ঢাকায় নিযুক্ত বৃটিশ হাই কমিশনার সারাহ ক্যাথরিন কুকের সঙ্গে বৈঠক করেছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চায় যুক্তরাজ্য। গেলো এক সপ্তাহে বাংলাদেশের হামলা-মামলা, মৃত্যু ও সরকারি কর্মকর্তাদের রদবদল নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে তারা দৃষ্টি রাখছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে প্রতিনিয়ত বিদেশিদের বার্তাই প্রমাণ করে এ দেশে কোনো নির্বাচন হচ্ছে না। মানুষ ভোট দিতে পারছে না।
খসরু বলেন, ‘আজকে নতুন করে কিছু তো বলার নাই। আমরা একটি কথা বারবার বলছি যে বাংলাদেশের ওপর সমস্ত গণতান্ত্রিক দেশ যেগুলো আছে, বিশ্বের যত গণতন্ত্রকামী সংগঠন আছে, যারাই গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে, যারা মানবাধিকারে বিশ্বাস করে, আইনের শাসনে-জীবনের নিরাপত্তায় বিশ্বাস করে, গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে- সবারই এখানে একটা কনসার্ন আছে।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে একটা অনির্বাচিত সরকার থাকার কারণে আজকে কিন্তু মানবাধিকার, আইনের শাসন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, জীবনের নিরাপত্তা, চরম দুর্নীতি- এ বিষয়গুলো উঠছে। মূল উঠে আসছে একটা বিষয় তা হলো- অনির্বাচিত, অবৈধ, দখলদারত্বের সরকার। সুতরাং এটা পরিবর্তনের একটা মাত্র উপায় হচ্ছে একটি নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও অংশীদারিত্বমূলক নির্বাচন।’
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণের যে রকম প্রত্যাশা, তাদেরও (বৃটিশ হাইকমিশনার) একই প্রত্যাশা যে বাংলাদেশ একটি নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন- জনগণ তাদের সংসদ সদস্য নির্বাচন করবে, তাদের সরকার নির্বাচন করবে। এ কনসার্ন সবার আছে এবং বৃটিশ দূতের তো সব সময় ছিল।
আমরা ওয়েস্ট মিনিস্টার ডেমোক্রেসি ফলো করি। সুতরাং তাদের সব সময় (কনসার্ন) ছিল। এই বিষয়গুলো আলোচনা হয়েছে।’
বৈঠকে ব্রিটিশ পলিটিক্যাল কাউন্সিলর টিমোথি ডকেট উপস্থিত ছিলেন।
অপরদিকে বিএনপি নেতাদের মধ্যে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ উপস্থিত ছিলেন।