1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
দেশের মানুষ কখনই দিল্লির অধীনতা-বশ্যতা মানেনি, মানবে না : রিজভী - Uttarkon
রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
গুলির সঙ্গে কোনো সংলাপ হয় না : সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ রাজশাহীতে শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলনে সংঘর্ষ, আহত ২০ পাবনায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, পুলিশসহ কয়েকজন আহত দুপচাঁচিয়ায় সকল গ্রেডে কোটার যৌক্তিক সংস্কারের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল কুড়িগ্রামে বানের পানিতে ভেসে গেছে ৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকার মাছ কোটা আন্দোলন: রাজধানীসহ সারা দেশ রণক্ষেত্র, নিহত ১২ উত্তরার হাসপাতালে আরও চার মরদেহ, সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১০ জন নিহতের খবর আন্দোলনত শিক্ষার্থীরা মুক্তির সন্তান, স্বপ্নের বিপ্লব গড়ে তুলছে: রিজভী সোহেল-নিরব-টুকুসহ বিএনপির ৫০০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা শিক্ষার্থীদের পরিবর্তে আজ মাঠে নেমেছে বিএনপি-জামায়াত: কাদের

দেশের মানুষ কখনই দিল্লির অধীনতা-বশ্যতা মানেনি, মানবে না : রিজভী

  • সম্পাদনার সময় : বুধবার, ৩ জুলাই, ২০২৪
  • ৬৬ বার প্রদশিত হয়েছে

বাংলাদেশের মানুষ কখনই দিল্লির অধীনতা-বশ্যতা মানেনি এবং ভবিষ্যতেও মানবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। আজ বুধবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। রিজভী বলেন, ডামি সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন যে দুর্নীতি দমন কমিশন স্বাধীন, সুতরাং যে ব্যক্তি যত শক্তিশালী হোক না কেন দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেলে কমিশন নিজ প্রক্রিয়া অনুযায়ী কাজ করে যাবে। আজকাল সংবাদপত্রের পাতায় দৃষ্টি দিলেই বেনজীর, মতিউর, আসাদুজ্জামান আরো কত নাম আমরা দেখতে পাচ্ছি, এই সমস্ত দুর্নীতির মহানায়করা সরকারের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে বড় বড় সরকারি পদে অধিষ্ঠিত থাকল কিভাবে? এর উত্তর কি প্রধানমন্ত্রী দিতে পারবেন? তাহলে কি কোনো ভাগ-বাটোয়ারার কারণে সমস্যা হওয়ায় তাদের সব গোপন বিষয় ফাঁস করে দেয়া হচ্ছে? তিনি বলেন, সরকারের নির্দেশ মতো বিরোধী দলকে নির্যাতন করা আওয়ামী-দুর্নীতি দমন কমিশনের কাজ। তা না হলে বিগত ১৫-১৬ বছরে আওয়ামী লুটপাটের সরকার যে অনিয়ম, অপচয় ও মহাদুর্নীতিকে দুর্নীতি দমন কমিশন কার্পেটের তলায় ঢেকে রাখে, সেই কমিশনারদের দ্বারা প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ পুলিশ এবং সরকারি উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দুর্নীতির সঠিক তদন্ত হবে বলে জনগণ বিশ্বাস করে না। পর্দাকাণ্ড, বালিশকাণ্ড থেকে শুরু করে মতিউর কাণ্ড পর্যন্ত অসংখ্য কাণ্ডকারখানা এবং পাচারকৃত লুটের টাকার অনুসন্ধানে উদাসীনতা দীর্ঘ দেড় দশক ধরে জনগণ দেখে আসছে। অথচ দুর্নীতি দমন কমিশন ‘রিপ ভ্যান উইঙ্কেল’- এর মতো ঘুমিয়ে থেকেছে। জনগণের টাকার একচেটিয়া লুণ্ঠন ও আত্মসাৎকারীদের ডামি আওয়ামী সরকার মাফ করে দিয়েছে। গায়ে দুর্নীতির কালিমাখা আওয়ামী সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়াটা ‘জাতীয় কৌতুক ছাড়া আর কিছু নয়’। আজিজ, বেনজীরের মতো ব্যক্তিরা, যারা নিরস্ত্র গণতন্ত্রকামী জনগণের বিরুদ্ধে হুমকি দিয়ে নিজ বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন ‘বন্দুক দেয়া হয় কি ঘরে রাখার জন্য!’ অথ্যাৎ দেশের সাধারণ নাগরিকদের নিয়মতান্ত্রিক গণতন্ত্রের আন্দোলনকে কোন প্রকার মানবতার তোয়াক্কা না করে রক্তাক্ত পন্থায় দমন করার পুরস্কার হিসেবে শেখ হাসিনার আশির্বাদে তারা বিত্ত বৈভবে প্রকাণ্ড স্ফীত হয়ে উঠেছিল। আলীশান বাড়ি, অসংখ্য ফ্ল্যাট, শত শত একর জমি তারা দখর করেছিল আন্দোলন দমনের কৃতিত্ব হিসেবে।

বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, আফ্রিকা থেকে বর্ণবাদ বিদায় নিলেও ভারতের রাজনীতি এবং সামাজিক পরিসরে বর্ণবাদ বহাল রয়েছে। যদিও ভারতের সংবিধান সেকুলার। জার্মানিতে হিটলারের নাৎসিবাদ গড়ে উঠেছিল আর্য-রক্তের মহিমাকীর্তণে। ভারতে এখন বর্ণবাদের করালগ্রাসে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ক্ষত-বিক্ষত। বিগত নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের নেতারা সরাসরি মুসলমান, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধদের বিরুদ্ধে বক্তব্য রেখেছেন। বাংলাদেশে কোনো রাজনৈতিক দলই সাম্প্রদায়িক বক্তব্য রাখে না।

তিনি বলেন, এখন সেই দেশের সাথে বাংলাদেশের ডামি সরকারের প্রধানমন্ত্রী নানা চুক্তি ও সমাঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছেন। বাংলাদেশের জনগণ এহেন দুই সরকারের সমাঝোতার উদ্যোগ অসম এবং বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী বলে মনে করে। এতে বাংলাদেশের মানুষ তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। ট্রানজিট ও এশিয়ান হাইওয়ের নামে শেখ হাসিনা মূলত ভারতকে করিডোর দিচ্ছেন। চিরদিনের জন্য বাংলাদেশের মানুষকে ভারতের ক্রীতদাস বানানোর গভীর অভিসন্ধি। ১৯৯৬ সালে ভারতের একটি মাসিক প্রকাশনার রিসার্চ এনালিস্ট সংঙ্গীতা থাপলিয়ান লিখেছিলেন, ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতাগ্রহণ বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ভারতের ট্রানজিট পাওয়ার একটি সুবর্ণ সুযোগ সৃষ্টি হবে। এই রেলওয়ে করিডোর স্থাপনের চুক্তি তারাই প্রতিফলন। বাংলাদেশের মানুষ কখনই দিল্লির অধীনতা-বশ্যতা মানেনি এবং ভবিষ্যতেও মানবে না, যেমন পিন্ডির বশ্যতা মানেনি।

তিনি বলেন, অসংখ্য আত্মহুতি দিয়ে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে আমাদের স্বাধীনতা, তাই এই স্বাধীনতাকে দুর্বল করা যাবে না। বিএনপি শাসন আমলে কোনো ট্রানজিট আদায় করা ভারতের পক্ষে সম্ভব হয়নি। ভারতের নীতি নির্ধারকরা বাংলাদেশ এবং এর জনগণকে তাচ্ছিল্যের দৃষ্টিতে দেখে। অভিন্ন নদীর পানি, সীমান্ত হত্যা, বাণিজ্যিক ভারসাম্যসহ নানা সমস্যা সমাধানে আগ্রহী নয় তারা। ভারতের সাথে অমীমাংসিত বিষয়গুলোকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশের বুকচিরে রেললাইন স্থাপন বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জনগণের স্বাধীনতাকে অবজ্ঞা করার সামিল।

রিজভী বলেন, শেখ হাসিনা বলেছেন ‘ইউরোপে তো কোনো বর্ডার নেই, তারা কি বিক্রি হয়ে গেছে?’ ইউরোপিয় ইউনিয়নের দেশগুলো তো কাছাকাছি অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং একই বর্ণের দেশ। কিন্তু তুরস্ককে নেয়া হয়নি কেন? ইউরোপের শেনজেনের অন্তর্ভূক্ত দেশ যাদের অভিন্ন মুদ্রা, ভিসা ছাড়াই গমনাগমন, বিচার ব্যবস্থাসহ এবং চাকরি-বাকরির ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। কিন্তু বেশকিছু পূর্ব ইউরোপের দেশ এর অন্তর্ভূক্ত নয়। বিভিন্ন ইনডেক্সগুলো একই রকম নয়। তাই জনগণের প্রতিবাদ সত্ত্বেও ভারতকে রেল করিডোর সুবিধা প্রদানের চুক্তি বাংলাদেশের ভূখণ্ড দিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোতে অস্ত্রশস্ত্র, সৈন্য প্রেরণ করতে সক্ষম হবে। এর ফলে বাংলাদেশের নিরাপত্তা হুমকির মধ্যে পতিত হবে। বাংলাদেশের জনগণ জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এই চুক্তি তারা কোনোদিনই মেনে নিবে না।

গত পরশু দিন থেকে সারাদেশের সকল মহানগর এবং আজ সারাদেশের সব জেলা শহরে বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে সমাবেশ হচ্ছে। আওয়ামী সরকারের চিরাচরিত চরিত্র, বৈশিষ্ট ও সংস্কৃতি ধারণ করে সারাদেশের বিভিন্ন জেলায় বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হিংস্র আক্রমণ চালিয়েছে। ব্যর্থ আওয়ামী সরকার পূণরায় গুমের মত নৃশংস পন্থা অবলম্বন করে আবারো জনমনে ভীতি তৈরি করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে অভিযোগ করেন রিজভী।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright &copy 2022 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies