1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
পাকিস্তানে ‘ভারতসমর্থিত’ ৪১ সন্ত্রাসী নিহত: আইএসপিআর জয়পুরহাটে আবারো কাটা তারের বেড়া দেওয়ার চেষ্টা শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান আমরা বাংলাদেশের নেতৃত্ব যুবকদের হাতে তুলে দিতে চাই-লক্ষ্মীপুরে জামায়াত আমির ভোট দিয়ে প্রমাণ করুন বগুড়া বিএনপির ঘাঁটি: তারেক রহমান বগুড়ার বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদে জুম্মার নামজ আদায় করলেন তারেক রহমান যে যার অবস্থান থেকে প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর আহবান তারেক রহমানের বিএনপি সরকার গঠন করলে শুধু বগুড়া নয় সারাদেশে উন্নয়ন করা হবে- তারেক রহমান আমরা ক্ষমতায় গেলে রাজশাহী অঞ্চলের উন্নয়নকাজ, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করব- তারেক রহমান প্রয়োজনে জীবন দেব, তবু জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে দেব না-জামায়াত আমির

রাজশাহী এখন দুধে স্বয়ংসম্পূর্ণ

  • সম্পাদনার সময় : মঙ্গলবার, ৪ জুন, ২০২৪
  • ১৩১ বার প্রদশিত হয়েছে

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহীতে খামারগুলোতে বাড়ছে দুধের উৎপাদন। বিশেষ করে চর ও গ্রাম পর্যায়ে দুধের উৎপাদন বেড়েছে। ফলে রাজশাহী এখন দুধে স্বয়ংসম্পূর্ণ। জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, রাজশাহীতে দুধের চাহিদা ৫ দশমিক ৮ লাখ টন। গতবছর দুধ উৎপাদন হয়েছে ৫ দশমিক ৫ লাখ টন। চলতি বছরে সেই উৎপাদন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৮ লাখ টন। দুধ উৎপাদনকারী গরুর সংখ্যা রয়েছে প্রায় তিন লাখ। সরোজমিন ঘুরে দেখা যায়, রাজশাহীর পদ্মাপাড়ে ধু ধু বালুচর। প্রমত্তা পদ্মা শুকিয়ে নদীর মধ্যেই জেগেছে চর। চরের কিনারে হাজার হাজার গবাদিপশুর অস্থায়ী আশ্রয়স্থল, যা ‘বাথান’ নামে পরিচিত। পবা উপজেলার হরিয়ান ইউনিয়নের চরখিদিরপুরের ১০ নম্বর বা মিডল চর চরগুলোর একটি। এই চরে তিনটি বাথানে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার গরু, মহিষ ও ভেড়া রয়েছে। রাখালরা জানান, দুধের দাম আগের চেয়ে বাড়ছে। এজন্য চরে গরুর দুধ উৎপাদন বাড়িয়ে দিয়েছেন মালিকরা।
চরে একটি বাথানের মালিক শফিকুল ইসলাম বলেন, “এখানে কারও কারও ৫০-১০০টি গরু রয়েছে। যার ১০০টি রয়েছে তাকে ‘কোটিপতি’ বলা চলে। কারণ একেকটি গরুর দাম প্রায় লাখ টাকা। লাভের কারণেই এত চ্যালেঞ্জ নিয়ে গরুর মালিকরা বাথানে গরু রাখেন। এখন দুধের চাহিদা অনেক বেশি। ফলে ষাঁড়ের তুলনায় গাভি পালনে আগ্রহী স্থানীয়রা।”
চরের ঘোষ (গোয়ালা) নিরাময় দাস বলেন, প্রতিদিন এখান থেকে অন্তত ২০০-২৫০ কেজি দুধ নিয়ে যাই। এখান থেকে দুধ পরিবহন কষ্ট হলেও আসি। কেননা গরুগুলো মাঠের ঘাস খায়। এজন্য এর চাহিদাও বেশি। আরেকটি বাথানের মালিক মোঃ বাচ্চু বলেন, হাজার হাজার গরুর খাবার প্রাকৃতিক উৎস থেকে সংগ্রহ করা অনেক কষ্টকর। তারপরও গরুর সংখ্যা বেড়েছে। দুধও বেড়েছে। আগে এই চরে সবমিলিয়ে ২০০ গরু দুধ দিতো। এখন সেটি বেড়ে ৩৫০-৫০০ গরু হয়েছে। তবে তিনি বলেন, গরুর দুধ উৎপাদন বাড়লেও আমরা ন্যায্য দাম পাই না। কেননা আমাদের নদী পার হতে হয়। এতেই খরচ বেড়ে যায়।
রাজশাহী বাঘা এলাকার খামারি এনামুল হক বলেন, ‘আগে দুটি গরু পালতাম (পালন করতাম)। পরে ষাঁড়ের পাশাপাশি গাভিও পালা শুরু করি। গত দুই বছরে নতুন করে চারটি গাভি কিনেছি। গাভিগুলো প্রতিদিন ২৫ কেজি দুধ দিচ্ছে। দামও ভালোই পাচ্ছি।’
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. জুলফিকার মোঃ আখতার হোসেন বলেন, রাজশাহীতে যথেষ্ট পরিমানে মাংস ও দুধ উৎপাদন হয়। এই জেলা দুধ ও মাংসে স্বয়ংসম্পূর্ণ। বিশেষ করে দুধের উৎপাদন বাড়ছে। গতবারের চেয়ে এবার উৎপাদন বেড়েছে।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies