1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে গাবতলীতে ঈদ সামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ বগুড়ায় বৃদ্ধা ফিরোজাকে হুইল চেয়ার দিলেন বিজয় বগুড়ায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ রাণীনগরে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের নগদ অর্থ ও শাড়ী-থ্রিপিস বিতরণ বগুড়ার দত্তবাড়ী হতে মাটিডালী পর্যন্ত দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন সোহেল বাঘায় বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত : শতাধিক যাত্রী আহত গাবতলীতে ফোকাস সোসাইটির উদোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ রাণীনগরে অসহায়দের মাঝে অর্থ ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ পঞ্চগড়ের বোদায় শুরু হয়েছে সনাতনধর্মাবলম্বীদের ৩ দিনব্যাপী বারুণী উৎসব

৩০ টাকায় ‘সিস্টেম’ এ মেলে দেড় প্লেট ভাত, ভর্তাসহ ৬ পদ

  • সম্পাদনার সময় : শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ১৭৪ বার প্রদশিত হয়েছে

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: নিত্যপণ্যের দামের এমন ঊর্ধ্বগতিতে নাভিশ্বাস হয়ে উঠেছে জনজীবন। তিন বেলা খাবার যোগাতে নিম্নআয়ের মানুষের অবস্থা বেগতিক। ঠিক এমন সময় ৩০ টাকায় মিলছে দেড় প্লেট ভাতসহ ৬ পদের আইটেম ‘সিস্টেম’।
বেগুন ভাজা, ডাল ভর্তা, আলু ভাজা, আলু ভর্তা, শাক ভাজা ও অর্ধেক সিদ্ধ ডিম থাকছে এই সিস্টেমে। ব্যতিক্রমী এই সিস্টেমের খোঁজ পাওয়া যায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) স্টেশন বাজারে। ব্যবসায়ী মানিক মিঞা দীর্ঘদিন ধরে চালু রেখেছেন এই সিস্টেম।
দামে কম ও মানে ভালো হওয়ায় শিার্থীরা ভিড় জমান হোটেল মাদারীপুরে। বিশেষ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ‘সিস্টেম’ বেশ জনপ্রিয়। সিস্টেমের আসল নাম ‘সিক্স আইটেম’।
‘হোটেল মাদারীপুর’ এর মালিক মানিক মিঞা খুব ছোটবেলায় জীবিকার সন্ধানে কুমিল্লার লাকসাম থেকে চলে যান রাজশাহীতে। এরপর স্থায়ী বাসিন্দা হয়ে যান বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মেহেরচণ্ডী এলাকার। তার বয়স এখন প্রায় ৫৫। আগে রিকশা চালালেও প্রায় ২০ বছর ধরে তিনি এই হোটেল চালু করে মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ক্যাম্পাসের স্টেশন বাজারে হোটেল মাদারীপুরে সকাল ও দুপুরবেলা খাবার পাওয়া যায়। এর পাশেই রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের আবাসিক হল মাদার বখ্শ ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী। রয়েছে শহীদ শামসুজ্জোহা ও শহীদ জিয়াউর রহমান হল। শিার্থীদের আবাসিক হলগুলো এই দোকানটির পাশে হওয়ায় অনেকেই খাবার খেতে যান সেখানে।
খাবারের মান নিয়েও সন্তুষ্টির কথা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় লোকপ্রশাসন বিভাগের শিার্থী অন্তিক বিশ্বাস বলেন, সিস্টেম এমন একটি খাবার যেটি দাম ও মানে খুব ভালো যা অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে কোথাও পাওয়া যায় না। সিস্টেমে বিভিন্ন পদের সমাহার থাকায় এটি খেতে ভালো লাগে এবং খাবারের পরিমাণও মোটামুটি ভালো। বর্তমান দাম বাড়ায় এতো স্বল্পমূল্যে দেড় প্লেট ভাতসহ ছয় পদের খাবার অন্য কোথাও পাওয়া যাবে না। যার ফলে খাবারটি ক্যাম্পাসের সকলের কাছেই প্রিয়।
মাসুদ নামে এক শিার্থী বলেন, খাবারের মান তুলনামূলক যথেষ্ট ভালো, দামও সাধ্যের মধ্যেই। আর সিস্টেম এ যেহেতু শাক, ভাজা, ডিম, ডাল আইটেমগুলো আছে এতে পুষ্টিও ভালো পাওয়া যায়। পদের বিভিন্নতার কারণে খেতেও একঘেয়েমি আসে না। এটি তো আমাদের কাছে মানবিক বটেই হোটেল মালিকদের জন্য অনুকরণীয়।
এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে চলে গেছেন অথচ হোটেল মাদারীপুরের সিস্টেম খাননি এমন শিার্থী খুব কমই আছেন বলে জানালেন এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই সাবেক ছাত্র ও বর্তমানে সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড. জামিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক হওয়ার আগে বন্ধুদের সঙ্গে হৈ-হুল্লোড় করে এ খাবার খাওয়া হতো। তবে এখন আর স্টেশন বাজারে তেমন যাওয়া হয় না।
হোটেল মালিক মানিক মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রায় ২০ বছর ধরে হোটেল মাদারীপুরে সিস্টেম চালু আছে। আজ থেকে প্রায় ১০ বছর আগে সিস্টেম মিলতো মাত্র ৬ টাকায়। জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ায় ৬ টাকা থেকে ক্রমান্বয়ে বেড়ে এখন ৩০ টাকা করা হয়েছে। ছয় পদের খাবারের মধ্যে রয়েছে ভাত, অর্ধেক ডিম, বেগুন ভাজা, আলু ভর্তা, শিম ভর্তা ও আলু ভাজা। ডাল অবশ্য সবার জন্য ফ্রি। দোকানে মাছ-মাংস থাকলেও শিার্থীদের পছন্দের তালিকায় সিস্টেমের কদরই সবচেয়ে বেশি বলে জানান তিনি।
হোটেলটির নামকরণ নিয়ে জানতে চাইলে মানিক মিঞা বলেন, আগে এই দোকানের যিনি মালিক ছিলেন তার বাড়ি মাদারীপুর জেলায়। তিনি জেলার নামেই খাবারের দোকানের নাম রেখেছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর পরই এ হোটেল চালু হয় বলে জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies