশাসক হিসেবে যোগদান করলেন আহসানুল তৈয়ব জাকির নন্দীগ্রামে দেওতা খানকার ছাদ ঢালাই কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি মোশারফ আদমদীঘিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা আশিক গ্রেফতার আদমদীঘি ইউনিয়ন বহুমুখী সমবায় সমিতির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা খাল-নদী খননের মাধ্যমে দেশের খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন জিয়া: -প্রতিমন্ত্রী বারী খরা সহিঞ্চু বারি গম-৩৩ জাতের মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত বগুড়া-৬ সদর আসনের উপনির্বাচনে জামায়াত প্রার্থীর প্রচারণা শুরু পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে রোটারী ক্লাব অব বগুড়ার আয়োজনে দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার বোয়ালমারী মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীর চেয়ে শিক্ষক কর্মচারী বেশি

  • সম্পাদনার সময় : সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১০০ বার প্রদশিত হয়েছে

সাইফুর রহমান শামীম,, কুড়িগ্রাম।। কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার বোয়ালমারী ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীর চেয়ে শিক্ষক কর্মচারীর সংখ্যা বেশি হলেও দেখার জন্য কেউ নেই।। রোববার ( ২৯ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় মাদ্রাসাটিতে শিক্ষকের সংখ্যা ১২ জন, কর্মচারীর সংখ্যা ৫ জন, শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১০ জন। ওই প্রতিষ্ঠানের এমন অবস্থাতেই কিভাবে সরকারিভাবে বেতন ভাতা সহ সকল সুযোগ-সুবিধা শিক্ষক-কর্মচারীরা পাচ্ছেন এ প্রশ্ন সচেতন মহলের। জানা গেছে ১৯৯৩ সালে নাগেশ্বরী উপজেলার বোয়ালমারী ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়। মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে সুচতুর সুপারেনটেন্ট সৈয়দ আলী আকন্দ তার মনগড়া ভাবে কমিটি গঠন করে নিয়োগ-বাণিজ্য সহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি করে আসলেও প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন সহ শিক্ষার্থী নেই এ নিয়ে তার যেন কোন মাথায় ব্যথা নেই। কিন্তু কাগজ-কলমে তার অনিয়ম ও দুর্নীতি ধরার উপায় নেই। খোঁজ নিয়ে জানা যায় কাগজ-কলমে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩২৩ জন, উপস্থিতি ৫০ জন দেখালেও রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) মাদ্রাসায় গিয়ে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। মাদ্রাসার শ্রেণিকক্ষে দশম শ্রেণীতে পাঁচজন, নবম শ্রেণীতে ১ জন, অষ্টম শ্রেণীতে ১ জন, সপ্তম শ্রেণীতে ২ জন, ষষ্ঠ শ্রেণীতে ১ জন শিক্ষার্থী পাওয়া যায়। অথচ এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপবৃত্তি পাচ্ছে প্রায় ৬০ জন। এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক নাজিম উদ্দীন বলেন, এই এলাকা নদী ভাঙ্গন ও অভাবী শিক্ষার্থী হওয়ায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রতিষ্ঠানে কম। তবে অন্যদিন আসে আজ কম এসেছে। রোববার সাংবাদিকরা মাদ্রাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে মাদ্রাসার সন্নিকটের বাজারে পৌঁছা মাত্রই সুচতুর সুপারেনটেন্ট সৈয়দ আলী আকন্দ খবর পেয়ে মাদ্রাসা ত্যাগ করেন। মুঠোফোনে তার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন জরুরী কাজে বাইরে আছি। প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ১০ জন উপস্থিত এ বিষয়ে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন প্রতিষ্ঠান বন্ধ, শিক্ষার্থীরা বাড়ি থেকে প্রতিষ্ঠানে আসতে চায় না, প্রতিষ্ঠান এলাকার লোকজন অশিক্ষিত সব মিলিয়ে শিক্ষার্থীর উপস্থিতির সংখ্যা কম এ বিষয়ে তিনি অকপটে স্বীকার করেন। নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিব্বির আহমেদ মুঠো ফোনে বলেন, আমি এইমাত্র বিষয়টি জানলাম। প্রতিষ্ঠানের প্রধান কে ডেকে পরামর্শ করবো কিভাবে শিক্ষার্থী বাড়ানো যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies