1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
পাকিস্তানে ‘ভারতসমর্থিত’ ৪১ সন্ত্রাসী নিহত: আইএসপিআর জয়পুরহাটে আবারো কাটা তারের বেড়া দেওয়ার চেষ্টা শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান আমরা বাংলাদেশের নেতৃত্ব যুবকদের হাতে তুলে দিতে চাই-লক্ষ্মীপুরে জামায়াত আমির ভোট দিয়ে প্রমাণ করুন বগুড়া বিএনপির ঘাঁটি: তারেক রহমান বগুড়ার বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদে জুম্মার নামজ আদায় করলেন তারেক রহমান যে যার অবস্থান থেকে প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর আহবান তারেক রহমানের বিএনপি সরকার গঠন করলে শুধু বগুড়া নয় সারাদেশে উন্নয়ন করা হবে- তারেক রহমান আমরা ক্ষমতায় গেলে রাজশাহী অঞ্চলের উন্নয়নকাজ, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করব- তারেক রহমান প্রয়োজনে জীবন দেব, তবু জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে দেব না-জামায়াত আমির

গুজব মোকাবেলায় গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে রাজশাহীতে সিজিএস’র কর্মশালা

  • সম্পাদনার সময় : মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ১২৭ বার প্রদশিত হয়েছে

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: বিভ্রান্তিমুলক তথ্য, মিথ্যা খবর ও গুজব প্রতিরোধে “কনফ্রান্টিং মিসইনফরমেশন ইন বাংলাদেশ” শীর্ষক ষষ্ঠ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে রাজশাহীর গণকপাড়ার একটি হোটেলের সম্মেলন কক্ষে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন সিজিএস’র নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমান এবং কর্মশালাটি পরিচালনা করেন এজেন্সি ফ্রান্স প্রেস (এএফপি)’র ফ্যাক্ট চেক এডিটর কদরুদ্দীন শিশির।
মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের সহযোগিতায় গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) কর্মশালাটি আয়োজন করেছে। কর্মশালায় রাজশাহীতে কর্মরত বিভিন্ন জাতীয় এবং স্থানীয় গণমাধ্যমের সাংবাদিক, ফ্যাক্ট-চেকার ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফুয়েন্সাররা অংশগ্রহণ করেন।
দেশে বিভ্রান্তিমুলক তথ্য, মিথ্যা সংবাদ ও গুজব প্রতিরোধে সিজিএস’র ধারাবাহিক কার্যক্রমের এটি দ্বিতীয় পর্ব। প্রথম পর্বে সিজিএস সারা দেশের ৫টি বিভাগীয় শহরে সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে ৭টি সংলাপ আয়োজন করেছে। এ পর্যায়ে সংগঠনটি একই বিভাগীয় শহরগুলোতে ভুল তথ্য প্রতিরোধে কর্মশালার আয়োজন করছে।
কর্মশালায় কদরুদ্দীন শিশির সংবাদমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সত্যতা নির্ণয় বা ফ্যাক্ট চেকিং এর বিষয়ে বিভিন্ন পদ্ধতি, উপায় ও সতর্কতার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। এছাড়াও, বাংলাদেশে ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ার ক্ষেত্রে ভুল সোর্স, একটিমাত্র সোর্সকে ভরসা করা, সংবাদের ভুল ব্যাখা বা অনুবাদ, প্ররোচনামূলক ভুল সংবাদ ভূমিকা পালন করে। পাশাপাশি, মনোযোগ আকর্ষণকারী ঘটনার নিউজের সত্যতা নিয়ে সতর্ক থাকার গুরুত্ব, অনলাইন সাংবাদিক ও মূলধারার সাংবাদিকদের মধ্যে সমন্বয়হীনতার অভাব, ফ্যাক্টচেকিং এর বর্তমান অবস্থা, বিভিন্ন দেশের সাথে বাংলাদেশের তুলনামূলক অবস্থান, অপ/ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় করণীয়, ইত্যাদি বিষয়সমূহ আলোচনায় উঠে আসে।
উদ্বোধনী বক্তব্যে জিল্লুর রহমান বলেন, ‘সম্প্রতি দ্বাদশ সংসদীয় নির্বাচনে আমরা একটি ঘটনা লক্ষ্য করেছি, নির্বাচন চলাকালীন নির্বাচন মাঠে পর্যবেক্ষক হিসেবে বিভিন্ন দেশের পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতি আমাদের জাতীয় টেলিভিশন চ্যানেল গুলোতে দেখানো হলো এবং নির্বাচনের দিন এক পর্যায়ে পর্যবেক্ষক দলটি প্রেস ব্রিফিংও করলো। আমাদের সংবাদ মাধ্যমে দেখানো হলো যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং কানাডা-সহ বিভিন্ন দেশের পর্যবেক্ষকরা নির্বাচন নিয়ে ইতিবাচক/সন্তোষজনক বিবৃতি দিচ্ছেন। ব্যাপারটা এমন পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়ালো যে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং কানাডা দূতাবাস থেকে ঘোষণা দিতে হয়েছে যে উক্ত ব্যক্তিবর্গ ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে মানে পর্যটক হিসেবে বাংলাদেশে এসেছেন এবং উক্ত তিন দেশের সরকার এই নির্বাচনে কোন পর্যবেক্ষক দল বাংলাদেশে পাঠাননি। কিন্তু, এই যে জাতীয় পর্যায়ের গণমাধ্যম গুলো নির্বাচনের সময় দিনব্যাপি এসব গুজব প্রচার করলো, এই ঘটনাগুলোই বর্তমানে সাংবাদিকদের পেশাদারিত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
তিনি আরও বলেন, ‘সংবাদ প্রকাশের পূর্বে প্রচারিত তথ্যের সত্যতা যাচাই বা ফ্যাক্ট চেকিং করা জরুরী। আমরা মনে করি এ কর্মশালাটি সাংবাদিকদেরকে যথাযথ পেশাদারিত্বের সাথে সংবাদ প্রচারে সহায়তা করবে।
সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্ট্যাডিজ সম্পর্কে:
সিজিএস হলো বাংলাদেশের একটি থিংক ট্যাংক যা সুশাসন, দুর্নীতি, মানবাধিকার, গণতন্ত্র এবং উন্নয়ন বিষয়ক গবেষণা ও গণমাধ্যম গবেষণা পরিচালনা করে। দ্রুত পরিবর্তনশীল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের খাপ খাইয়ে নেওয়ার প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণের লক্ষ্যে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এই কেন্দ্রের উদ্দেশ্য হলো শাসন ব্যবস্থার মান উন্নয়ন, বাংলাদেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দারিদ্র বিমোচনের লক্ষ্যে সহজলভ্য সম্পদের কার্যকরী ও দূরদর্শী ব্যবহারের শর্তসমূহ উন্নত করা, মানব সম্পদ উন্নয়ন, এবং গণতন্ত্রায়ন, অংশগ্রহণ বৃদ্ধি ও টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা অর্জন করার লক্ষ্যে একাডেমিক সম্প্রদায়, সরকার, বেসরকারি খাত এবং উন্নয়ন অংশীদার প্রতিষ্ঠান সমূহের মধ্যে সহযোগিতা সুবিধা সহজতর করা।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies