1. nobinbogra@gmail.com : Md. Nobirul Islam (Nobin) : Md. Nobirul Islam (Nobin)
  2. bd.momin95@gmail.com : sojibmomin :
  3. bd.momin00@gmail.com : Abdullah Momin : Abdullah Momin
  4. bd.momin@gmail.com : Uttarkon2 : Uttar kon
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন

শঙ্কা কাটিয়ে আউশের আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছড়াবে!

  • সম্পাদনার সময় : শনিবার, ৮ জুলাই, ২০২৩
  • ১৮৭ বার প্রদশিত হয়েছে

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: অনাবৃষ্টির কারণে রাজশাহী আঞ্চলে এবার আউশ মৌসুমের ছন্দপতন ঘটেছে। তবে শঙ্কাকাল কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত আষাঢ়ের ঝরা-বৃষ্টির ছোঁয়ায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আবাদ হওয়ার বিষয়ে আশাবাদী কৃষি বিভাগ। রাজশাহী আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, রাজশাহী অঞ্চলের (রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও নাটোর) এ গত বছর ১ লক্ষ ৫১ হাজার ৩৭৮ হেক্টর জমিতে আউশের আবাদ হয়েছিলো। এবার মৌসুমের শেষ সময়ে ৩০ জুন পর্যন্ত তার অর্ধেকও অর্জিত হয়েছিলো না।
তবে আষাঢ়ের বৃষ্টির পর গত বছরের চেয়ে এখন পর্যন্ত বেশি আবাদ হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১ লক্ষ ৫৯ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আউশের আবাদ হয়েছে। আর এবারের আউশের লক্ষ্যমাত্রা ১ লক্ষ ৮০ হাজার ৫০৫ হেক্টর। এখন পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রার ৮৮ শতাংশ রোপন হয়েছে। আগামী ৫-৭ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ অর্জিত হয়ে যাবে বলে আশাবাদী কৃষি দপ্তর।
পবা উপজেলার কয়েকটি মাঠ ঘুরে দেখা যায়, বৃষ্টির আগে খাঁ খাঁ করা বরেন্দ্র ভূমিতে এখন কৃষক ব্যস্ত সময় পার করছেন। বৃষ্টির পানি ধরে রেখে কেউ জমি প্রস্তুত করছেন। কেউ জমিতে ধান লাগাচ্ছেন। কেউ বা ধান লাগিয়ে পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। আর শেষ পর্যন্ত আবহওয়া ভালো থাকায় ভালো ফলনেরও প্রত্যাশা চাষীদের।
পবা উপজেলার কৃষক আব্দুস সাত্তার জানান, ধান উৎপাদনে খুব বেশি লাভ হয় না। এ অবস্থাতেও সামান্য লাভের আশায় প্রাকৃতিক দূর্যোগকে সঙ্গী করে অনেক কষ্ট করে তারা ধানের আবাদ করেন। এবারও বৃষ্টির কারণে অনেক দেরিতে ধান লাগাতে হচ্ছে। তবে ধানের দাম ভালো থাকায় ৩ বিঘা জমিতে আউশের আবাদ করেছেন।
চাষী আনসার আলী জানান, অনাবৃষ্টির কারণে প্রথমে আউশের চারা নষ্ট হয়ে গিয়েছিলো। পরে বৃষ্টির পরপরই চারা রোপন করি। একারণে অনেকটাই দেরি হয়ে গেলো। তবে এখন আবহওয়া সুন্দর আছে।
রাজশাহী আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক শামসুল ওয়াদুদ জানান, কৃষিভিত্তিক এ অঞ্চলে সব সময় খাদ্য উদ্বৃত্ত থাকে। করোনাকালেও এর ব্যত্যয় হয় নি। তবে এবারের অনাবৃষ্টিতে একটা শঙ্কা তৈরি হয়েছিলো। তবে শেষ পর্যন্ত সেই শঙ্কা কেটে গেছে। তবে আউশ মৌসুমের শেষে এখন আউশ লাগানো হচ্ছে। একটু দেরি হলো।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright © 2025 The Daily Uttar Kon. All Rights Reserved.
Powered By Konvex Technologies