1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
পাকিস্তানে ‘ভারতসমর্থিত’ ৪১ সন্ত্রাসী নিহত: আইএসপিআর জয়পুরহাটে আবারো কাটা তারের বেড়া দেওয়ার চেষ্টা শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান আমরা বাংলাদেশের নেতৃত্ব যুবকদের হাতে তুলে দিতে চাই-লক্ষ্মীপুরে জামায়াত আমির ভোট দিয়ে প্রমাণ করুন বগুড়া বিএনপির ঘাঁটি: তারেক রহমান বগুড়ার বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদে জুম্মার নামজ আদায় করলেন তারেক রহমান যে যার অবস্থান থেকে প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর আহবান তারেক রহমানের বিএনপি সরকার গঠন করলে শুধু বগুড়া নয় সারাদেশে উন্নয়ন করা হবে- তারেক রহমান আমরা ক্ষমতায় গেলে রাজশাহী অঞ্চলের উন্নয়নকাজ, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করব- তারেক রহমান প্রয়োজনে জীবন দেব, তবু জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে দেব না-জামায়াত আমির

সরিষা ফুলের মধু সংগ্রহে ব্যাপক সাড়া, লাভবান হচ্ছেন কৃষক

  • সম্পাদনার সময় : রবিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১২১ বার প্রদশিত হয়েছে

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: মাঠের পর মাঠ সরিষার তে। হলুদে হলুদে ভরে গেছে মাঠ। আর মধু চাষীরাও ব্যস্ত সরিষার তে থেকে মধু সংগ্রহে। রাজশাহীর প্রায় সমস্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ফসলের মাঠে গিয়ে এমন চিত্রই দেখা গেছে। ইতোমধ্যে খাঁচা পদ্ধতিতে চাষকৃত মৌমাছির মাধ্যমে সরিষা ফুলের মধু সংগ্রহে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মতে, সরিষা েেতর পাশে মৌমাছির মধু চাষের কারণে পরাগায়ণ ঘটছে ফসলের এতে সরিষারও ফলন ২৫ শতাংশ বেড়ে যায়। এটি একটি উইন উইন গেম। সরিষা তে থেকে মধু সংগ্রহ লাভজনক ব্যবসা হয়ে দেখা দিয়েছে। মধু বিক্রি করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছেন তারা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সরিষার মৌসুমে কাঠের বিশেষ ধরনের বাক্সে মধু সংগ্রহের জন্য েেতর পাশে সারিবদ্ধভাবে বসানো হয়েছে পোষা মৌমাছির মৌবাক্স। সকালে মধু সংগ্রহের জন্য খোলে দেয়া হয় মৌবাক্সগুলো। মৌমাছিরদল সরিষা ফুলে ঘুরে ঘুরে মধু আহরণ করছে। আর প্রতি সপ্তাহে একবার মৌবাক্স থেকে মধু সংগ্রহ করেন মৌচাষিরা। মেশিনের মাধ্যমে মধু সংরণ করে বাজারজাতের ব্যবস্থা করেন। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, এই মধু রাজশাহী জেলার চাহিদা মিটিয়ে এখন সরবরাহ হচ্ছে দেশ ও বিদেশের মাটিতে।
রাজশাহী গোদাগাড়ী উপজেলার হাতনাবাদ গ্রামের মধু চাষি সুমন আলী ২০১৩ সাল থেকে সরিষা েেত মধুচাষ করছেন। তিনি বরাবরের মতো এবারও আশা করছেন আড়াই থেকে তিন লাখ টাকার মধু বিক্রি করবেন। সুমন জানান, রাজশাহীর বিসিক এলাকা থেকে মধু সংগ্রহরে বক্স তৈরি করে আনেন। এরপর মধু সংগ্রহের ট্রেনিং নিয়ে চাষ করা শুরু করেন। এবারও ৫০টির বেশি বক্স বসিয়েছেন। গড়ে প্রতি সপ্তাহে তিনি আড়াই মন মধু সংগ্রহ করছেন। রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার ফকিরপাড়া গ্রামের উত্তরপাড়ায় মৌচাষ করছেন মোঃ মমিন, নারায়ণ মন্ডল, হৃদয় মন্ডল, রুবেল, আলিম। মৌচাষি মোঃ মমিন বলেন, নাটোর এলাকা থেকে রানি মৌমাছি সংগ্রহ করে এবার ২০টি বক্সে মধু চাষ করছি। প্রতিটি বক্সে ৫টি করে চাক আছে। এগুলো থেকেই গতবার ভালো আয় হয়েছে। এবারও ভালো লাভের আশা করছেন তারা। রাজশাহীর গোদাগাড়ী এলাকার বাসুদেবপর বিলে মধু সংগ্রহ করছেন মজিদ আলী। তার বাড়ি রাজশাহীর মোহনপুরে। তিনি বলেন, আমাদের এখানে প্রতিটি বক্স থেকে সপ্তাহে প্রায় ৩ থেকে ৫ কেজি মধু উৎপাদন হয়। সরিষা চাষের সময় আমাদের মূল সময়। এই সময়েই বেশি মধু উৎপাদন হয়। এছাড়া লিচু, ধনিয়া ও কালোজিরা চাষের সময় মধু উৎপাদন হয়। মজিদ বলেন, আমার গড়ে প্রতি কেজি পাইকারি দরে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা দরে বিক্রি করি। আর স্থানীয়দের কাছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করি। মমিন বা সুমনই নয়, রাজশাহীতে এখন অন্তত ৫০ থেকে ৬০ জন মধুচাষি মধু চাষ করছে। কম খরচে মধু উৎপাদন করে আয় করছেন লাখ লাখ টাকা। এতে করে ভাগ্য বদল ও সাবলম্বী হচ্ছেন অনেক বেকার তরুণরাও। একদিকে বাণিজ্যিক এই মধু আহরণে মৌ চাষিরা যেমন লাভবান হচ্ছেন পাশাপাশি বাড়ছে সরিষা উৎপাদন।
মধু চাষিরা বলেন, আমাদের এখনকার উৎপাদিত মধুগুলো ২১ থেকে সাড়ে ২২ গ্রেডের হওয়ায় স্থানীয় ও মার্কেটে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আমাদের সব খরচ বাদ দিয়ে গড়ে প্রতি মৌসুমে আড়াই থেকে তিন লাখ টাকার মধু বিক্রি হয়।
রাজশাহী কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, জেলায় এবার প্রথমিক পর্যায়ে সরিষার জমিতে সাড়ে ৩ হাজারের অধিকমধু চাষের বক্স স্থাপন করা হয়েছে। এসব বক্স থেকে ৪৩ হাজার কেজি মধু উৎপাদন হতে পারে। এখন পর্যন্ত প্রায় ১৩ হাজার কেজি মধু সংগ্রহ করা হয়েছে। স্থানীয়দের পাশাপাশি বিভিন্ন জেলার মৌ চাষি এসে মধু সংগ্রহ করছেন। এদিকে মৌ চাষ শুরু হওয়ার পর সরিষার ফলন বিঘা প্রতি ৩ থেকে ৪ মণ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি বিভাগ।
রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোজদার হোসেন বলেন, রাজশাহীতে আমরা সরিষা চাষ বাড়িয়েছি। কারণে মৌ বক্সও বাড়ছে। অনেক চাষিরা জমির পাশে বসতে দিতেন না। আমরা তাদের মটিভেশন করেছি। মধু চাষের কারণে সরিষারও ফলন ২৫ শতাংশ বেড়ে যায়। এটি একটি উইন উইন গেম। তিনি বলেন, প্রতি বছরই মধু চাষির সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষ করে তরুণরা। কিছু প্রবীণ মধু চাষিও আছে। কম খড়ছে লাভজনক এই চাষের কারণে এতে তরুণরা ঝুঁকছেন এবং সাবলম্বী হচ্ছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies