1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
পাকিস্তানে ‘ভারতসমর্থিত’ ৪১ সন্ত্রাসী নিহত: আইএসপিআর জয়পুরহাটে আবারো কাটা তারের বেড়া দেওয়ার চেষ্টা শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান আমরা বাংলাদেশের নেতৃত্ব যুবকদের হাতে তুলে দিতে চাই-লক্ষ্মীপুরে জামায়াত আমির ভোট দিয়ে প্রমাণ করুন বগুড়া বিএনপির ঘাঁটি: তারেক রহমান বগুড়ার বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদে জুম্মার নামজ আদায় করলেন তারেক রহমান যে যার অবস্থান থেকে প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর আহবান তারেক রহমানের বিএনপি সরকার গঠন করলে শুধু বগুড়া নয় সারাদেশে উন্নয়ন করা হবে- তারেক রহমান আমরা ক্ষমতায় গেলে রাজশাহী অঞ্চলের উন্নয়নকাজ, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করব- তারেক রহমান প্রয়োজনে জীবন দেব, তবু জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে দেব না-জামায়াত আমির

উদ্বোধনের অপেক্ষায় দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নভোথিয়েটার

  • সম্পাদনার সময় : শনিবার, ১২ আগস্ট, ২০২৩
  • ১২১ বার প্রদশিত হয়েছে

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নভোথিয়েটার ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার’ তৈরি করা হয়েছে রাজশাহীতে। দেশের সর্বাধুনিক এ নভোথিয়েটার উন্মুক্ত হচ্ছে আগামী সেপ্টেম্বরে। এরই মধ্যে আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন এ প্রকল্পের পুরো কাজ শেষ করেছে গণপূর্ত অধিদপ্তর। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হবে যেকোনো দিন।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০১৮ সালে ২৩২ কেটি টাকা ব্যয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান উদ্যানের সামনে নির্মাণ শুরু হয়। নানা প্রতিবন্ধকতা যেমন করোনা মহামারি এবং ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ কাটিয়ে যার কাজ শেষ হয় চলতি বছরের জুলাইয়ে। এখন চলছে শেষ মুহূর্তের ধোয়া-মোছার কাজ।
দেশের সর্ববৃহৎ পরিধির এ স্থাপনায় থাকছে প্ল্যানেটেরিয়ামসহ ফাইভ-জি হল ও আধুনিক অবজারবেটেড টেলিস্কোপ; যা দেশে প্রথম। আগামী সেপ্টেম্বরে রাজশাহীর এ নভোথিয়েটার উদ্বোধনের কথা রয়েছে।
রাজশাহী গণপূর্ত-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ জানান, প্রকল্পে শুধু ভবন তৈরিতে ব্যয় হয়েছে ১৪০ কেটি টাকা। বাকি অর্থ ব্যয় হয়েছে নভোথিয়েটারের যন্ত্রাংশ ও অন্যান্য খাতে। শুধু প্ল্যানেটেরিয়াম ছাড়াও এখানে রয়েছে বিশাল জায়গা। যেকোনো বিজ্ঞান প্রদর্শনী ছাড়াও চাইলে শিক্ষাবিষয়ক নানা অনুষ্ঠান এখানে করা সম্ভব।
তিনি বলেন, স্থাপন করা হচ্ছে বিশ্বের আধুনিক টেলিস্কোপ, যা দিয়ে গবেষকরা নভোম-লের গবেষণা আরও এগিয়ে নিতে পারবেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এ প্রকল্পটি গণপূর্ত অধিদপ্তর যথাযথ গুণগতমান বজায় রেখে নির্মাণ করেছে।
স্থাপন করা হয়েছে আধুনিক ডেকোরেশন। লাইটিং, ভবনের সম্মুখে সুদৃশ্য পানির ফোয়ারা। পুরো ভবনে সেন্ট্রাল এসি স্থাপন, টিকিটিং সিস্টেম পুরোপুরি অটোমেটেড ও ডিজিটাল। আধুনিক ফায়ার প্রটেকশন ও ডিটেকশন ব্যবস্থাসহ নিরাপত্তা নিশ্চিতে লাগানো হয়েছে ১৪০টিরও বেশি সিসি ক্যামেরা।
দর্শনার্থীদের জন্য আরও থাকছে অন্তত ১০০টি কার পার্কিংয়ের ব্যবস্থা। সবমিলিয়ে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আধুনিক ভবন হতে যাচ্ছে এ বিজ্ঞান গবেষণা ও মহাকাশ প্রদর্শনী কেন্দ্রটি।
তবে উদ্বোধনের পরদিনে কয়টি শো এখানে চলবে বা টিকিটের দাম কতো হবে, তা এখনো জানানো হয়নি। সেটি ঠিক করবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ। খুব শিগগির গণপূর্ত বিভাগ এ ভবনটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাছে হস্তান্তর করবে বলে জানা গেছে।
নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ বলেন, আশা করা হচ্ছে আগামী সেপ্টেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এটি উদ্বোধন করবেন।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, প্রকল্পের মূল আকর্ষণ প্ল্যানেটেরিয়ামের কাজ শেষ। চওড়া সিঁড়ি দিয়ে দোতলায় উঠে তিনতলায় যেতে ভেতরে দুটি বড় সিঁড়ি ছাড়াও রয়েছে লিফট ও এস্কেলেটর। তৃতীয় তলায় পূর্ব উত্তর কোনায় বসানো হয়েছে গম্বুজ। কক্ষটিতে প্রবেশ করতে হচ্ছে জুতা খুলে। কারণ ভেতরে খুবই স্পর্শকাতর যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া মেঝেতে বিছানো হয়েছে মূল্যবান মাদুর। সারি সারি লাল রঙের আরামদায়ক চেয়ার স্থাপন করা শেষ। কম্পিউটারের মাধ্যমে অপারেট করা হবে এ প্রদর্শনী কেন্দ্রটি।
সফটওয়্যার চালুর সঙ্গে সঙ্গে ক্লিক করলেই গম্বুজের চারপাশ থেকে হালকা আলোতে আলোকিত হলো মাথার ওপরের সাদা পর্দা। চারপাশের মোট পাঁচটি প্রজেক্টর একসঙ্গে চালু হয়ে শুরু হয় দ্য বিগ ব্যাং শো। অসীম মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য থেকে পৃথিবীর সৃষ্টি, সূর্য, চাঁদ, গ্রহ, নক্ষত্র সবই এক পর্দায় ভেসে উঠছে নিমিষেই। নিখুঁত সাউন্ডের জন্য পুরো হলে লাগানো হয়েছে ডলবি ডিজিটাল সাউন্ড সিস্টেম, যা প্রদর্শনীর মাধ্যমে নিয়ে যাবে সরাসরি মহাশূন্যে গ্রহ-নক্ষত্রের খুব কাছে। একসঙ্গে দেড়’শজন এমন আসনগুলোতে বসে অসীম মহাকাশের গ্রহ-নক্ষত্রের খুঁটিনাটি সম্পর্কে জানতে ও দেখতে পারবেন।
দিনে অন্তত ৬-৭টি শো চালানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে শিশুরা বিজ্ঞান শিক্ষায় আগ্রহী হবে। বিজ্ঞানমনস্করা আধুনিক টেলিস্কোপের মাধ্যমে নভোম-ল প্রত্যক্ষ ও গবেষণায় যুক্ত হতে পারবেন।
এমন একটি প্রতিষ্ঠান রাজশাহীতে পেয়ে খুশি বিজ্ঞানপ্রিয়রা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক সাজ্জাদ বকুল বলেন, এটি অবশ্যই নগরবাসীর জন্য খুবই ভালো সংবাদ। কিন্তু এটি যেন শুদু দর্শনার্থীদের জন্য বিনোদনের কেন্দ্র না হয়ে ওঠে। প্রতিষ্ঠানটিতে বিজ্ঞান চর্চা, মহাকাশ নিয়ে পড়াশোনা ও ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ থাকতে হবে বলে মনে করেন তিনি।

 

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies