মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: কোরবানির ঈদের মাত্র ৫দিন বাকি। তবে এখনও পুরোদমে জমেনি পশুর হাট। শুক্রবার কাটাখালীতে সাপ্তাহিক হাটের দিন ছিল। এদিন পবা উপজেলার কাটাখালীর মাসকাটাদিঘীর স্কুল মাঠে বসে কোরবানির পশুহাট।
কোরবানির পশু বিক্রেতা রাজিব হোসেন বলেন, সবকিছুর দাম বেশি। একটা গরুকে লালন পালন করতে সবকিছুই কিনে খাওয়াতে হয়। ফলে খরচ বেশি হচ্ছে। কিন্তু গরুর সঠিক দাম চাইলেও ক্রেতা নারাজ হচ্ছেন। আমার গরুর মাংস হবে কমপক্ষে ৪ মণ। দাম চেয়েছি ১ লাখ ৩৫ হাজার। আর ক্রেতারা বলছে ১ লাখ ৫ হাজার। বিক্রি করিনি। আরও কয়েকটি হাট আছে। না হলে শেষ হাটে বিক্রি করবো।
ক্রেতা মামুন জানান, হাটে কোরবানির পশু তুলনামূলক ভালোই রয়েছে। তবে বিক্রেতারা গরুর বেশি দাম চাচ্ছে। তিন মণের গরু হলে দাম চাচ্ছে ১ লাখ ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা। দরদাম করলে এক লাখ ১০ হাজার নিচে আসছে না। গরুর মালিকরা দাম কমাতে চাচ্ছেন না। ফলে অনেকেই ফিরে যাচ্ছে আগামী হাটে কোরবানির গরু কিনবে বলে।
আরিফুল ইসলাম নামের আরেক ক্রেতা বলেন, আমরা পাঁচজন মিলে কোরবানি দেব। আমাদের টার্গেট ১ লাখ ২০ হাজারের মধ্যে গরু কেনা। কিন্তু হাটে এমন গরুর দাম চাচ্ছে ১ লাখ ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। হাটে তুলনামূলক ছোট গরুর দাম বেশি মনে হচ্ছে তার।
অন্যদিকে, কোরবানি ঈদের ৫দিন বাকি থাকলেও জমেনি উত্তরের সবচেয়ে বড় পশুর হাট ‘সিটি হাট’। ঈদের আগের দিন পর্যন্ত প্রতিদিন কোরবানির পশুহাট ঘোষণা করা হয়েছে। তবে বিগত বছরগুলোর চেয়ে এবার তেমন জমেনি পশুর হাট।
সিটি পশুহাটের ইজারাদার ফারুক হোসেন ডাবলু বলেন, ঈদের মাত্র ৫দিন বাকি। তবুও বিক্রি জমেনি। গত বৃহস্পতিবার থেকে প্রতিদিন হাট ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার সীমিত কোরবানির পশু উঠেছিল। খুব ভালো কেনা-বেচা হয়নি। এখন থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত নিয়মিত হাট বসবে।